১
সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি
লেখকঃ আবু খলিফা আলি ইব্ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
যে তওবা করে, ইমান আনে, নেক আমল করে ও হিদায়েতের ওপর চলে আমি তাকে নিশ্চয় ক্ষমাকারী
এসব কারণ ও অন্যান্য বাস্তবতার জন্য আমার ওপর জরুরী ছিল সত্যের অনুসরণ করা, যা উল্লেখ করার সুযোগ এখানে নেই। অতঃপর কয়েক বছর আমার নিজের সাথে দ্বন্দ্বে থাকার পর এ সিদ্ধান্তে পৌঁছি।
আমি নিজেকে বোঝাতে পারছিলাম না কিভাবে বলি: আমি শিয়া বার ইমামিয়্যাহ, কিন্তু তখনো কি আমার বিশ্বাস শিয়া বার ইমামিয়াদের মত ছিল না, অবশ্যই ছিল..!
তাই আমার জন্য একটি বেছে নেয়া জরুরী হল... কারণ ইসলাম আকিদার ক্ষেত্রে ছাই রং বিশ্বাস করে না। আমি হয় সত্য অনুসরণ করব, অন্যথায় ভ্রান্তদের দলে থাকব।
আমি চূড়ান্তভাবে চিন্তা করলাম... আমি যদি আমার বেড়ে ওঠা আকিদা ত্যাগ করে অন্য আকিদা গ্রহণ করি, যার স্বপক্ষে রয়েছে দলিল, প্রমাণ এবং যা স্বভাব ও আখলাকের দাবি, তাহলে কি হারাব?
আমি গ্রহণ করলাম, কিছুই হারাইনি, বরং লাভ করেছি!
হ্যাঁ... আমি সাহাবীদের লাভ করেছি, কিন্তু আহলে বাইতকে হারাইনি। কারণ আমি জেনেছি সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইত এক শরীরে এক রূহের মত।
আমি একাই এ পথ গ্রহণ করিনি, বরং আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টির আশায় অনেকে এ পথ গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর নিম্নের বাণীকে নিজেদের মশাল হিসেবে গ্রহণ করেছেন:
﴿ وَإِنِّي لَغَفَّارٞ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا ثُمَّ ٱهۡتَدَىٰ ٨٢ ﴾ [ طه : ٨٢ ]
“আর অবশ্যই আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎ পথে বলতে থাকে”। [সূরা তাহা: (৮২)]
আমি নিজেকে বোঝাতে পারছিলাম না কিভাবে বলি: আমি শিয়া বার ইমামিয়্যাহ, কিন্তু তখনো কি আমার বিশ্বাস শিয়া বার ইমামিয়াদের মত ছিল না, অবশ্যই ছিল..!
তাই আমার জন্য একটি বেছে নেয়া জরুরী হল... কারণ ইসলাম আকিদার ক্ষেত্রে ছাই রং বিশ্বাস করে না। আমি হয় সত্য অনুসরণ করব, অন্যথায় ভ্রান্তদের দলে থাকব।
আমি চূড়ান্তভাবে চিন্তা করলাম... আমি যদি আমার বেড়ে ওঠা আকিদা ত্যাগ করে অন্য আকিদা গ্রহণ করি, যার স্বপক্ষে রয়েছে দলিল, প্রমাণ এবং যা স্বভাব ও আখলাকের দাবি, তাহলে কি হারাব?
আমি গ্রহণ করলাম, কিছুই হারাইনি, বরং লাভ করেছি!
হ্যাঁ... আমি সাহাবীদের লাভ করেছি, কিন্তু আহলে বাইতকে হারাইনি। কারণ আমি জেনেছি সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইত এক শরীরে এক রূহের মত।
আমি একাই এ পথ গ্রহণ করিনি, বরং আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টির আশায় অনেকে এ পথ গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর নিম্নের বাণীকে নিজেদের মশাল হিসেবে গ্রহণ করেছেন:
﴿ وَإِنِّي لَغَفَّارٞ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا ثُمَّ ٱهۡتَدَىٰ ٨٢ ﴾ [ طه : ٨٢ ]
“আর অবশ্যই আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎ পথে বলতে থাকে”। [সূরা তাহা: (৮২)]