১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
তিন. উম্মে হাবীবা রা. এর সাথে বিবাহ বন্ধন
অনুরূপভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে হাবীবা (রামলা বিনতে আবী সুফিয়ান)কে বিবাহ করেছিলেন।
আবু সুফিয়ান সে সময় ছিল শিরকের ঝাণ্ডা বাহী এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঘোরতর দুশমন।
এদিকে মক্কায় তার মেয়ে ইসলাম গ্রহণ করে স্বামীর সাথে দ্বীন হেফাজতের স্বার্থে হাবশা (ইথিওপিয়া)এ হিজরত করেছেন। সেখানে তার স্বামী মৃত্যু বরণ করায় তিনি নি:সঙ্গ জীবন কাটাতে লাগলেন। সেখানে না ছিল তার কোন সাহায্যকারী না ছিল কোন ঘনিষ্ঠজন।
রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার এ দুরবস্থার কথা জানতে পেরে হাবশা (ইথিওপিয়া) এর সম্রাট নাজাশির নিকট বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে দূত পাঠালেন। দূত এ সংবাদ নাজাশির নিকট পৌঁছিয়ে দিলে নাজাশি যে কী পরিমাণ আনন্দিত হলেন তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। কারণ যদি তিনি নিজের পিতা বা পরিবারের নিকট ফিরে যান তাহলে তারা তাকে কুফুরী এবং ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করবে এবং কঠিন শাস্তি দিবে।
অতঃপর নাজাশি অনেক মূল্যবান উপহার সামগ্রী সহ চারশত দিনার মোহর হিসেবে তাঁকে দিয়ে পাঠালেন। মদীনায় ফিরে এলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলেন।
এ সংবাদ আবু সুফিয়ান এর কানে পৌঁছলে তিনি এ বিবাহে সম্মতি দিয়ে বললেন: “তিনি এমন সুপুরুষ যাকে ফিরিয়ে দেয়া যায় না।” তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপারে গর্ববোধ করলেন এবং তার কন্যার বিবাহের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সমকক্ষতাকে অস্বীকার করলেন না।
পরবর্তীতে মহান আল্লাহ তাকে হেদায়েতের অমিয় সুধা পান করিয়েছেন।
এখান থেকে আবু সুফিয়ানের কন্যাকে বিবাহ করার পেছনে কী সুগভীর তাৎপর্য নিহিত ছিল তা প্রতিভাত হয়ে গেল। এই বিবাহ বন্ধন সাহাবীগণের উপর তার নির্যাতনকে হ্রাস করেছিল। যদিও আবু সুফিয়ান তখনও বনী উমাইয়ার মধ্যে রাসূলুল্লাহর প্রতি সবচেয় বড় বিদ্বেষ পরায়ণ এবং ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য মারাত্মক শত্রু ছিল।
কিন্তু আবু সুফিয়ানের কন্যার সাথে আল্লাহর রাসূলের বিবাহ তার এবং তার গোত্রীয় লোকদের হৃদয়কে আকৃষ্ট করার একটা অন্যতম কারণ হয়েছিল।
অন্যদিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে হাবীবা রা.কে নিজের সহধর্মিণী হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন তার ঈমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে। কারণ তিনি দ্বীন রক্ষার খাতিরে নিজের গৃহত্যাগ করে ছিলেন।
কী চমৎকার তাঁর কৌশল!
আবু সুফিয়ান সে সময় ছিল শিরকের ঝাণ্ডা বাহী এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঘোরতর দুশমন।
এদিকে মক্কায় তার মেয়ে ইসলাম গ্রহণ করে স্বামীর সাথে দ্বীন হেফাজতের স্বার্থে হাবশা (ইথিওপিয়া)এ হিজরত করেছেন। সেখানে তার স্বামী মৃত্যু বরণ করায় তিনি নি:সঙ্গ জীবন কাটাতে লাগলেন। সেখানে না ছিল তার কোন সাহায্যকারী না ছিল কোন ঘনিষ্ঠজন।
রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার এ দুরবস্থার কথা জানতে পেরে হাবশা (ইথিওপিয়া) এর সম্রাট নাজাশির নিকট বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে দূত পাঠালেন। দূত এ সংবাদ নাজাশির নিকট পৌঁছিয়ে দিলে নাজাশি যে কী পরিমাণ আনন্দিত হলেন তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। কারণ যদি তিনি নিজের পিতা বা পরিবারের নিকট ফিরে যান তাহলে তারা তাকে কুফুরী এবং ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করবে এবং কঠিন শাস্তি দিবে।
অতঃপর নাজাশি অনেক মূল্যবান উপহার সামগ্রী সহ চারশত দিনার মোহর হিসেবে তাঁকে দিয়ে পাঠালেন। মদীনায় ফিরে এলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলেন।
এ সংবাদ আবু সুফিয়ান এর কানে পৌঁছলে তিনি এ বিবাহে সম্মতি দিয়ে বললেন: “তিনি এমন সুপুরুষ যাকে ফিরিয়ে দেয়া যায় না।” তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপারে গর্ববোধ করলেন এবং তার কন্যার বিবাহের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সমকক্ষতাকে অস্বীকার করলেন না।
পরবর্তীতে মহান আল্লাহ তাকে হেদায়েতের অমিয় সুধা পান করিয়েছেন।
এখান থেকে আবু সুফিয়ানের কন্যাকে বিবাহ করার পেছনে কী সুগভীর তাৎপর্য নিহিত ছিল তা প্রতিভাত হয়ে গেল। এই বিবাহ বন্ধন সাহাবীগণের উপর তার নির্যাতনকে হ্রাস করেছিল। যদিও আবু সুফিয়ান তখনও বনী উমাইয়ার মধ্যে রাসূলুল্লাহর প্রতি সবচেয় বড় বিদ্বেষ পরায়ণ এবং ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য মারাত্মক শত্রু ছিল।
কিন্তু আবু সুফিয়ানের কন্যার সাথে আল্লাহর রাসূলের বিবাহ তার এবং তার গোত্রীয় লোকদের হৃদয়কে আকৃষ্ট করার একটা অন্যতম কারণ হয়েছিল।
অন্যদিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে হাবীবা রা.কে নিজের সহধর্মিণী হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন তার ঈমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে। কারণ তিনি দ্বীন রক্ষার খাতিরে নিজের গৃহত্যাগ করে ছিলেন।
কী চমৎকার তাঁর কৌশল!