১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহু বিবাহ সম্পর্কে ইসলাম বিদ্বেষীদের অভিযোগ এবং সেগুলোর জবাব:
মুমিনদের মা প্রিয় নবীর পবিত্র সহধর্মিনীদের আলোচনা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বিবাহ করার পেছনে কী রহস্য ও তাৎপর্য লুকায়িত রয়েছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করার পূর্বে পশ্চাত্যের গোঁড়া হিংসুক ক্রুসেডাররা যে সকল সংশয় উস্কে দিচ্ছে সেগুলোর জবাব দিতে চাই।
এরা মুসলিমদের ঈমান-আকীদা নষ্ট করার জন্য এবং বাস্তবতাকে ধামাচাপা দিয়ে সর্বকালের সেরা ব্যক্তিত্ব প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মানহানির হীন উদ্দেশ্যে এ সংশয়গুলো ব্যাপকভাবে প্রচার করে যাচ্ছে। যথা:
১) ওরা বলছে, “মুহাম্মদ ছিলেন একজন কামুক লোক। তিনি ছিলেন কাম ও কু প্রবৃত্তি পুজারী। একজন স্ত্রী তার জন্য যথেষ্ট ছিল না। এমন কি চারজনও নয়। অথচ তিনি কি না তার অনুসারীদের উপর সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী গ্রহণ আবশ্যক করেছেন আর তিনি নিজে কু প্রবৃত্তি এবং লালসার বশবর্তী হয়ে দশ বা ততোধিক স্ত্রী গ্রহণ করেছেন!” (নাউযুবিল্লাহ)
২) তারা আরও বলছে, “ঈসা এবং মুহাম্মাদ এর মাঝে বিশাল পার্থক্য রয়েছে! ঈসা জীবন যাপন করেছেন প্রবৃত্তির কামনা-বাসনাকে দমন করে-আত্মসংযমী হয়ে (অবিহবাহিত অবস্থায়)। পক্ষান্তরে মুহাম্মদ ছুটে বেড়িয়েছেন কু প্রবৃত্তি এবং লালসার পেছনে!! (নাউযুবিল্লাহ)
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا
“এ এক সাংঘাতিক কথা যা তাদের মুখ থেকে নির্গত হয়। তারা যা বলে তা তো সবই মিথ্যা।।” (সূরা কাহাফ: ৫)
জবাব:
সত্যিই এ সব লোক মারাত্মক মিথ্যাচারী এবং হিংসুটে! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কামুক পুরুষ ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন মানুষ-আল্লাহর দূত। অন্যান্য মানুষ যেভাবে বিবাহ করেন তিনিও করেছেন। যেন তিনি সঠিক পথ অবলম্বনের ক্ষেত্রে হতে পারেন মানবতার অনুসরণীয়-অনুকরণীয়।
তিনি ঈশ্বর নন,ঈশ্বরের পুত্রও নন যেমনটি খৃষ্টানরা তাদের নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এর ব্যাপারে বিশ্বাস করে থাকে! বরং তিনি অন্যান্য মানুষের মতই একজন মানুষ। পার্থক্য এই যে, আল্লাহ তাঁকে ওহী এবং রিসালাতের মাধ্যমে সম্মানিত করেছেন। আল্লাহ বলেন:
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ
“(হে নবী আপনি বলে দিন যে) আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ-আল্লাহ আমার কাছে ওহী আগমন করে।” (সূরা কাহাফ: ১১০)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যান্য নবীদের থেকে ভিন্নতর ছিলেন না যে তিনি তাদের নীতি লঙ্ঘন করবেন কিংবা তাদের অনুসৃত পথের বাইরে যাবেন।
তার পূর্বের রাসূলদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন:
لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلًا مِّن قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجًا وَذُرِّيَّةً
“আমি তো তোমার পূর্বে অনেক রসূল প্রেরণ করেছিলাম এবং তাদেরকে স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততি দিয়েছিলাম।” (সূরা রা’দ: ৩৮)
সুতরাং কিসের ভিত্তিতে এরা খাতামুল আম্বিয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর এ ধরণের অপবাদের ঝড় তুলছে?!
