১
সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি
লেখকঃ আবু খলিফা আলি ইব্ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
শিয়াদের যে কাজগুলো আমাকে বেশী ভাবিয়েছে...
শুরুতেই আমি দাবি করছি না যে, মনুষ্য চরিত্রের উৎকর্ষে আমি উন্নীত হয়েছি। তবে মানুষ তার নিজস্ব আদর্শের প্রতি যে পরিমাণ অনুগত থাকে অথবা যতটুকু ধার্মিক হয় বা যে পরিমাণ ইসলামী আদর্শ গ্রহণ করে, তাতে রেড সিগনালও থাকে, যা সে অতিক্রম করতে পারে না, ব্যত্যয় ঘটলে স্বাভাবিক স্বভাব ও প্রশংসার স্থান থেকে ছিটকে পড়ে।
শিয়া মাজহাবের সাথে আমার প্রথম বিরোধ দেখা দেয় চারিত্রিক বিষয়ে। শুরুতে আমি নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম যে, ব্যক্তিগত বিষয়াদির সাথে মাজহাবের দূরতম বা নিকটতম সম্পর্ক নেই। অতঃপর এক দিন যখন আসল বাস্তবতা প্রকাশ পেল তখন সত্যকে আড়াল করে রাখা পর্দা আমার সামনে থেকে সরে গেল।
আমাকে শিয়াদের তিনটি বিষয় অধিক আন্দোলিত করত:
সাহাবীদের গালি দেয়া ও তাদের ওপর লানত করা।
মুত‘আ বিয়ে।
চিরঞ্জীব আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত মখলুকের নিকট দোয়া করা ও তাদের ওপর ভরসা করা।
এ তিনটি বিষয় ছিল হিদায়েতের দিকে প্রত্যাবর্তন করার আমার প্রথম মশাল। এ থেকে আমার চিরচেনা ও অন্তরে ধারণা করা ইমামিয়্যাহ আকিদা থেকে ধীরে ধীরে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদায় ধাবিত হই। অথচ এক সময় তাদের সাথে শত্রুতা, তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা ও তাদের দিকে তুচ্ছতার দৃষ্টি দেয়াই ছিল আমার নিকট ইবাদত।
শিয়া মাজহাবের সাথে আমার প্রথম বিরোধ দেখা দেয় চারিত্রিক বিষয়ে। শুরুতে আমি নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম যে, ব্যক্তিগত বিষয়াদির সাথে মাজহাবের দূরতম বা নিকটতম সম্পর্ক নেই। অতঃপর এক দিন যখন আসল বাস্তবতা প্রকাশ পেল তখন সত্যকে আড়াল করে রাখা পর্দা আমার সামনে থেকে সরে গেল।
আমাকে শিয়াদের তিনটি বিষয় অধিক আন্দোলিত করত:
সাহাবীদের গালি দেয়া ও তাদের ওপর লানত করা।
মুত‘আ বিয়ে।
চিরঞ্জীব আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত মখলুকের নিকট দোয়া করা ও তাদের ওপর ভরসা করা।
এ তিনটি বিষয় ছিল হিদায়েতের দিকে প্রত্যাবর্তন করার আমার প্রথম মশাল। এ থেকে আমার চিরচেনা ও অন্তরে ধারণা করা ইমামিয়্যাহ আকিদা থেকে ধীরে ধীরে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদায় ধাবিত হই। অথচ এক সময় তাদের সাথে শত্রুতা, তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা ও তাদের দিকে তুচ্ছতার দৃষ্টি দেয়াই ছিল আমার নিকট ইবাদত।