১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি
শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী। তাফসীর জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। বিখ্যাত সাফওয়াতুত তাফাসীর গ্রন্থের লেখক। তিনি ১৯৩০ সনে সিরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। মিসরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে পরবর্তীতে মক্কা মুকাররমা শারিয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ কলেজে দীর্ঘ ৩০ বছর অধ্যাপনা করেন। তারপর মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে গবেষক হিসেবে নিয়োগ দান করা হয়। রাবেতা আলম আল ইসলামীতে কুরআনিক সাইন্স বিভাগের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
পবিত্র মসজিদে হারামে তার প্রাত্যাহিক দাসর হত। বিশেষ করে বিভিন্ন মওসুমে মসজিদে হারামে তিনি ফতোয়া প্রদান করতেন। জেদ্দার একটি মসজিদে তিনি তাফসীর বিষয়ে দীর্ঘ ৮ বছর নিয়মিত দরস দিয়েছেন। টেলিভিশনে প্রচারের জন্য তিনি তাফসীর বিষয়ে প্রায় ৬০০টি অনুষ্ঠান রেকর্ড করেছেন। এ জন্য সময় লেগেছে প্রায় দু বছর।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৩৩টি। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হল, তাফসীর বিষয়ক গ্রন্থ সাফওয়াতুত তাফাসীর।
বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা, বিশেষ করে তাফসীরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং ইসলামের খেদমতের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৭ সালে আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ‘বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে এডওয়ার্ড প্রদান করা হয়। [https://ar.wikipedia.org/wiki/%D9%85%D8%AD%D9%85%D8%AF_%D8%B9%D9%84%D9%8A_%D8%A7%D9%84%D8%B5%D8%A7%D8%A8%D9%88%D9%86%D9%8A]
একটি সতর্কতা:
উল্লেখ্য যে, তাফসীর সহ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে মুহাম্মদ আলী সাবুনীর অগাধ পাণ্ডিত্য থাকলেও আকীদা ও মানহাজগত ভাবে তার মাঝে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয়। এ ব্যাপারে আল্লামা বিন বায রহ. সহ অন্যান্য আলেমগণ তার প্রতিবাদ করেছেন। আকীদাগত ভ্রান্তির কারণে সউদী আরবে তার সফওয়াতুত তাফাসীর গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে যতদিন তা সংশোধন না করা হয়। তাই এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
আল্লাহ শাইখকে ক্ষমা করুন এবং সালফে-সালেহীনের আকীদা ও মানহাজ অনুযায়ী ইসলামের আরও বেশী খেদমত করার তাওফীক দান করুন । আমীন।
পবিত্র মসজিদে হারামে তার প্রাত্যাহিক দাসর হত। বিশেষ করে বিভিন্ন মওসুমে মসজিদে হারামে তিনি ফতোয়া প্রদান করতেন। জেদ্দার একটি মসজিদে তিনি তাফসীর বিষয়ে দীর্ঘ ৮ বছর নিয়মিত দরস দিয়েছেন। টেলিভিশনে প্রচারের জন্য তিনি তাফসীর বিষয়ে প্রায় ৬০০টি অনুষ্ঠান রেকর্ড করেছেন। এ জন্য সময় লেগেছে প্রায় দু বছর।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৩৩টি। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হল, তাফসীর বিষয়ক গ্রন্থ সাফওয়াতুত তাফাসীর।
বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা, বিশেষ করে তাফসীরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং ইসলামের খেদমতের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৭ সালে আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ‘বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে এডওয়ার্ড প্রদান করা হয়। [https://ar.wikipedia.org/wiki/%D9%85%D8%AD%D9%85%D8%AF_%D8%B9%D9%84%D9%8A_%D8%A7%D9%84%D8%B5%D8%A7%D8%A8%D9%88%D9%86%D9%8A]
একটি সতর্কতা:
উল্লেখ্য যে, তাফসীর সহ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে মুহাম্মদ আলী সাবুনীর অগাধ পাণ্ডিত্য থাকলেও আকীদা ও মানহাজগত ভাবে তার মাঝে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয়। এ ব্যাপারে আল্লামা বিন বায রহ. সহ অন্যান্য আলেমগণ তার প্রতিবাদ করেছেন। আকীদাগত ভ্রান্তির কারণে সউদী আরবে তার সফওয়াতুত তাফাসীর গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে যতদিন তা সংশোধন না করা হয়। তাই এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
আল্লাহ শাইখকে ক্ষমা করুন এবং সালফে-সালেহীনের আকীদা ও মানহাজ অনুযায়ী ইসলামের আরও বেশী খেদমত করার তাওফীক দান করুন । আমীন।