hadith book logo

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

লেখকঃ শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

দাসপ্রথা

‘দাসপ্রথার নিন্দা বা দাসপ্রথার বিলুপ্তি না করে দাসের উপর স্বাধীন মানুষের প্রাধান্য দেয়ার পক্ষ সমর্থনের অর্থ কী?’

খ্রিষ্টধর্মের প্রচারক ও দ্বীনে ইসলামের প্রচার-প্রসারে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের পক্ষ থেকে দাসপ্রথা সম্পর্কিত আলোচনা করা এবং সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন উত্থাপনের বিষয়টি বিবেকবান মানুষের অন্তরে ভাবান্তর সৃষ্টি করে। আর এসব প্রশ্নের আড়ালে প্রকৃত গোপন উদ্দেশ্যসমূহের প্রতি অভিযোগের আঙুল উঠা স্বাভাবিক।

এই দাসত্ব প্রথাই ইয়াহূদী এবং খ্রিষ্টানদের মধ্যে নির্যাতনীয় পন্থায় স্বীকৃত ও প্রমাণিত; আর তাদের কিতাবসমূহে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে এবং পরিপূর্ণভাবে তার স্বাচ্ছন্দ অনুমোদন রয়েছে। সুতরাং তাদের যে বিষয়টি প্রথমেই দৃষ্টির সামনে পড়ে তা হলো: কিভাবে খ্রিষ্টান গির্জাসমূহ মানুষদেরকে খ্রিষ্টান বানানোর দাওয়াত দিতে পারে, যেখানে খোদ খ্রিষ্টধর্মই দাসত্ব প্রথা ও তা বিধিসম্মত হওয়ার কথা বলে? অন্য অর্থে বলা যায়; কিভাবে তারা এই ব্যাপারটি নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করছে অথচ তারা তাতে কান বরাবর ডুবে আছে?

আর ইসলামে দাসপ্রথার বিষয়টিকে যদি উভয় ধর্মের দৃষ্টিভঙ্গির মাঝে এবং ইসলাম আগমনের সময়ের দাসপ্রথার সাথে তুলনামূলকভাবে পর্যালোচনা করা হয়, তবে সেটা সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে প্রতিভাত হবে।

আর কোনো গবেষক যখনই দেখে এসব প্রশ্ন, যেগুলোতে খ্রিষ্টান মিশনারিরা তাদের ভাষাকে ব্যাপকভাবে তাদের সাধ্যমতো কাজে লাগিয়েছে যাতে তারা ইসলামকে অপমান করতে পারে; তখন সে গবেষক এই বিষয়ে ইয়াহূদী, খ্রিষ্টান ও আধুনিক সভ্যতার নিকট যা আছে, সে দিকে ইঙ্গিত দিয়ে ব্যাপকভাবে অবশ্যই কথা বলবে অতঃপর আমরা ইসলামে যা কিছু আছে তা নিয়ে আলোচনা করব। ইসলাম এ ব্যাপারে অনেক মিথ্যা অভিযোগ ও অপবাদের সম্মুখীন হয়েছে, যেখানে অপরাধে ডুবে থাকা কিছু শক্ত অপরাধী মুক্তি পেয়ে গিয়েছে; এমনকি দুঃখজনকভাবে তাদের দিকে অভিযোগের আঙুল দিয়েও ইঙ্গিত করা হয় নি!