hadith book logo

সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১১

হাদীস: ১. তোমাদের কেউ যখন কোনো খারাপ কাজ হতে দেখবে তখন সে যেন তা হাত দ্বারা পরিবর্তন করে দেয় (অর্থাৎ নিষেধ করবে) যদি সে এ সামর্থ না রাখে তাহলে তার মুখ দিয়ে। যদি এ সামর্থও না থাকে তাহলে অন্তর দিয়ে। আর এটা হচ্ছে ঈমানের দুর্বলতর স্তর

আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

1 - «مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ» .

“তোমাদের কেউ যখন কোনো খারাপ কাজ হতে দেখবে তখন সে যেন তা হাত দ্বারা পরিবর্তন করে দেয় (অর্থাৎ নিষেধ করবে) যদি সে এ সামর্থ না রাখে তাহলে তার মুখ দিয়ে। যদি এ সামর্থও না থাকে তাহলে অন্তর দিয়ে। আর এটা হচ্ছে ঈমানের দুর্বলতর স্তর”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৯।]

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. অন্যায় ও খারাপ কাজ দেখলে তা প্রতিরোধ-প্রতিহত করা ঈমানের দাবী।

দুই. সামর্থ অনুযায়ী প্রত্যেকে অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে নিষেধ করবে। সামর্থের বাইরে কোনো কিছু করে নিজের ওপর বিপদ ডেকে আনা ঠিক নয়।

তিন. যদি অন্যায় অনাচার দেখে কারো হৃদয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না হয়, বুঝতে হবে তার ঈমানের পূর্ণতায় ঘাটতি রয়েছে।

চার. এ হাদীসে পরিবর্তন করা বা বদলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বদলে দেওয়ার তিনটি ধাপ রয়েছে। প্রথম পর্যায় হলো: দাওয়াত। দ্বিতীয় পর্যায় হলো: সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ। তৃতীয় পর্যায় হলো, শক্তি প্রয়োগ করে অন্যায় ও অসৎ কাজ পরিবর্তন করে দেওয়া।