১
একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
পঞ্চদশ দৃষ্টান্ত: ঐ সব মূলনীতি ও বিধিবিধান প্রসঙ্গে, যা শরী‘আত প্রবর্তক বিবাদ মীমাংসার জন্য, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানকল্পে এবং বাদী ও বিবাদীর একজনকে অপরজনের উপর প্রাধান্য দেয়ার জন্য প্রণয়ন করেছেন।
তা হচ্ছে এমন কতগুলো মূলনীতি, যা ন্যায়, দলিল-প্রমাণ, সামাজিক প্রথার ধারাবাহিকতা ও স্বভাব-প্রকৃতির সামঞ্জস্যতার উপর প্রতিষ্ঠিত; কেননা শরী‘আত প্রবর্তক, এমন প্রত্যেক দাবীদারের জন্য যে কোন কিছুর অথবা কোন হকের (অধিকারের) দাবি করে, তার সপক্ষে দলিল পেশ করাকে বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। সুতরাং সে যখন এমন দলিল নিয়ে আসবে, যা তার দাবির পক্ষে জোরালো ভুমিকা রাখবে এবং তাকে শক্তিশালী করবে, তখন তার জন্য তার দাবিকৃত হক বা অধিকার সাব্যস্ত হয়ে যাবে। আর যখন সে তার দাবির পক্ষে দলিল-প্রমাণ নিয়ে আসতে ব্যর্থ হবে, তখন বিবাদী বাদীর দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে শপথ করবে এবং তার উপর বাদির জন্য কোন অধিকার সাব্যস্ত হবে না।
আর শরী‘আত প্রবর্তক বস্তুর মান অনুযায়ী দলিল-প্রমাণের বিষয়টি নির্ধারণ করেছেন; আর তিনি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত ও মানুষের মাঝে ধারাবাহিকভাবে চলে আসা সামাজিক প্রথাকেও দলিল-প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
সুতরাং দলিল-প্রমাণ হল এমন প্রত্যেক বস্তু বা বিষয়ের নাম, যা সত্যকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে এবং তাকে প্রমাণিত করে।
আর তিনি দ্বিধাদ্বন্দ্বের সময় এবং বাদী ও বিবাদীর সমান অবস্থানের ক্ষেত্রে ইনসাফপূর্ণ আপোস-মীমাংসার পদ্ধতির কথা বলেছেন, যা হবে বিভিন্ন সমস্যা ও বিরোধ মীমাংসার প্রত্যেকটি সমাধান-পদ্ধতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
সুতরাং এমন প্রতিটি পদ্ধতি যাতে কোন যুলুম নেই, আর তা তাদের জন্য উপকারী হওয়ার পরও তাদেরকে কোন গোনাহের কাজে প্রবৃত্ত করে না, শরী‘আত সেটাকেই ঝগড়ার মূলোৎপাটন ও বিবাদ-বিসম্বাদ নিরসনের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
আর তিনি এই নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ও দুর্বল এবং রাজা ও প্রজার মধ্যে সার্বিক অধিকার প্রশ্নে সমতা বিধান করেছেন।
আর তিনি ন্যায়বিচার করা এবং যুলুম বা অবিচার না করার পদ্ধতি প্রচলন করার মাধ্যমে বাদী-বিবাদীদেরকে সন্তুষ্ট করার ব্যবস্থা করেছেন।
আর শরী‘আত প্রবর্তক বস্তুর মান অনুযায়ী দলিল-প্রমাণের বিষয়টি নির্ধারণ করেছেন; আর তিনি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত ও মানুষের মাঝে ধারাবাহিকভাবে চলে আসা সামাজিক প্রথাকেও দলিল-প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
সুতরাং দলিল-প্রমাণ হল এমন প্রত্যেক বস্তু বা বিষয়ের নাম, যা সত্যকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে এবং তাকে প্রমাণিত করে।
আর তিনি দ্বিধাদ্বন্দ্বের সময় এবং বাদী ও বিবাদীর সমান অবস্থানের ক্ষেত্রে ইনসাফপূর্ণ আপোস-মীমাংসার পদ্ধতির কথা বলেছেন, যা হবে বিভিন্ন সমস্যা ও বিরোধ মীমাংসার প্রত্যেকটি সমাধান-পদ্ধতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
সুতরাং এমন প্রতিটি পদ্ধতি যাতে কোন যুলুম নেই, আর তা তাদের জন্য উপকারী হওয়ার পরও তাদেরকে কোন গোনাহের কাজে প্রবৃত্ত করে না, শরী‘আত সেটাকেই ঝগড়ার মূলোৎপাটন ও বিবাদ-বিসম্বাদ নিরসনের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
আর তিনি এই নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ও দুর্বল এবং রাজা ও প্রজার মধ্যে সার্বিক অধিকার প্রশ্নে সমতা বিধান করেছেন।
আর তিনি ন্যায়বিচার করা এবং যুলুম বা অবিচার না করার পদ্ধতি প্রচলন করার মাধ্যমে বাদী-বিবাদীদেরকে সন্তুষ্ট করার ব্যবস্থা করেছেন।