hadith book logo

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য

লেখকঃ ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৮

পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ: জান্নাতে মুমিন ব্যক্তির দৈর্ঘ্য

৮৬. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

« خلق الله عز و جل آدم على صورته , طوله ستون ذراعا , فلما خلقه ؛ قال : اذهب فسلم على أولئك النفر من الملائكة جلوس , فاستمع ما يحيونك ؛ فإنها تحيتك وتحية ذريتك » . فقال : السلام عليكم . فقالوا : السلام عليك ورحمة الله . فزادوه : ورحمة الله . فكل من يدخل الجنة على صورة آدم , فلم يزل الخلق ينقص بعد حتى الآن » . ( رواه البخاري و مسلم ) .

“আল্লাহ তা‘আলা আদম আ. কে তাঁর যথাযথ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। তিনি তাঁকে সৃষ্টি করে বললেন: তুমি যাও, উপবিষ্ট ফিরিশতাদের এই দলকে সালাম কর এবং মনোযোগ সহকারে শোন- তারা তোমার সালামের কী জবাব দেয়? কারণ, এটাই হবে তোমার এবং তোমার বংশধরের সম্ভাষণ (তাহিয়্যা), তাই তিনি গিয়ে বললেন: ‘আসসালামু আলাইকুম’। তারা জবাবে বললেন: ‘আসসালামু আলাইকা ওয়া রাহমাতুল্লাহ’। তাঁরা বাড়িয়ে বললেন: ‘ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ বাক্যটি। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বললেন: প্রত্যেক ব্যক্তি, যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা আদম আ. এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তারপর থেকে এই পর্যন্ত মানুষের আকৃতি ক্রমশঃ হ্রাস পেয়ে আসছে।” [বুখারী, আস-সহীহ, অধ্যায়: অনুমতি প্রার্থনা ( كتاب الاستئذان ), পরিচ্ছেদ: সালামের সূচনা প্রসঙ্গে ( باب بدء السلام ), হাদিস নং- ৫৮৭৩; মুসলিম (১৭ / ১৭৭ - নববী)।]