hadith book logo

নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি

লেখকঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২০

২.২.৭ আলী ইবন্ ফাদল আল-হিময়ারী

তার নামঃ আলী ইবন ফাদল ইবন আহমাদ আল-খানফারী আল-হিময়ারী [ইবন খালদুন, আব্দুর রহমান, দিওয়ানুল মুবতাদা ওয়াল খাবার.. (বৈরুত, মুআসসাসাতু জামাল লিততাবা‘আতি ওয়ান নাশরি), খ.৪, পৃ.৩০-৩৪, আল-মাকরীযী, ইত্তে‘আযুল হুনাফা, (বৈরুত: দারুল মা‘রিফাহ), ১৪১৩ হি. খ.১, পৃ. ১২, আল-ইয়াফে‘য়ী, মিরআতুল জিনান, হায়দরাবাদ, ১৩৩৭ হি. খ.১, ৪৪৬, ৪৭০, আল-মাস‘উদী: মারুজুয যাহাব, বৈরুত, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যাহ, ১৩৯১ হি.খ.১, ৮৬, ও খ.২, ১৫৪, যিরিকলী : খাইরুদ্দিন, আল-আ‘লাম, বৈরুত, দারুল ইলম লিলমালাইন, খ.৪, পৃ. ৩১৯, খ.৫, ১৯৪, খ.৭, ১৩৫, খ.৮, ১৪১।]। শিয়া সম্প্রদায়ের লোক ছিল। সে হজ্জ ও কারবালায় হুসাইনের কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর উবাইদুল্লাহ ইবন মাইমূন আল-কাদ্দাহ নামক কারামাতী (কিরমতী) সম্প্রদায়ের নেতার সাথে সাক্ষাত হয়। উবাইদুল্লাহ এ লোককে দেখেই বুঝতে পারল যে তাকে পথভ্রষ্টতায় খাটানো যাবে। সুতরাং সে তাকে ইয়ামেনে প্রতিনিধি নিযুক্ত করল।

ইয়ামেনে ফিরে আলী ইবন্ ফাদল নিজেকে বড় সূফী হিসেবে প্রকাশ করল। লোকেরা তার চারপাশে জড়ো হতে লাগল। এভাবে সে ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয় এবং ইয়ামনের বিরাট অংশ দখল করে নেয়। তারপর ‘সান‘আ’য় প্রবেশ করে সেখানকার এক মসজিদের মিম্বরে উঠে নিজেকে নবী হিসেবে দাবী করে এবং প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। ইয়ামনবাসীগণ তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠে এবং তাকে হত্যার সুযোগ খুঁজতে থাকে। কিন্তু কোনভাবেই তারা এ কাজে সফল হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত একজন বিজ্ঞ ডাক্তার তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করল। আর সেটা ছিল ৩০৩ হিজরী সনের ঘটনা [আল-গামেদী, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৩৮।]।