১
সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি
লেখকঃ আবু খলিফা আলি ইব্ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
সাহেবুজ জমান কেন অদৃশ্য হলেন?
সাহেবুজ জমান কেন অদৃশ্য হলেন, তার অস্তিত্বে বিশ্বাসীরা এর উত্তরে বলেন: তার দৃশ্যে আসার কয়েকটি বাধা রয়েছে, যখন এসব বাধা দূর হলে তিনি প্রকাশ্যে আসবেন।
অতঃপর তারা মাহদির দৃশ্যে আসার বাধা হিসেবে বলেন: তার নিজের হত্যার ভয় ব্যতীত দৃশ্যে আসার কোন ভয় গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ ছাড়া অন্য কোন কারণে তার অদৃশ্য হওয়া বৈধ নয়। তিনি কষ্ট ও মুসিবত সহ্য করতেন। নবী ও ইমামদের সম্মান বৃদ্ধি পায় আল্লাহর রাস্তায় তাদের কষ্ট অনুপাতে।
তার পূর্বপুরুষের জীবনী সবার নিকট জানা, তারা মানুষের সাথে ওঠা-বসা করতেন, তাদের কাউকে তারা ভয় করতেন না।
সাহেবুজ জামানে বিশ্বাসীরা কতগুলো বর্ণনা উল্লেখ করেন, যেখানে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যার আশঙ্কা করে দাওয়াতের শুরুতে মক্কায় আত্মগোপন করে ছিলেন। এভাবে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গোপন থাকার ওপর কিয়াস করে সাহেবুজ জমানের গোপন থাকার যুক্তি পেশ করে। একটি বর্ণনা দেখুন, মাজলিসি বিহারুল আনওয়ার গ্রন্থে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ ‘আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় পাঁচ বছর ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন, দৃশ্যে আসতেন না। তার সাথে আলি ‘আলাইহিস সালাম ও খাদিজা থাকতেন। অতঃপর আল্লাহ তাকে নির্দেশ দেন: যা নির্দেশ করা হয় তা প্রকাশ্যে বলে দাও, ফলে দৃশ্যে আসেন ও তার বিষয়টি প্রকাশ করে দেন”। [বিহারুল আনওয়ার: (১৮/১৭৬)]
আল-মাজলিসি বর্ণনা করেন: আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “ওহী প্রাপ্তির পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেরো বছর মক্কায় গুজরান করেন, এতে তিন বছর আত্মগোপন করে ছিলেন প্রকাশ্যে আসতেন না, অবশেষে আল্লাহ তাকে বলেন, যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা প্রকাশ্যে বলে দাও। অতঃপর তিনি দাওয়াত প্রকাশ করেন”।
এ জাতীয় অনেক বর্ণনা রয়েছে, যার ভাষা প্রায় এক, সংক্ষেপের জন্য পরিত্যাগ করলাম।
অতঃপর তারা মাহদির দৃশ্যে আসার বাধা হিসেবে বলেন: তার নিজের হত্যার ভয় ব্যতীত দৃশ্যে আসার কোন ভয় গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ ছাড়া অন্য কোন কারণে তার অদৃশ্য হওয়া বৈধ নয়। তিনি কষ্ট ও মুসিবত সহ্য করতেন। নবী ও ইমামদের সম্মান বৃদ্ধি পায় আল্লাহর রাস্তায় তাদের কষ্ট অনুপাতে।
তার পূর্বপুরুষের জীবনী সবার নিকট জানা, তারা মানুষের সাথে ওঠা-বসা করতেন, তাদের কাউকে তারা ভয় করতেন না।
সাহেবুজ জামানে বিশ্বাসীরা কতগুলো বর্ণনা উল্লেখ করেন, যেখানে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যার আশঙ্কা করে দাওয়াতের শুরুতে মক্কায় আত্মগোপন করে ছিলেন। এভাবে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গোপন থাকার ওপর কিয়াস করে সাহেবুজ জমানের গোপন থাকার যুক্তি পেশ করে। একটি বর্ণনা দেখুন, মাজলিসি বিহারুল আনওয়ার গ্রন্থে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ ‘আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় পাঁচ বছর ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন, দৃশ্যে আসতেন না। তার সাথে আলি ‘আলাইহিস সালাম ও খাদিজা থাকতেন। অতঃপর আল্লাহ তাকে নির্দেশ দেন: যা নির্দেশ করা হয় তা প্রকাশ্যে বলে দাও, ফলে দৃশ্যে আসেন ও তার বিষয়টি প্রকাশ করে দেন”। [বিহারুল আনওয়ার: (১৮/১৭৬)]
আল-মাজলিসি বর্ণনা করেন: আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “ওহী প্রাপ্তির পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেরো বছর মক্কায় গুজরান করেন, এতে তিন বছর আত্মগোপন করে ছিলেন প্রকাশ্যে আসতেন না, অবশেষে আল্লাহ তাকে বলেন, যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা প্রকাশ্যে বলে দাও। অতঃপর তিনি দাওয়াত প্রকাশ করেন”।
এ জাতীয় অনেক বর্ণনা রয়েছে, যার ভাষা প্রায় এক, সংক্ষেপের জন্য পরিত্যাগ করলাম।