১
সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
হাদীস: ৯. আয়েজ ইবন আমর একদিন উবাইদুল্লাহ ইবন যিয়াদের কাছে গেলেন। তিনি তাকে বললেন, হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “খারাপ প্রশাসক খর-কুটা মাত্র। তুমি সাবধান থেকো, যেন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাও”। ইবন যিয়াদ তাকে বলল, বসুন! আপনি তো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে একজন অপদার্থ। তিনি উত্তরে বললেন: তাদের জন্য কি অপদার্থ কথাটা প্রযোজ্য? অপদার্থ হলো, তাদের পরে যারা এসেছে ও যারা সাহাবী নয় তাদের মধ্য থেকে
আয়েজ ইবন আমর একদিন উবাইদুল্লাহ ইবন যিয়াদের কাছে গেলেন। তিনি তাকে বললেন, হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “খারাপ প্রশাসক খর-কুটা মাত্র। তুমি সাবধান থেকো, যেন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাও”। ইবন যিয়াদ তাকে বলল, বসুন! আপনি তো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে একজন অপদার্থ। তিনি উত্তরে বললেন: তাদের জন্য কি অপদার্থ কথাটা প্রযোজ্য? অপদার্থ হলো, তাদের পরে যারা এসেছে ও যারা সাহাবী নয় তাদের মধ্য থেকেআবু সাঈদ হাসান আল-বসরী রহ. থেকে বর্ণিত,
9 -«أَنَّ عَائِذَ بن عمْروٍ رضي اللَّه عنه دخَلَ عَلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بن زيَادٍ فَقَالَ : أَيْ بن زيَادٍ فَقَالَ : أَيْ بنيَّ ، إِنِّي سمِعتُ رسولَ اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَقولُ : «إِنَّ شَرَّ الرِّعَاءِ الْحُطَمَةُ، فَإِيَّاكَ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ»، فَقَالَ لَهُ : اجْلِسْ فَإِنَّمَا أَنْتَ مِنْ نُخَالَةِ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ : «وَهَلْ كَانَتْ لَهُمْ نُخَالَةٌ؟ إِنَّمَا كَانَتِ النُّخَالَةُ بَعْدَهُمْ، وَفِي غَيْرِهِمْ»
“আয়েজ ইবন আমর একদিন উবাইদুল্লাহ ইবন যিয়াদের কাছে গেলেন। তিনি তাকে বললেন, হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “খারাপ প্রশাসক খর-কুটা মাত্র। তুমি সাবধান থেকো, যেন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাও”। ইবন যিয়াদ তাকে বলল, বসুন! আপনি তো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে একজন অপদার্থ। তিনি উত্তরে বললেন: তাদের জন্য কি অপদার্থ কথাটা প্রযোজ্য? অপদার্থ হলো, তাদের পরে যারা এসেছে ও যারা সাহাবী নয় তাদের মধ্য থেকে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩০।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. মন্দ ও খারাপ শাসক-কে খরকুটুর সাথে তুলনা করা হয়েছে। কারণ, এদের দ্বারা মানুষের কোনো উপকার হয় না।
দুই. খারাপ প্রশাসকদের সমর্থন করা, তাদের সঙ্গ দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
তিন. ইবন যিয়াদ একজন যালিম শাসক ছিল, তাই সে একজন সাহাবীকে অপদার্থ বলে গালি দিয়েছিল।
চার. সাহাবীকে অপদার্থ বলা, গালি দেওয়া, সমালোচনা করা মারাত্মক অন্যায়। তাই আয়েজ ইবন আমর এর প্রতিবাদ করে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের জন্য অপদার্থ কথাটা মানায় না। তাদের মধ্যে কেউ অপদার্থ ছিলেন না। যারা আল্লাহর পর সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষটির সঙ্গ লাভে ধন্য হয়েছেন, দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন, তাঁরা কীভাবে অপদার্থ হতে পারেন?
