১
নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকাঃ
মুসলিম মাত্রই এটা বিশ্বাস করে যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রেরণ করে মহান আল্লাহ্ নবুওয়াতের ধারার পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেছেন, সুতরাং তাঁর পরে আর কোন নবী বা রাসূল আসবেন না। এটি এমন এক বিশ্বাস যা না করলে ঈমানই শুদ্ধ হবে না।
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ, তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পর, উমাইয়া ও আববাসী যুগে এমনকি বর্তমান কালেও মাঝে মধ্যে নবুওয়াতের দাবীদারদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামের শত্রুদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্ররোচনা, তাদের ষড়যন্ত্র এবং তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় কিছু সময়ের জন্য তাদের কারো কারো কণ্ঠ উঁচু হতেও দেখা যায়। কিন্তু মহান আল্লাহ্ তাঁর দীন ইসলামকে যেমন পূর্ণ করেছেন তেমনি তার সংরক্ষণের দায়িত্বও পালন করেছেন। ফলে যুগে যুগে এ সমস্ত নবুওয়তের দাবীদাররা ধিকৃত ও লাঞ্ছিত হয়েছে। সাময়িকভাবে তারা পরিচিতি ও সুযোগ-সুবিধার অধিকারী হলেও পরবর্তিতে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ ‘‘তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহ্র জ্যোতি নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আল্লাহ্ তার বিপরীত করলেন, যেন তার নুর পূর্ণরূপে বিকাশ লাভ করে। যদিও তা কাফিরদের মনে খারাপ লাগছে। তিনিই সে মহান সত্তা যিনি তাঁর রাসূলকে সঠিক পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন, যেন আর সব দীনের উপর বিজয়ী করতে সক্ষম হন, মুশরিকরা যদিও তাতে বিরক্ত হয়।’’ [সূরা আত-তাওবাহঃ ৩২-৩৩।]
আলোচ্য প্রবন্ধে ইতিহাসের পাতা থেকে সে সমস্ত ভন্ড নবীদের কথা বর্ণনা করা হবে যাদের অনুসারী তৈরী হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের আক্বীদা ও বিশ্বাসের প্রভাব রয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া অন্য যে সমস্ত নবুওয়তের দাবীদার রয়েছে কিন্তু তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের প্রভাব শেষ হয়ে গেছে বা তাদের অনুসারী-অনুগামী দল তৈরী হয়নি, তাদের সম্পর্কে আলোচনা করা হবে না।
এ প্রবন্ধের প্রথমেই নবুওয়াত ও রিসালাতের পরিসমাপ্তি সংক্রান্ত দলীল-প্রমাণাদি পেশ করা হবে। তারপর বিভিন্ন যুগে কারা কিভাবে নবুওয়তের দাবী করেছিল তাদের সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ, তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পর, উমাইয়া ও আববাসী যুগে এমনকি বর্তমান কালেও মাঝে মধ্যে নবুওয়াতের দাবীদারদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামের শত্রুদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্ররোচনা, তাদের ষড়যন্ত্র এবং তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় কিছু সময়ের জন্য তাদের কারো কারো কণ্ঠ উঁচু হতেও দেখা যায়। কিন্তু মহান আল্লাহ্ তাঁর দীন ইসলামকে যেমন পূর্ণ করেছেন তেমনি তার সংরক্ষণের দায়িত্বও পালন করেছেন। ফলে যুগে যুগে এ সমস্ত নবুওয়তের দাবীদাররা ধিকৃত ও লাঞ্ছিত হয়েছে। সাময়িকভাবে তারা পরিচিতি ও সুযোগ-সুবিধার অধিকারী হলেও পরবর্তিতে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ ‘‘তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহ্র জ্যোতি নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আল্লাহ্ তার বিপরীত করলেন, যেন তার নুর পূর্ণরূপে বিকাশ লাভ করে। যদিও তা কাফিরদের মনে খারাপ লাগছে। তিনিই সে মহান সত্তা যিনি তাঁর রাসূলকে সঠিক পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন, যেন আর সব দীনের উপর বিজয়ী করতে সক্ষম হন, মুশরিকরা যদিও তাতে বিরক্ত হয়।’’ [সূরা আত-তাওবাহঃ ৩২-৩৩।]
আলোচ্য প্রবন্ধে ইতিহাসের পাতা থেকে সে সমস্ত ভন্ড নবীদের কথা বর্ণনা করা হবে যাদের অনুসারী তৈরী হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের আক্বীদা ও বিশ্বাসের প্রভাব রয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া অন্য যে সমস্ত নবুওয়তের দাবীদার রয়েছে কিন্তু তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের প্রভাব শেষ হয়ে গেছে বা তাদের অনুসারী-অনুগামী দল তৈরী হয়নি, তাদের সম্পর্কে আলোচনা করা হবে না।
এ প্রবন্ধের প্রথমেই নবুওয়াত ও রিসালাতের পরিসমাপ্তি সংক্রান্ত দলীল-প্রমাণাদি পেশ করা হবে। তারপর বিভিন্ন যুগে কারা কিভাবে নবুওয়তের দাবী করেছিল তাদের সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।