১
ইসলামি আকিদা ও মানবপ্রকৃতি
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
মানব প্রকৃতির সর্বপ্রথম আকিদা:
আকিদা ও তার সূচনা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় প্রতীয়মান; তাওহীদ তথা একত্ববাদের আকিদাই মানব প্রকৃতির সর্বপ্রথম আকিদা, পরবর্তীতে শির্কের জন্ম হয়। এ জগতে সর্বপ্রথম বসবাসকারী মানব আদম আলাইহিস সালাম। তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রেরিত নবী। [আল্লাহ বলেন, “স্মরণ কর, যখন তোমার প্রভু বলেছিলেন, আমি দুনিয়াতে প্রতিনিধি প্রেরণ করব।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৩০] তিনি-ই আদম আলাইহিস সালাম, প্রথম নবী। মানব হিসেবে দুনিয়াতে সর্বপ্রথম তিনিই বসবাস আরম্ভ করেন।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা সকলে আদম থেকে, আর আদম মাটি থেকে।” [আবু দাউদ, ৫১১৬।]
আল্লাহ তখনই নবী-রাসূলদের প্রেরণ করেছেন, যখন মানব সমাজে বিচ্যুতি ঘটেছে, নৈতিক পতন এসেছে, যখন তারা নিজদের সৃষ্ট বস্তুর ইবাদত ও পূঁজা-অর্চনায় মগ্ন হয়েছে। যেমন, সূর্যের ইবাদত, কারণ সে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে সর্বদা উদিত হয়, এর দ্বারা তারা উপকৃত হয়। এখনো পর্যন্ত জাপানীদের কাছে ‘মিকাদু’ সম্মানের পাত্র। তাদের বিশ্বাস, সে ‘সূর্য নামে’র প্রভুর প্রতিকৃতি। তদ্রূপ আসমান: কারণ সে চন্দ্র, সূর্য ও তারকা অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছে, সেখান থেকে বারিবর্ষণ হয়। অনুরূপ জমিন: কারণ, সে শষ্যাদি উৎপন্ন করে, মানুষ তার বুকেই বাস করে। [ঈমান বিল গায়েব: বাসসাম সালামাহ, মাকতাবাতুল মানার, জর্দান। পৃ. ৪৪, প্রকাশনা: ১৪০৩ হি. ১৯৮৩ খৃ.।]
তদ্রূপ মানুষ এক সময় পিতার উপাসনা করেছে: কারণ, সে দুনিয়ায় আসার মাধ্যম, শক্তির আধার। আরেকটু অগ্রসর হয়ে গোত্রপতির উপাসনা শুরু করেছে। কারণ, সে সমাজপতি, তার ক্ষমতাই বেশি, তার শক্তিই প্রবল। যেমন, আদি মিসরবাসীরা ফির‘আউনের ইবাদত করেছে। [আল্লাহ বলেন, “ফির‘আউন তার সম্প্রদায়ের সকলকে সমবেত করে সজোরে ঘোষণা দিল, আমি-ই তোমাদের প্রধান ও বড় প্রভু।” [সূরা আন-নাজিআত, আয়াত: ২৩-২৪]] বর্তমান যুগেও জাপানের রাজা তার সম্প্রদায়ের বৃহৎ সংখ্যার উপাস্য। [আহমাদ আব্দুল গফুর আল-আত্তার, আদ-দিয়ানাত ওয়াল আকায়েদ ফী মুখতালাফিল ‘উসূর’, পৃ. ৭২-৭৩।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা সকলে আদম থেকে, আর আদম মাটি থেকে।” [আবু দাউদ, ৫১১৬।]
আল্লাহ তখনই নবী-রাসূলদের প্রেরণ করেছেন, যখন মানব সমাজে বিচ্যুতি ঘটেছে, নৈতিক পতন এসেছে, যখন তারা নিজদের সৃষ্ট বস্তুর ইবাদত ও পূঁজা-অর্চনায় মগ্ন হয়েছে। যেমন, সূর্যের ইবাদত, কারণ সে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে সর্বদা উদিত হয়, এর দ্বারা তারা উপকৃত হয়। এখনো পর্যন্ত জাপানীদের কাছে ‘মিকাদু’ সম্মানের পাত্র। তাদের বিশ্বাস, সে ‘সূর্য নামে’র প্রভুর প্রতিকৃতি। তদ্রূপ আসমান: কারণ সে চন্দ্র, সূর্য ও তারকা অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছে, সেখান থেকে বারিবর্ষণ হয়। অনুরূপ জমিন: কারণ, সে শষ্যাদি উৎপন্ন করে, মানুষ তার বুকেই বাস করে। [ঈমান বিল গায়েব: বাসসাম সালামাহ, মাকতাবাতুল মানার, জর্দান। পৃ. ৪৪, প্রকাশনা: ১৪০৩ হি. ১৯৮৩ খৃ.।]
তদ্রূপ মানুষ এক সময় পিতার উপাসনা করেছে: কারণ, সে দুনিয়ায় আসার মাধ্যম, শক্তির আধার। আরেকটু অগ্রসর হয়ে গোত্রপতির উপাসনা শুরু করেছে। কারণ, সে সমাজপতি, তার ক্ষমতাই বেশি, তার শক্তিই প্রবল। যেমন, আদি মিসরবাসীরা ফির‘আউনের ইবাদত করেছে। [আল্লাহ বলেন, “ফির‘আউন তার সম্প্রদায়ের সকলকে সমবেত করে সজোরে ঘোষণা দিল, আমি-ই তোমাদের প্রধান ও বড় প্রভু।” [সূরা আন-নাজিআত, আয়াত: ২৩-২৪]] বর্তমান যুগেও জাপানের রাজা তার সম্প্রদায়ের বৃহৎ সংখ্যার উপাস্য। [আহমাদ আব্দুল গফুর আল-আত্তার, আদ-দিয়ানাত ওয়াল আকায়েদ ফী মুখতালাফিল ‘উসূর’, পৃ. ৭২-৭৩।]