অবশ্য কবি বলেছেন:
রোগ যদি হয় চোখের মাঝে রবির কিরণ মিথ্যা নয়।
মুখের ভিতর রোগ থাকিলে পানির সাধও লুপ্ত হয়।
আর আল্লাহ তাআলা যথার্থই বলেছেন:
فَإِنَّهَا لَا تَعْمَى الْأَبْصَارُ وَلَـٰكِن تَعْمَى الْقُلُوبُ الَّتِي فِي الصُّدُورِ
“বস্তুত: চোখ তো আদৌ অন্ধ নয়,কিন্তু অন্ধ হচ্ছে হৃদয় যা রয়েছে বুকের ভেতরে।” (সূরা হিজর: ৪৬)
এরা মুসলিমদের ঈমান-আকীদা নষ্ট করার জন্য এবং বাস্তবতাকে ধামাচাপা দিয়ে সর্বকালের সেরা ব্যক্তিত্ব প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মানহানির হীন উদ্দেশ্যে এ সংশয়গুলো ব্যাপকভাবে প্রচার করে যাচ্ছে। যথা:
১) ওরা বলছে, “মুহাম্মদ ছিলেন একজন কামুক লোক। তিনি ছিলেন কাম ও কু প্রবৃত্তি পুজারী। একজন স্ত্রী তার জন্য যথেষ্ট ছিল না। এমন কি চারজনও নয়। অথচ তিনি কি না তার অনুসারীদের উপর সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী গ্রহণ আবশ্যক করেছেন আর তিনি নিজে কু প্রবৃত্তি এবং লালসার বশবর্তী হয়ে দশ বা ততোধিক স্ত্রী গ্রহণ করেছেন!” (নাউযুবিল্লাহ)
২) তারা আরও বলছে, “ঈসা এবং মুহাম্মাদ এর মাঝে বিশাল পার্থক্য রয়েছে! ঈসা জীবন যাপন করেছেন প্রবৃত্তির কামনা-বাসনাকে দমন করে-আত্মসংযমী হয়ে (অবিহবাহিত অবস্থায়)। পক্ষান্তরে মুহাম্মদ ছুটে বেড়িয়েছেন কু প্রবৃত্তি এবং লালসার পেছনে!! (নাউযুবিল্লাহ)
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا
“এ এক সাংঘাতিক কথা যা তাদের মুখ থেকে নির্গত হয়। তারা যা বলে তা তো সবই মিথ্যা।।” (সূরা কাহাফ: ৫)
জবাব:
সত্যিই এ সব লোক মারাত্মক মিথ্যাচারী এবং হিংসুটে! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কামুক পুরুষ ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন মানুষ-আল্লাহর দূত। অন্যান্য মানুষ যেভাবে বিবাহ করেন তিনিও করেছেন। যেন তিনি সঠিক পথ অবলম্বনের ক্ষেত্রে হতে পারেন মানবতার অনুসরণীয়-অনুকরণীয়।
তিনি ঈশ্বর নন,ঈশ্বরের পুত্রও নন যেমনটি খৃষ্টানরা তাদের নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এর ব্যাপারে বিশ্বাস করে থাকে! বরং তিনি অন্যান্য মানুষের মতই একজন মানুষ। পার্থক্য এই যে, আল্লাহ তাঁকে ওহী এবং রিসালাতের মাধ্যমে সম্মানিত করেছেন। আল্লাহ বলেন:
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ
“(হে নবী আপনি বলে দিন যে) আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ-আল্লাহ আমার কাছে ওহী আগমন করে।” (সূরা কাহাফ: ১১০)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যান্য নবীদের থেকে ভিন্নতর ছিলেন না যে তিনি তাদের নীতি লঙ্ঘন করবেন কিংবা তাদের অনুসৃত পথের বাইরে যাবেন।
তার পূর্বের রাসূলদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন:
لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلًا مِّن قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجًا وَذُرِّيَّةً
“আমি তো তোমার পূর্বে অনেক রসূল প্রেরণ করেছিলাম এবং তাদেরকে স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততি দিয়েছিলাম।” (সূরা রা’দ: ৩৮)
সুতরাং কিসের ভিত্তিতে এরা খাতামুল আম্বিয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর এ ধরণের অপবাদের ঝড় তুলছে?!
অবশ্য কবি বলেছেন:
রোগ যদি হয় চোখের মাঝে রবির কিরণ মিথ্যা নয়।
মুখের ভিতর রোগ থাকিলে পানির সাধও লুপ্ত হয়।
আর আল্লাহ তাআলা যথার্থই বলেছেন:
فَإِنَّهَا لَا تَعْمَى الْأَبْصَارُ وَلَـٰكِن تَعْمَى الْقُلُوبُ الَّتِي فِي الصُّدُورِ
“বস্তুত: চোখ তো আদৌ অন্ধ নয়,কিন্তু অন্ধ হচ্ছে হৃদয় যা রয়েছে বুকের ভেতরে।” (সূরা হিজর: ৪৬)