hadith book logo

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৫

এক. আয়েশা রা. এর সাথে বিবাহ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা রা. এর সাথে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হয়েছিলেন। যিনি ছিলেন তার প্রিয়তম সাহাবী এবং সম্মানিত বন্ধু আবু বকর সিদ্দীক রা. এর কন্যা। ‌ আবু বকর রা. সর্ব প্রথম ইসলাম গ্রহন করে আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যার্থে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিরক্ষায় নিজের দেহ-প্রাণ, অর্থ-সম্পদ সব কিছু উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন আর ইসলামের পথে শিকার করেছিলে অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা।

যেমন সুনান তিরমিযীতে বর্ণিত হয়েছে,আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু বকর রা. এর মর্যাদাকে সমুন্নত করতে গিয়ে বলেছেন:

مَا لأَحَدٍ عِنْدَنَا يَدٌ إِلا كَافَأْنَاهُ مَا خَلا أَبَا بَكْرٍ فَإِنَّ لَهُ عِنْدَنَا يَدًا يُكَافِئُهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَا نَفَعَنِي مَالٌ قَطُّ مَا نَفَعَنَي مَالُ أَبِي بَكْرٍ

“আমাদের প্রতি যেই সাহায্য-সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে আমরা তাকে তার প্রতিদান দিয়ে দিয়েছি কেবল আবু বকর ব্যতিরেকে। কেননা তিনি আমাদের প্রতি এমনভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন যার প্রতিদান মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন প্রদান করবেন। আবু বকরের সম্পদ আমার যত উপকার করেছে অন্য কারও সম্পদ ততটা করে নি।” (সুনান তিরমিযী, মিশকাত/কিতাবুল মানাকিব। আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত)

তিনিআরও বলেছেন:

“আমি যার কাছেই ইসলাম পেশ করেছি আবু বকর ছাড়া সকলেই কিছুটা ইতস্তত: করেছে। তিনি এতটুকুও ইতস্তত: করেন নি। আমি যদি কাউকে খলিল বা অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তাহলে আবু বকরকেই করতাম। জেনে রাখো, তোমাদের সাথী (আল্লাহর রাসূল) আল্লাহর খলিল বা অন্তরঙ্গ বন্ধু। (তিরমিযী)

সুতরাং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু বকর রা. এর মেয়ে (আয়েশা রা.) কে বিবাহ করে তার চক্ষু শীতল করবেন। তাদের মাঝে বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়তা সৃষ্টি হবে এবং পারস্পারিক বন্ধুত্ব ও ভালবাসা আরও দৃঢ়তর হবে-এর চেয়ে দুনিয়াতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পক্ষ থেকে আবু বকর রা. এর প্রতি বড় প্রতিদান আর কী হতে পারে?