১
নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
২.২.১ আল-মুখতার
তার নামঃ আল মুখতার, পিতার নামঃ আবু উবাইদ ইবন্ মাসউদ। গোত্র বনু সাকীফ। তার পিতা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায়ই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন কিন্তু তিনি তাকে দেখার সৌভাগ্য লাভ করেননি। এ জন্য তাকে কেউ সাহাবী হিসেবে গণ্য করেনি। ইবনুল আসীর বলেনঃ তার পিতা ইসলামের খেদমতে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন এবং পারসিকদের সাথে যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।
কিন্তু তার পুত্র মুখতার। সে প্রথমে নিজেকে শিয়াদের মতবাদে বিশ্বাসী বলে প্রচার করল। তারপর বলতে শুরু করল যে, তার কাছে জিবরীল ফিরিশ্তা আসে এবং তাকে জানিয়ে দেয়। এভাবে সে নবুওয়াতের দাবী করে বসে। শিয়া মতবাদের অনুসারীরা তার আনুগত্য করল। ফলে সে ভীষণ শক্তিশালী হয়ে ইরাকের কূফা নগরী দখল করে বসে। তখন আব্দুল্লাহ্ ইবন যুবাইর তার ভাই মুস‘আব ইবন্ যুবাইরকে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার যুদ্ধ হওয়ার পর হিজরী ৬৭ সনে সে চুড়ান্তভাবে পরাজিত ও নিহত হয় [আল-বাগদাদী, আবু মনসূর, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক, (বৈরুত, দারুল মা‘রিফাহ), পৃ.৪৫, ইবন কাসীর, প্রাগুক্ত, খ.৮, পৃ. ২৮৯।]।
কিন্তু তার পুত্র মুখতার। সে প্রথমে নিজেকে শিয়াদের মতবাদে বিশ্বাসী বলে প্রচার করল। তারপর বলতে শুরু করল যে, তার কাছে জিবরীল ফিরিশ্তা আসে এবং তাকে জানিয়ে দেয়। এভাবে সে নবুওয়াতের দাবী করে বসে। শিয়া মতবাদের অনুসারীরা তার আনুগত্য করল। ফলে সে ভীষণ শক্তিশালী হয়ে ইরাকের কূফা নগরী দখল করে বসে। তখন আব্দুল্লাহ্ ইবন যুবাইর তার ভাই মুস‘আব ইবন্ যুবাইরকে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার যুদ্ধ হওয়ার পর হিজরী ৬৭ সনে সে চুড়ান্তভাবে পরাজিত ও নিহত হয় [আল-বাগদাদী, আবু মনসূর, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক, (বৈরুত, দারুল মা‘রিফাহ), পৃ.৪৫, ইবন কাসীর, প্রাগুক্ত, খ.৮, পৃ. ২৮৯।]।