১
ইসলামে দাস বিধি
লেখকঃ আবদুল্লাহ নাসেহ ‘উলওয়ান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি:
আর আমরা পূর্বে এটাও আলোচনা করেছি যে, ইসলাম মুসলিমদের ইমাম তথা নেতাকে যুদ্ধবন্দীদের সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে অনুকম্পা প্রদর্শন, অথবা মুক্তিপণ গ্রহণ, অথবা হত্যা করা, অথবা দাস-দাসী বানানো ইত্যাদি বাছাইয়ের ব্যাপারে নিঃশর্ত ক্ষমতা প্রদান করেছে।
আর কোনো সন্দেহ নেই যে, ইমাম যখন কোনো বিষয়ে প্রকৃত হিকমত ও কল্যাণ লক্ষ্য করবেন এবং যখন গভীর ও ব্যাপক রাজনৈতিক সংকট লক্ষ্য করবেন, তখন তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে সে অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যশীল মূলনীতির উপর ভিত্তি করে আচার-আচরণ ও লেনদেন করবেন ... কারণ তাকে তো শেষ পর্যন্ত একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান ও গ্রহণযোগ্য স্বার্থকেই গ্রহণ করে নিতে হবে।
সুতরাং তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে হত্যা করার নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি মুসলিমদেরকে নড়বড়ে ও দুর্বল ... অবস্থার মধ্যে দেখবেন; আর তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুকম্পা প্রদর্শন অথবা মুক্তিপণ গ্রহণ করার নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি মুসলিমদেরকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ... অবস্থার মধ্যে দেখবেন; আর তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাস-দাসী বানানোর নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি শত্রুদেরকে দেখবেন তারা আমাদের যুদ্ধবন্দীদেরকে দাস-দাসী হিসেবে গ্রহণ করছে, যাতে পরস্পরের আচরণ সমান সমান হয়।
এভাবেই ইমাম রাজনৈতিক কল্যাণ, যুদ্ধ কেন্দ্রীক আবশ্যকতা ও অর্থনৈতিক প্রয়োজন লক্ষ্য করে তাঁর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
সুতরাং কিভাবে ইসলাম সুস্পষ্ট ও অকাট্য ‘নস’ তথা বক্তব্যের মাধ্যমে দাসত্ব প্রথাকে বাতিল করবে, অথচ শত্রুদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবন্দীদেরকে দাস-দাসী বানানোর বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা রয়েছে; আর এই সম্ভাবনার বাস্তবায়ন প্রায় আসন্ন হয়ে পড়েছে! !
আর কোনো সন্দেহ নেই যে, ইমাম যখন কোনো বিষয়ে প্রকৃত হিকমত ও কল্যাণ লক্ষ্য করবেন এবং যখন গভীর ও ব্যাপক রাজনৈতিক সংকট লক্ষ্য করবেন, তখন তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে সে অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যশীল মূলনীতির উপর ভিত্তি করে আচার-আচরণ ও লেনদেন করবেন ... কারণ তাকে তো শেষ পর্যন্ত একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান ও গ্রহণযোগ্য স্বার্থকেই গ্রহণ করে নিতে হবে।
সুতরাং তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে হত্যা করার নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি মুসলিমদেরকে নড়বড়ে ও দুর্বল ... অবস্থার মধ্যে দেখবেন; আর তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুকম্পা প্রদর্শন অথবা মুক্তিপণ গ্রহণ করার নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি মুসলিমদেরকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ... অবস্থার মধ্যে দেখবেন; আর তিনি যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাস-দাসী বানানোর নীতি অবলম্বন করা থেকে দূরে সরে যাবেন না, যখন তিনি শত্রুদেরকে দেখবেন তারা আমাদের যুদ্ধবন্দীদেরকে দাস-দাসী হিসেবে গ্রহণ করছে, যাতে পরস্পরের আচরণ সমান সমান হয়।
এভাবেই ইমাম রাজনৈতিক কল্যাণ, যুদ্ধ কেন্দ্রীক আবশ্যকতা ও অর্থনৈতিক প্রয়োজন লক্ষ্য করে তাঁর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
সুতরাং কিভাবে ইসলাম সুস্পষ্ট ও অকাট্য ‘নস’ তথা বক্তব্যের মাধ্যমে দাসত্ব প্রথাকে বাতিল করবে, অথচ শত্রুদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবন্দীদেরকে দাস-দাসী বানানোর বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা রয়েছে; আর এই সম্ভাবনার বাস্তবায়ন প্রায় আসন্ন হয়ে পড়েছে! !