১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
২য় পয়েন্ট:
আয়েশা রা. ছাড়া তার সকল সহধর্মিণী ছিলেন বিবাহিতা বা বিধবা। তাদের মধ্যে একমাত্র আয়েশা রা. কে তিনি কুমারী অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন।
এ দুটি পয়েন্টের মাধ্যমেই আমরা সুস্পষ্ট ভাবে জানতে পারছি যে, হিংসুক ও উম্মাদ খৃষ্টানরা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি যে অপবাদ আরোপ করে থাকে তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত,অর্থহীন এবং অমূলক।
লালসা চরিতার্থ, প্রবৃত্তির তাড়না এবং শুধু নারী ভোগের বাসনায় যদি তিনি বিবাহ করতেন তাহলে তিনি যৌবন বয়সে বিবাহ করতেন; বার্ধক্য বয়সে নয়। কুমারী ও তরুণীদের বিবাহ করতেন;বিধবা নারীদের নয়।
অথচ প্রখ্যাত সাহাবী জাবের রা. যখন তার কাছে আসলেন তখন তার মুখমণ্ডলে সুগন্ধি ব্যবহারের চিহ্ন দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: বিবাহ করেছ নাকি?
জাবের রা.: জি, হ্যাঁ।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: কুমারী না বিবাহিতা?
জাবের রা.: বিবাহিতা।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: “কুমারী বিবাহ করলে না কেন?! যদি করতে তাহলে তোমরা একে অন্যের সাথে খেলা-ধুলা ও হাস্যরস মূলক কথাবার্তা বলতে পারতে!” (সহীহ বুখারী, কিতাবুন নিকাহ)
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাবের রা. কে কুমারী নারী বিবাহ করার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
এতে প্রমাণিত হল, নারী সম্ভোগ এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের পন্থা তাঁর জানা ছিল।
সুতরাং তার উদ্দেশ্য যদি থাকত শুধু নারী সম্ভোগ এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ তাহলে কি তিনি কুমারীদের ছেড়ে বিধবা নারীদের বিবাহ করতেন? না কি যৌবন পার করে এসে বার্ধক্যে এসে বিবাহ করতেন?
সাহাবীগণ রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্য তাদের দেহ-প্রাণ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করতেন না। সুতরাং তিনি চাইলে কি কেউ তাদের নব যৌবনা সুন্দরী কন্যাদেরকে তার সাথে বিবাহ দিতে পিছিয়ে থাকতেন?!
অতএব কেন তিনি জীবনের প্রথম লগ্নে যৌবনের সবুজ বসন্তে বিবাহ করলেন না? কেনই বা তরুণীদেরকে বিবাহ করলেন না? বিবাহ করলেন তালাক প্রাপ্তা ও বিধবা নারীদের?!
নি:সন্দেহে এ বিষয়টি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর আরোপিত সকল মিথ্যা অভিযোগ, সংশয় ও সন্দেহ বিদূরিত করে দেয় এবং দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয় ঐ সকল পাপিষ্ঠ মিথ্যাচারীদের যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্রতাকে মলিন করতে চায়-কলঙ্কিত করতে চায় তাঁর নিষ্কলঙ্ক সত্তাকে।
সুতরাং রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিবাহ কুপ্রবৃত্তি বা লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ছিল না বরং এর পেছনে ছিল অতি উন্নত ও মহৎ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। ছিল বিচক্ষণতার পরিচয় যা তাঁর চরম দুশমনরাও স্বীকার করতে বাধ্য হবে যদি তারা অন্ধ গোঁড়ামি ত্যাগ করে বিবেক দিয়ে বিচার করে। এরা যুক্তি ও বিবেক দ্বারা চিন্তা করলে দয়ার মূর্ত প্রতীক রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এ সব বিবাহের মাঝে খুঁজে পাবে এক ‘উন্নততর আদর্শ’। যিনি মানুষের কল্যাণ, দ্বীনের দাওয়াত ও ইসলামের স্বার্থে নিজের আরাম-আয়েশ অকাতরে বিলিয়ে দিতেন।
এ দুটি পয়েন্টের মাধ্যমেই আমরা সুস্পষ্ট ভাবে জানতে পারছি যে, হিংসুক ও উম্মাদ খৃষ্টানরা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি যে অপবাদ আরোপ করে থাকে তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত,অর্থহীন এবং অমূলক।
লালসা চরিতার্থ, প্রবৃত্তির তাড়না এবং শুধু নারী ভোগের বাসনায় যদি তিনি বিবাহ করতেন তাহলে তিনি যৌবন বয়সে বিবাহ করতেন; বার্ধক্য বয়সে নয়। কুমারী ও তরুণীদের বিবাহ করতেন;বিধবা নারীদের নয়।
অথচ প্রখ্যাত সাহাবী জাবের রা. যখন তার কাছে আসলেন তখন তার মুখমণ্ডলে সুগন্ধি ব্যবহারের চিহ্ন দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: বিবাহ করেছ নাকি?
জাবের রা.: জি, হ্যাঁ।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: কুমারী না বিবাহিতা?
জাবের রা.: বিবাহিতা।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: “কুমারী বিবাহ করলে না কেন?! যদি করতে তাহলে তোমরা একে অন্যের সাথে খেলা-ধুলা ও হাস্যরস মূলক কথাবার্তা বলতে পারতে!” (সহীহ বুখারী, কিতাবুন নিকাহ)
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাবের রা. কে কুমারী নারী বিবাহ করার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
এতে প্রমাণিত হল, নারী সম্ভোগ এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের পন্থা তাঁর জানা ছিল।
সুতরাং তার উদ্দেশ্য যদি থাকত শুধু নারী সম্ভোগ এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ তাহলে কি তিনি কুমারীদের ছেড়ে বিধবা নারীদের বিবাহ করতেন? না কি যৌবন পার করে এসে বার্ধক্যে এসে বিবাহ করতেন?
সাহাবীগণ রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্য তাদের দেহ-প্রাণ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করতেন না। সুতরাং তিনি চাইলে কি কেউ তাদের নব যৌবনা সুন্দরী কন্যাদেরকে তার সাথে বিবাহ দিতে পিছিয়ে থাকতেন?!
অতএব কেন তিনি জীবনের প্রথম লগ্নে যৌবনের সবুজ বসন্তে বিবাহ করলেন না? কেনই বা তরুণীদেরকে বিবাহ করলেন না? বিবাহ করলেন তালাক প্রাপ্তা ও বিধবা নারীদের?!
নি:সন্দেহে এ বিষয়টি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর আরোপিত সকল মিথ্যা অভিযোগ, সংশয় ও সন্দেহ বিদূরিত করে দেয় এবং দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয় ঐ সকল পাপিষ্ঠ মিথ্যাচারীদের যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্রতাকে মলিন করতে চায়-কলঙ্কিত করতে চায় তাঁর নিষ্কলঙ্ক সত্তাকে।
সুতরাং রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিবাহ কুপ্রবৃত্তি বা লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ছিল না বরং এর পেছনে ছিল অতি উন্নত ও মহৎ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। ছিল বিচক্ষণতার পরিচয় যা তাঁর চরম দুশমনরাও স্বীকার করতে বাধ্য হবে যদি তারা অন্ধ গোঁড়ামি ত্যাগ করে বিবেক দিয়ে বিচার করে। এরা যুক্তি ও বিবেক দ্বারা চিন্তা করলে দয়ার মূর্ত প্রতীক রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এ সব বিবাহের মাঝে খুঁজে পাবে এক ‘উন্নততর আদর্শ’। যিনি মানুষের কল্যাণ, দ্বীনের দাওয়াত ও ইসলামের স্বার্থে নিজের আরাম-আয়েশ অকাতরে বিলিয়ে দিতেন।