১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
২- সাওদা বিনতে যামআ রা.
খাদীজা রা. এর তিরোধানের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাওদা রা. কে বিবাহ করেন। তার পূর্ব স্বামীর নাম সাকরান বিন আমর আল আনসারী। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে বয়সে বড় হওয়া স্বত্বেও তিনি তাকে পছন্দ করেন।
এর তাৎপর্য হল, তিনি ছিলেন একজন হিজরকারীনী মুমিন নারী। তিনি হাবশা (ইথিওপিয়া)য় দ্বিতীয় বার হিজরত করেন। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে আসার পর তার স্বামী ইন্তেকাল করলে তিনি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন। তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করার মত কোন স্বজন ছিল না। স্বামী হারানোর পর নিজ পরিবারের নিকট ফিরে গেলে তারা তাকে শিরক করতে বাধ্য করত অন্যথায় ইসলাম ত্যাগ করার জন্য কঠিন শাস্তি দিত।
ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দায়িত্ব গ্রহণ করা পছন্দ করলেন এবং বিবাহ করলেন।
তার সত্যনিষ্ঠা বিশ্বাসের প্রতি এটি হল আল্লাহর রাসূলের চূড়ান্ত অনুগ্রহ।
কেবল মনোবাসনা চরিতার্থ করা যদি রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য থাকত-যেমনটি পাশ্চাত্যের মিথ্যাবাদী ইসলাম বিদ্বেষীরা বলে থাকে-তাহলে তিনি ৫৫ বছর বয়স্ক এই বিধবা মহিলাকে বিবাহ না করে বিবাহ করতেন কম বয়সী সুন্দরী মেয়েদেরকে। কিন্তু তিনি তো উদারতা,সহমর্মিতা এবং মানবিকতার মূর্ত প্রতীক। তাই এই সম্ভ্রান্ত নারীকে নিজ তত্ববধানে দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করাই ছিল এই বিবাহের উদ্দেশ্য।
এর তাৎপর্য হল, তিনি ছিলেন একজন হিজরকারীনী মুমিন নারী। তিনি হাবশা (ইথিওপিয়া)য় দ্বিতীয় বার হিজরত করেন। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে আসার পর তার স্বামী ইন্তেকাল করলে তিনি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন। তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করার মত কোন স্বজন ছিল না। স্বামী হারানোর পর নিজ পরিবারের নিকট ফিরে গেলে তারা তাকে শিরক করতে বাধ্য করত অন্যথায় ইসলাম ত্যাগ করার জন্য কঠিন শাস্তি দিত।
ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দায়িত্ব গ্রহণ করা পছন্দ করলেন এবং বিবাহ করলেন।
তার সত্যনিষ্ঠা বিশ্বাসের প্রতি এটি হল আল্লাহর রাসূলের চূড়ান্ত অনুগ্রহ।
কেবল মনোবাসনা চরিতার্থ করা যদি রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য থাকত-যেমনটি পাশ্চাত্যের মিথ্যাবাদী ইসলাম বিদ্বেষীরা বলে থাকে-তাহলে তিনি ৫৫ বছর বয়স্ক এই বিধবা মহিলাকে বিবাহ না করে বিবাহ করতেন কম বয়সী সুন্দরী মেয়েদেরকে। কিন্তু তিনি তো উদারতা,সহমর্মিতা এবং মানবিকতার মূর্ত প্রতীক। তাই এই সম্ভ্রান্ত নারীকে নিজ তত্ববধানে দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করাই ছিল এই বিবাহের উদ্দেশ্য।