১
নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি
লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
২.২.২ আল-হারেস ইবন সা‘য়ীদ
তার নামঃ আল হারেস ইবন্ সা‘য়ীদ, দাস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। দামেস্কে অবস্থান করত। সেখানে সে ইবাদত ও পরহেযগারীতে প্রসিদ্ধি লাভ করে। কিন্তু পরবর্তীতে সে পদস্খলিত হয়ে পড়ে। প্রাথমিক জীবনে তার অবস্থা এমন ছিল যে, তাকে দেখলে ও তার কথা শুনলে সবাই প্রভাবিত না হয়ে পারত না। ইতোমধ্যে সে বিভিন্নভাবে শয়তান কর্তৃক প্রতারিত হতে আরম্ভ করে। সে তার পিতার নিকট তার বিভিন্ন অবস্থা লিখে পাঠায় যে, আমাকে মনে হচ্ছে শয়তান কুপ্ররোচনা দিচ্ছে। কিন্তু তার পিতা তাকে এ ধারণা দিতে সক্ষম হয় যে, তুমি তো আবেদ মানুষ, তোমাকে শয়তান প্ররোচনা দিবে কেন? সুতরাং যা দেখছ তাই বলে বেড়ায়। এতে সে আরো বেশী উৎসাহী হয়ে যায় এবং নবুওয়তের দাবী করে বসে। খলীফা আব্দুল মালেক ইবন মারওয়ান তাকে ডেকে এনে আলেমদের মাধ্যমে অনেক উপদেশ দেয়। কিন্তু সে তার নবুওয়তের দাবী থেকে পিছপা হয়নি। তখন ৭৯ হিজরী সালে তিনি তাকে শুলে বিদ্ধ করে হত্যা করেন [ইবনুল জাওযী , আবুল ফারজ আব্দুর রহমান, তালবীসে ইবলীস, (দাম্মাম: দারু ইবনুল জাওযী), ১৪২০হি, পৃ. ৪২৯। ইবন কাসীর, প্রাগুক্ত, খ.৯, পৃ. ২৮।]।