১
সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য
লেখকঃ ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
প্রথম সংস্করণের ভূমিকা
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি, তাঁর নিকট হিদায়াত চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি; আর আমরা আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। সুতরাং আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথহারা করেন, তাকে পথ প্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ক ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপর:
সবচেয়ে সত্য কথা হল আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম হিদায়েত হল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিদায়েত; আর নিকৃষ্ট কাজ হল দীনের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়; আর প্রত্যেক নতুন উদ্ভাবনই হল বিদ‘আত এবং প্রতিটি বিদ‘আতই গুমরাহী; আর প্রত্যেক গুমরাহীর স্থান হবে জাহান্নামে। নিশ্চয়ই যা কম ও যথেষ্ট, তা ঐ বস্তু থেকে অনেক উত্তম, যা পরিমাণে বেশি ও অনর্থক হয়। আর তোমাদেরকে যেই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, অবশ্যই তা বাস্তবে প্রতিফলিত হবে; আর তোমরা তা প্রতিহত করতে পারবে না।
অতঃপর: জান্নাত ও জাহান্নাম প্রসঙ্গে বহু গ্রন্থ রয়েছে, কিন্তু সেই গ্রন্থগুলো সহীহ ও দুর্বল হাদিসকে এক সাথে সংগ্রহ করেছে এবং ঐসব গ্রন্থের লেখকগণ এই ক্ষেত্রে চরম শৈথিল্য প্রদর্শন করেছেন; আর এই ক্ষেত্রে তারা যুক্তি পেশ করেছেন যে, এগুলো হল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের পর্যায়ভুক্ত; অথচ এর মধ্যে দু’টি দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটি রয়েছে:
প্রথমত: জান্নাত ও তার মধ্যকার নিয়ামত অথবা জাহান্নাম ও তার মধ্যকার শাস্তির বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করার বিষয়টি গায়েব বা অদৃশ্য জগতের বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত, আর গায়েবী বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা খাঁটি ইসলামী আকিদার অন্তর্ভুক্ত বিষয়; সুতরাং এই ব্যাপারে কিভাবে শৈথিল্য প্রদর্শন বা অবহেলা করা যাবে?!
দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি হাদিসের কিতাবসমূহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সুন্নাহ’র পাশে থেকে পড়াশুনা ও গবেষণায় ব্যস্ত থাকবে, সে বিশুদ্ধ হাদিসসমূহের মধ্যেই এমন সব কাঙ্খিত বিষয় ও বস্তু পেয়ে যাবে, যা সর্বপ্রকার দুর্বল ও জাল (মাউযু) হাদিস থেকে তাকে প্রয়োজনমুক্ত করবে।
এ জন্য আমি জান্নাতের বর্ণনা প্রসঙ্গে এই পাণ্ডুলিপি সংকলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং তা সংকলনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহীহ হাদিসগুলোর উপর নির্ভর করেছি, যাতে প্রত্যেক খতিব (বক্তা) ও ওয়ায়েয (উপদেশ দাতা) যখন এই বিষয়ের উপর কথা বলবেন বা আলোচনা পেশ করবেন, তখন তার হাতে এর একটি কপি থাকে এবং তার যাতে দুর্বল বা বানোয়াট (মাউযু) হাদিসের আশ্রয় নিতে না হয়।
অতঃপর:
সবচেয়ে সত্য কথা হল আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম হিদায়েত হল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিদায়েত; আর নিকৃষ্ট কাজ হল দীনের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়; আর প্রত্যেক নতুন উদ্ভাবনই হল বিদ‘আত এবং প্রতিটি বিদ‘আতই গুমরাহী; আর প্রত্যেক গুমরাহীর স্থান হবে জাহান্নামে। নিশ্চয়ই যা কম ও যথেষ্ট, তা ঐ বস্তু থেকে অনেক উত্তম, যা পরিমাণে বেশি ও অনর্থক হয়। আর তোমাদেরকে যেই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, অবশ্যই তা বাস্তবে প্রতিফলিত হবে; আর তোমরা তা প্রতিহত করতে পারবে না।
অতঃপর: জান্নাত ও জাহান্নাম প্রসঙ্গে বহু গ্রন্থ রয়েছে, কিন্তু সেই গ্রন্থগুলো সহীহ ও দুর্বল হাদিসকে এক সাথে সংগ্রহ করেছে এবং ঐসব গ্রন্থের লেখকগণ এই ক্ষেত্রে চরম শৈথিল্য প্রদর্শন করেছেন; আর এই ক্ষেত্রে তারা যুক্তি পেশ করেছেন যে, এগুলো হল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের পর্যায়ভুক্ত; অথচ এর মধ্যে দু’টি দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটি রয়েছে:
প্রথমত: জান্নাত ও তার মধ্যকার নিয়ামত অথবা জাহান্নাম ও তার মধ্যকার শাস্তির বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করার বিষয়টি গায়েব বা অদৃশ্য জগতের বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত, আর গায়েবী বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা খাঁটি ইসলামী আকিদার অন্তর্ভুক্ত বিষয়; সুতরাং এই ব্যাপারে কিভাবে শৈথিল্য প্রদর্শন বা অবহেলা করা যাবে?!
দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি হাদিসের কিতাবসমূহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সুন্নাহ’র পাশে থেকে পড়াশুনা ও গবেষণায় ব্যস্ত থাকবে, সে বিশুদ্ধ হাদিসসমূহের মধ্যেই এমন সব কাঙ্খিত বিষয় ও বস্তু পেয়ে যাবে, যা সর্বপ্রকার দুর্বল ও জাল (মাউযু) হাদিস থেকে তাকে প্রয়োজনমুক্ত করবে।
এ জন্য আমি জান্নাতের বর্ণনা প্রসঙ্গে এই পাণ্ডুলিপি সংকলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং তা সংকলনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহীহ হাদিসগুলোর উপর নির্ভর করেছি, যাতে প্রত্যেক খতিব (বক্তা) ও ওয়ায়েয (উপদেশ দাতা) যখন এই বিষয়ের উপর কথা বলবেন বা আলোচনা পেশ করবেন, তখন তার হাতে এর একটি কপি থাকে এবং তার যাতে দুর্বল বা বানোয়াট (মাউযু) হাদিসের আশ্রয় নিতে না হয়।