১
সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
হাদীস: ১২. এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এমন সময় প্রশ্ন করল যখন তিনি বাহনের পা-দানিতে পা রাখছিলেন, ‘সর্বোত্তম জিহাদ কোনটি?’ তিনি বললেন: যালিম শাসকের সামনে হক কথা বলা
আব্দুল্লাহ ইবন তারেক ইবন শিহাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
12 - «أَنَّ رجلاً سأَلَ النَّبِيَّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، وقَدْ وَضعَ رِجْلَهُ في الغَرْزِ : أَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ : «كَلِمَةُ حَقٍّ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ»
“এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এমন সময় প্রশ্ন করল যখন তিনি বাহনের পা-দানিতে পা রাখছিলেন, ‘সর্বোত্তম জিহাদ কোনটি?’ তিনি বললেন: যালিম শাসকের সামনে হক কথা বলা। [নাসায়ী, হাদীস নং ৪২০৯, আলবানী রহ. বলেছেন, হাদীসটি সহীহ।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. সাহাবায়ে কেরাম সব সময় দীনি জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ খুঁজতেন। এমনকি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যানবাহনে আরোহণ করেছেন তখনও তারা শেখার জন্য প্রশ্ন করেছেন।
দুই. অত্যাচারী বাদশাহর সামনে ন্যায় ও হক কথা বলা একটি উত্তম জিহাদ। কারণ তাদের কাছে সত্য ও ন্যায় কথা বললে জীবনের ঝুকি নিতে হয়। তাই ঝুকি নিয়ে যিনি কথা বলবেন তিনি জিহাদ করার সওয়াব পাবেন। কেননা জিহাদকারী জীবনের ঝুকি নিয়েই জিহাদ করে থাকেন।
তিন. ইসলামের সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। এ হাদীসটি জিহাদের মর্যাদার প্রতি দিক-নির্দেশ করে।
চার. সৎকাজের আদেশ ও অন্যায় কাজের নিষেধ করতে যেয়ে কেউ যদি জীবনের ঝুকি নেয়, সাহসিকতার পরিচয় দেয় তাহলে সে জিহাদ করার মর্যাদা লাভ করবে।
12 - «أَنَّ رجلاً سأَلَ النَّبِيَّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، وقَدْ وَضعَ رِجْلَهُ في الغَرْزِ : أَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ : «كَلِمَةُ حَقٍّ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ»
“এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এমন সময় প্রশ্ন করল যখন তিনি বাহনের পা-দানিতে পা রাখছিলেন, ‘সর্বোত্তম জিহাদ কোনটি?’ তিনি বললেন: যালিম শাসকের সামনে হক কথা বলা। [নাসায়ী, হাদীস নং ৪২০৯, আলবানী রহ. বলেছেন, হাদীসটি সহীহ।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল :
এক. সাহাবায়ে কেরাম সব সময় দীনি জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ খুঁজতেন। এমনকি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যানবাহনে আরোহণ করেছেন তখনও তারা শেখার জন্য প্রশ্ন করেছেন।
দুই. অত্যাচারী বাদশাহর সামনে ন্যায় ও হক কথা বলা একটি উত্তম জিহাদ। কারণ তাদের কাছে সত্য ও ন্যায় কথা বললে জীবনের ঝুকি নিতে হয়। তাই ঝুকি নিয়ে যিনি কথা বলবেন তিনি জিহাদ করার সওয়াব পাবেন। কেননা জিহাদকারী জীবনের ঝুকি নিয়েই জিহাদ করে থাকেন।
তিন. ইসলামের সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। এ হাদীসটি জিহাদের মর্যাদার প্রতি দিক-নির্দেশ করে।
চার. সৎকাজের আদেশ ও অন্যায় কাজের নিষেধ করতে যেয়ে কেউ যদি জীবনের ঝুকি নেয়, সাহসিকতার পরিচয় দেয় তাহলে সে জিহাদ করার মর্যাদা লাভ করবে।