১
সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
হাদীস: ১৪. হে মানব সকল! তোমরা তো এ আয়াত পাঠ করে থাক: হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখ। অপর কারোর পথভ্রষ্ট হওয়ায় তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না, যদি তোমরা নিজেরা সঠিক পথে থাক। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ১০৫] আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, মানুষেরা যখন দেখে অত্যাচারীরা অত্যাচার করছে, কিন্তু তারা এর প্রতিরোধ করল না, এরূপ লোকদের ওপর আল্লাহ অচিরেই মহামারী আকারে শাস্তি পাঠাবেন
আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
15 - «يا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّكُمْ تقرءونَ هَذِهِ الآيةَ : ﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ عَلَيۡكُمۡ أَنفُسَكُمۡۖ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهۡتَدَيۡتُمۡۚ﴾ [ المائدة : ١٠٥ ] وإِني سَمِعت رسول اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَقُولُ : «إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوْا الظَّالِمَ فَلَمْ يَأْخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّه بِعِقَابٍ مِنْهُ»
“হে মানব সকল! তোমরা তো এ আয়াত পাঠ করে থাক: হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখ। অপর কারোর পথভ্রষ্ট হওয়ায় তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না, যদি তোমরা নিজেরা সঠিক পথে থাক। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ১০৫] আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, মানুষেরা যখন দেখে অত্যাচারীরা অত্যাচার করছে, কিন্তু তারা এর প্রতিরোধ করল না, এরূপ লোকদের ওপর আল্লাহ অচিরেই মহামারী আকারে শাস্তি পাঠাবেন”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৩৩৮, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, তিরমিযী, হাদীস নং ২১৬৮।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:
এক. এ আয়াত পাঠ করে সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার মিশনে শিথিলতা করার অবকাশ নেই। আবু বকর রা. এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন।
দুই. কারো পথভ্রষ্টতা ও পাপ আমাদের ক্ষতি করবে না ঠিকই, কিন্তু আমরা যদি তাদের পাপকে মেনে নেই তাহলে তা আমাদের ক্ষতি করবেই। কেননা পাপ মেনে নেওয়াও একটি পাপ।
তিন. শক্তি প্রয়োগ করে হলেও যালেমদেরকে তাদের যুলুম থেকে ফিরিয়ে রাখতে হবে।
চার. পাপ, অন্যায় ও যুলুমের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ না করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাব-গযব ও শাস্তি আসবে।
[বি. দ্র. ইমাম নাওয়াওয়ী রহ. সংকলিত রিয়াদুস সালেহীন কিতাব থেকে একটি অধ্যয়ের অনুবাদ ও ব্যাখ্যা।]
সমাপ্ত
15 - «يا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّكُمْ تقرءونَ هَذِهِ الآيةَ : ﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ عَلَيۡكُمۡ أَنفُسَكُمۡۖ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهۡتَدَيۡتُمۡۚ﴾ [ المائدة : ١٠٥ ] وإِني سَمِعت رسول اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَقُولُ : «إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوْا الظَّالِمَ فَلَمْ يَأْخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّه بِعِقَابٍ مِنْهُ»
“হে মানব সকল! তোমরা তো এ আয়াত পাঠ করে থাক: হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখ। অপর কারোর পথভ্রষ্ট হওয়ায় তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না, যদি তোমরা নিজেরা সঠিক পথে থাক। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ১০৫] আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, মানুষেরা যখন দেখে অত্যাচারীরা অত্যাচার করছে, কিন্তু তারা এর প্রতিরোধ করল না, এরূপ লোকদের ওপর আল্লাহ অচিরেই মহামারী আকারে শাস্তি পাঠাবেন”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৩৩৮, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, তিরমিযী, হাদীস নং ২১৬৮।]
হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:
এক. এ আয়াত পাঠ করে সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার মিশনে শিথিলতা করার অবকাশ নেই। আবু বকর রা. এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন।
দুই. কারো পথভ্রষ্টতা ও পাপ আমাদের ক্ষতি করবে না ঠিকই, কিন্তু আমরা যদি তাদের পাপকে মেনে নেই তাহলে তা আমাদের ক্ষতি করবেই। কেননা পাপ মেনে নেওয়াও একটি পাপ।
তিন. শক্তি প্রয়োগ করে হলেও যালেমদেরকে তাদের যুলুম থেকে ফিরিয়ে রাখতে হবে।
চার. পাপ, অন্যায় ও যুলুমের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ না করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাব-গযব ও শাস্তি আসবে।
[বি. দ্র. ইমাম নাওয়াওয়ী রহ. সংকলিত রিয়াদুস সালেহীন কিতাব থেকে একটি অধ্যয়ের অনুবাদ ও ব্যাখ্যা।]
সমাপ্ত