পাঁচ. অপদার্থ হলো যারা সাহাবীদের পরে এসেছে। এ কথা বলে আয়েজ ইবন আমর গালিটি ইবন যিয়াদের দিকে ফেরত পাঠালেন।
ছয়. আয়েজ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ইবন যিয়াদের মতো যালিম শাসককে সৎ কাজের আদেশ দিতে ভয় করেন নি এবং মন্দ কাজের প্রতিবাদ করতেও কুণ্ঠিত হন নি। এমনিভাবে অন্যায় থেকে নিষেধ করতে তারা কারোই পরোয়া করেন নি।
সাত. তুমি খারাপ শাসকদের থেকে সাবধান থেকো। এ কথা বলে সৎ কাজের আদেশ করেছেন। আর সাহাবীদের জন্য অপদার্থ কথাটা কি প্রযোজ্য’ এ কথা বলে অন্যায় থেকে বারণ করেছেন।
আট. কেউ গালি দিলে, রাগ না করে তাকে কীভাবে সুন্দর উত্তর দিতে হয় তার একটি নমুনা দেখালেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই সাহাবী।
9 -«أَنَّ عَائِذَ بن عمْروٍ رضي اللَّه عنه دخَلَ عَلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بن زيَادٍ فَقَالَ : أَيْ بن زيَادٍ فَقَالَ : أَيْ بنيَّ ، إِنِّي سمِعتُ رسولَ اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَقولُ : «إِنَّ شَرَّ الرِّعَاءِ الْحُطَمَةُ، فَإِيَّاكَ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ»، فَقَالَ لَهُ : اجْلِسْ فَإِنَّمَا أَنْتَ مِنْ نُخَالَةِ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ : «وَهَلْ كَانَتْ لَهُمْ نُخَالَةٌ؟ إِنَّمَا كَانَتِ النُّخَالَةُ بَعْدَهُمْ، وَفِي غَيْرِهِمْ»
“আয়েজ ইবন আমর একদিন উবাইদুল্লাহ ইবন যিয়াদের কাছে গেলেন। তিনি তাকে বললেন, হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “খারাপ প্রশাসক খর-কুটা মাত্র। তুমি সাবধান থেকো, যেন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাও”। ইবন যিয়াদ তাকে বলল, বসুন! আপনি তো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে একজন অপদার্থ। তিনি উত্তরে বললেন: তাদের জন্য কি অপদার্থ কথাটা প্রযোজ্য? অপদার্থ হলো, তাদের পরে যারা এসেছে ও যারা সাহাবী নয় তাদের মধ্য থেকে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩০।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. মন্দ ও খারাপ শাসক-কে খরকুটুর সাথে তুলনা করা হয়েছে। কারণ, এদের দ্বারা মানুষের কোনো উপকার হয় না।
দুই. খারাপ প্রশাসকদের সমর্থন করা, তাদের সঙ্গ দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
তিন. ইবন যিয়াদ একজন যালিম শাসক ছিল, তাই সে একজন সাহাবীকে অপদার্থ বলে গালি দিয়েছিল।
চার. সাহাবীকে অপদার্থ বলা, গালি দেওয়া, সমালোচনা করা মারাত্মক অন্যায়। তাই আয়েজ ইবন আমর এর প্রতিবাদ করে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের জন্য অপদার্থ কথাটা মানায় না। তাদের মধ্যে কেউ অপদার্থ ছিলেন না। যারা আল্লাহর পর সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষটির সঙ্গ লাভে ধন্য হয়েছেন, দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন, তাঁরা কীভাবে অপদার্থ হতে পারেন?
পাঁচ. অপদার্থ হলো যারা সাহাবীদের পরে এসেছে। এ কথা বলে আয়েজ ইবন আমর গালিটি ইবন যিয়াদের দিকে ফেরত পাঠালেন।
ছয়. আয়েজ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ইবন যিয়াদের মতো যালিম শাসককে সৎ কাজের আদেশ দিতে ভয় করেন নি এবং মন্দ কাজের প্রতিবাদ করতেও কুণ্ঠিত হন নি। এমনিভাবে অন্যায় থেকে নিষেধ করতে তারা কারোই পরোয়া করেন নি।
সাত. তুমি খারাপ শাসকদের থেকে সাবধান থেকো। এ কথা বলে সৎ কাজের আদেশ করেছেন। আর সাহাবীদের জন্য অপদার্থ কথাটা কি প্রযোজ্য’ এ কথা বলে অন্যায় থেকে বারণ করেছেন।
আট. কেউ গালি দিলে, রাগ না করে তাকে কীভাবে সুন্দর উত্তর দিতে হয় তার একটি নমুনা দেখালেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই সাহাবী।