১
সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি
লেখকঃ আবু খলিফা আলি ইব্ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
তাদের এ তুলনা ঠিক নয়, কয়েকটি কারণে:
এক. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনে দাওয়াত দিয়েছেন ঠিক, কিন্তু কখনো মানুষের নজর থেকে অদৃশ্য হননি।
দুই. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথীদের দ্বারা বেষ্টিত ছিলেন, যেমন স্ত্রী খাদিজা, আলি ও অন্যান্য সাথীবৃন্দ, কিন্তু তাদের মাহদি এরূপ নয়।
তিন. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপন থেকে দৃশ্যে এসেছেন, এ সময় তিনি দাওয়াতের প্রস্তুতি নিয়েছেন, দাওয়াতি ময়দানে সাহায্যের জন্য সাথী তৈরি করেছেন।
কিন্তু মাহদি গোপনে আছেন তার কোন সাথী বা অনুসারী নেই। শিয়া ইমামিয়ারা যদিও তার অনুসারী, বাহ্যত তারাই তার অনুসারী, যাদের সংখ্যা এখন লাখে লাখে, এ সংখ্যা কি তার দৃশ্যে আসা ও নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট নয়?!!
উল্লেখ্য একদা আমি মাহদির অস্তিত্ব, তার বাস্তবতা ও তার অদৃশ্য হওয়ার ঘটনার ওপর এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই।
দু’গ্রুপের মধ্যে আলোচনা ছিল: এক গ্রুপ তার অস্তিত্বে বিশ্বাসী, অপর গ্রুপ তার অস্তিত্ব অস্বীকারকারী। উভয় গ্রুপ শিয়া।
মাহদির অস্তিত্ব অস্বীকারকারী গ্রুপ এক যুক্তিতে বলল: তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম মাহদি সম্পর্কে সকল বর্ণনা ও তার অদৃশ্যে যাওয়ার ঘটনা সত্য। তবে এ কথাও সত্য যে, ঐ সময় তার অদৃশ্যে যাওয়ার কারণ আব্বাসীদের হাতে তার মৃত্যুর আশঙ্কা। কিন্তু মাহদি এখন কেন দৃশ্যে আসছেন না টেলিভিশন, বেতার ও ইন্টারনেটের পর্দায়, অন্তত পক্ষে অডিও, সিডি ও ভিসিডির মাধ্যমে। যেমন অধিকাংশ বিদ্রোহী ও পলাতক রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পর্কে ঘটে, শাসকগণ যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। যারা তার সাথে বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাতের দাবি করে তাদের হাতে কেন এসব তিনি দেননা, যেন বিশ্ববাসী জেনে যায়। অন্তত যারা তাকে অস্বীকার করে তাদেরকে জানানোর জন্য হলেও এটা করা জরুরী। তাহলে মানুষ জেনে নিত, তিনি শুধু স্বপ্নের জগত বা ধারণার বস্তু নন, তার বিশ্বাস কুসংস্কার ও মিথ্যা নয়, বরং সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ।
দুই. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথীদের দ্বারা বেষ্টিত ছিলেন, যেমন স্ত্রী খাদিজা, আলি ও অন্যান্য সাথীবৃন্দ, কিন্তু তাদের মাহদি এরূপ নয়।
তিন. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপন থেকে দৃশ্যে এসেছেন, এ সময় তিনি দাওয়াতের প্রস্তুতি নিয়েছেন, দাওয়াতি ময়দানে সাহায্যের জন্য সাথী তৈরি করেছেন।
কিন্তু মাহদি গোপনে আছেন তার কোন সাথী বা অনুসারী নেই। শিয়া ইমামিয়ারা যদিও তার অনুসারী, বাহ্যত তারাই তার অনুসারী, যাদের সংখ্যা এখন লাখে লাখে, এ সংখ্যা কি তার দৃশ্যে আসা ও নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট নয়?!!
উল্লেখ্য একদা আমি মাহদির অস্তিত্ব, তার বাস্তবতা ও তার অদৃশ্য হওয়ার ঘটনার ওপর এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই।
দু’গ্রুপের মধ্যে আলোচনা ছিল: এক গ্রুপ তার অস্তিত্বে বিশ্বাসী, অপর গ্রুপ তার অস্তিত্ব অস্বীকারকারী। উভয় গ্রুপ শিয়া।
মাহদির অস্তিত্ব অস্বীকারকারী গ্রুপ এক যুক্তিতে বলল: তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম মাহদি সম্পর্কে সকল বর্ণনা ও তার অদৃশ্যে যাওয়ার ঘটনা সত্য। তবে এ কথাও সত্য যে, ঐ সময় তার অদৃশ্যে যাওয়ার কারণ আব্বাসীদের হাতে তার মৃত্যুর আশঙ্কা। কিন্তু মাহদি এখন কেন দৃশ্যে আসছেন না টেলিভিশন, বেতার ও ইন্টারনেটের পর্দায়, অন্তত পক্ষে অডিও, সিডি ও ভিসিডির মাধ্যমে। যেমন অধিকাংশ বিদ্রোহী ও পলাতক রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পর্কে ঘটে, শাসকগণ যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। যারা তার সাথে বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাতের দাবি করে তাদের হাতে কেন এসব তিনি দেননা, যেন বিশ্ববাসী জেনে যায়। অন্তত যারা তাকে অস্বীকার করে তাদেরকে জানানোর জন্য হলেও এটা করা জরুরী। তাহলে মানুষ জেনে নিত, তিনি শুধু স্বপ্নের জগত বা ধারণার বস্তু নন, তার বিশ্বাস কুসংস্কার ও মিথ্যা নয়, বরং সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ।