১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
প্রদীপ্ত সূর্য:
সম্মানিত ভ্রাতৃ মহোদয়,আপনারা কি দ্বিপ্রহরের উজ্জ্বল দীপ্তিমান সূর্য দেখেছেন যার সামনে কোন কিছুই বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে না, যাকে মেঘমালা কিংবা কুয়াশা এসে ঢেকে রাখতে পারে না?
কেউ যদি ঐ সূর্যের আলো নিভিয়ে ফেলার বা দৃষ্টির আড়াল করার উদ্দেশ্যে মুখ দিয়ে ফুঁ দেয়া শুরু করে কিংবা গায়ের জামা খুলে সে দিকে মেলে করে ধরে তবে কি সূর্যের আলো নিভে যাবে বা চোখের আড়ালে চলে যাবে? না, কখনই না।
ঠিক তেমনই আমাদের এই সূর্য যার আলোচনা আমরা একটু পরে করব।
আপনাদেরকে ঐ আকাশের সূর্যের কথা বলছি না;বলছি মাটির সূর্যের কথা! আমরা এমন সূর্যের কথা আলোচনা করছি না যা প্রচণ্ড উত্তাপে সব কিছু ঝলসে করে দেয় বরং আলোচনা করছি এমন সূর্যের কথা যা তার ঝলমল আলোয় চতুর্দিক উদ্ভাসিত করে তোলে। এবার চিনতে পেরেছেন কে এই সূর্য?
হ্যাঁ,তা হল নবুওয়তের সূর্য। রিসালাতের সূর্য। অনাবিল হেদায়েত,অফুরন্ত জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সূর্য। এটি হল,উজ্জ্বল ঝকঝকে আলো,প্রজ্বলিত প্রদীপ যার মাধ্যমে মহীয়ান আল্লাহ মানব জীবনের দুর্ভাগ্যের কালিমাকে মুছে দিয়ে মানুষকে বের করে আনেন অন্ধকার হতে আলোর পথে।
সেই সূর্য প্রিয়নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্যক্তি সত্তা।
মহান আল্লাহ যথার্থই বলেছেন:
يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّـهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَاللَّـهُ مُتِمُّ نُورِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ -هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ
“তারা মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। অথচ আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। তিনি তার রাসূলকে হেদায়াত এবং সঠিক দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন যেনঅন্যান্য সকল ধর্ম ও মতাদর্শের উপর তাকে বিজয়ী করতে পারেন-যদিও মুশরিকরা তাতে নাখোশ।” (সূরা আস সফ: ৮-৯)
আমরা এখন এ মাটির সূর্য নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি যার ব্যাপারে মহাগ্রন্থ আল কুরআনে অপূর্ব প্রাঞ্জল ভাষায় বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا وَدَاعِيًا إِلَى اللَّـهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجًا مُّنِيرًا
“(হে নবী) আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষী,সুসংবাদদাতা,সতর্ককারী আল্লাহর অনুমতিক্রমে তার প্রতি আহ্বানকারী এবং উজ্জ্বল প্রদীপ স্বরূপ।” (সূরা আহযাব: ৪৪ ও ৪৫)
এখানে ‘উজ্জ্বল প্রদীপ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হল নবুওয়তের সূর্য যা তার উজ্জ্বল দীপ্তি এবং কিরণ দ্বারা বিশ্বচরাচরকে আলোর বন্যায় প্লাবিত করে দেয়। চক্ষুষ্মান লোকেরা তা দেখতে পায় কিন্তু অন্ধরা দেখতে পায় না।
কবি বলেন:
মর্যাদার নীল আকাশে সূর্য মোদের দীপ্তিমান।
অন্ধ যদি দেখতে না পায় কিরণ কি তার হয়রে ম্লান?
ইসলামের দুশমনরা রিসালাতের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার মানহানির অপচেষ্টায় রত রয়েছে যাতে মুমিনগণ দ্বীনের ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে তার রিসালাতের প্রতি ঈমান থেকে দূরে সরে যায়।
অবশ্য নবী-রসূলগণের উপর এ ধরণের মিথ্যা,বানোয়াট, বিভ্রান্তি মূলক অভিযোগ শুনতে পাওয়ায় হতবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ সৃষ্টি জগতে এটাই আল্লাহর রীতি। আল্লাহর রীতির কোন পরিবর্তন হয় না।
আল্লাহ তাআলা সত্য কথাই বলেছেন:
وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَا لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوًّا مِّنَ الْمُجْرِمِينَ ۗ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ هَادِيًا وَنَصِيرًا
“এভাবেই প্রত্যেক নবীর জন্যে আমি অপরাধীদের মধ্য থেকে শত্রু সৃষ্টি করেছি। আপনার জন্যে আপনার পালনকর্তা পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারী রূপে যথেষ্ট।” (আল ফুরকান: ৩১)
কেউ যদি ঐ সূর্যের আলো নিভিয়ে ফেলার বা দৃষ্টির আড়াল করার উদ্দেশ্যে মুখ দিয়ে ফুঁ দেয়া শুরু করে কিংবা গায়ের জামা খুলে সে দিকে মেলে করে ধরে তবে কি সূর্যের আলো নিভে যাবে বা চোখের আড়ালে চলে যাবে? না, কখনই না।
ঠিক তেমনই আমাদের এই সূর্য যার আলোচনা আমরা একটু পরে করব।
আপনাদেরকে ঐ আকাশের সূর্যের কথা বলছি না;বলছি মাটির সূর্যের কথা! আমরা এমন সূর্যের কথা আলোচনা করছি না যা প্রচণ্ড উত্তাপে সব কিছু ঝলসে করে দেয় বরং আলোচনা করছি এমন সূর্যের কথা যা তার ঝলমল আলোয় চতুর্দিক উদ্ভাসিত করে তোলে। এবার চিনতে পেরেছেন কে এই সূর্য?
হ্যাঁ,তা হল নবুওয়তের সূর্য। রিসালাতের সূর্য। অনাবিল হেদায়েত,অফুরন্ত জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সূর্য। এটি হল,উজ্জ্বল ঝকঝকে আলো,প্রজ্বলিত প্রদীপ যার মাধ্যমে মহীয়ান আল্লাহ মানব জীবনের দুর্ভাগ্যের কালিমাকে মুছে দিয়ে মানুষকে বের করে আনেন অন্ধকার হতে আলোর পথে।
সেই সূর্য প্রিয়নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্যক্তি সত্তা।
মহান আল্লাহ যথার্থই বলেছেন:
يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّـهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَاللَّـهُ مُتِمُّ نُورِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ -هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ
“তারা মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। অথচ আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। তিনি তার রাসূলকে হেদায়াত এবং সঠিক দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন যেনঅন্যান্য সকল ধর্ম ও মতাদর্শের উপর তাকে বিজয়ী করতে পারেন-যদিও মুশরিকরা তাতে নাখোশ।” (সূরা আস সফ: ৮-৯)
আমরা এখন এ মাটির সূর্য নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি যার ব্যাপারে মহাগ্রন্থ আল কুরআনে অপূর্ব প্রাঞ্জল ভাষায় বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا وَدَاعِيًا إِلَى اللَّـهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجًا مُّنِيرًا
“(হে নবী) আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষী,সুসংবাদদাতা,সতর্ককারী আল্লাহর অনুমতিক্রমে তার প্রতি আহ্বানকারী এবং উজ্জ্বল প্রদীপ স্বরূপ।” (সূরা আহযাব: ৪৪ ও ৪৫)
এখানে ‘উজ্জ্বল প্রদীপ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হল নবুওয়তের সূর্য যা তার উজ্জ্বল দীপ্তি এবং কিরণ দ্বারা বিশ্বচরাচরকে আলোর বন্যায় প্লাবিত করে দেয়। চক্ষুষ্মান লোকেরা তা দেখতে পায় কিন্তু অন্ধরা দেখতে পায় না।
কবি বলেন:
মর্যাদার নীল আকাশে সূর্য মোদের দীপ্তিমান।
অন্ধ যদি দেখতে না পায় কিরণ কি তার হয়রে ম্লান?
ইসলামের দুশমনরা রিসালাতের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার মানহানির অপচেষ্টায় রত রয়েছে যাতে মুমিনগণ দ্বীনের ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে তার রিসালাতের প্রতি ঈমান থেকে দূরে সরে যায়।
অবশ্য নবী-রসূলগণের উপর এ ধরণের মিথ্যা,বানোয়াট, বিভ্রান্তি মূলক অভিযোগ শুনতে পাওয়ায় হতবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ সৃষ্টি জগতে এটাই আল্লাহর রীতি। আল্লাহর রীতির কোন পরিবর্তন হয় না।
আল্লাহ তাআলা সত্য কথাই বলেছেন:
وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَا لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوًّا مِّنَ الْمُجْرِمِينَ ۗ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ هَادِيًا وَنَصِيرًا
“এভাবেই প্রত্যেক নবীর জন্যে আমি অপরাধীদের মধ্য থেকে শত্রু সৃষ্টি করেছি। আপনার জন্যে আপনার পালনকর্তা পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারী রূপে যথেষ্ট।” (আল ফুরকান: ৩১)