১
সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড
লেখকঃ ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
পবিত্র মক্কায় প্রবেশের বিবরণ
মক্কায় প্রবেশের উদ্দেশ্যে গোসল করা মুস্তাহাব। মক্কায় হাজীদের বাসস্থানে গিয়ে গোসল করে নিলেও, কারও কারও মতে এ
মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে।
উমরা আদায়ের পদ্ধতি
তালবিয়া পড়ে-পড়ে পবিত্র কাবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পবিত্র কাবার চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদুল হারামের উঁচু বিল্ডিং। এ বিল্ডিংটির যে কোনো দরজা দিয়ে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করুন। প্রথমে ডান পা এগিয়ে দিন। আল্লাহ যেন আপনার জন্য তাঁর রহমতের সকল দরজা খুলে দেন সে আকুতি নিয়ে মসজিদে প্রবেশের জিকির">দোয়াটি পড়ুন। সম্ভব হলে নীচের দোয়াটি পড়ুন।
بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلَى رَسُوْلِ اللهِ اَللهُمَ اغْفِرْلِيْ ذُنُوْبِيْ وَافْتَحْ لِيْ أبْوَابَ رَحْمَتِكَ
যথার্থভাবে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখুন-
ছোট-বড় সকল প্রকার নাপাকি থেকে পবিত্র হয়ে তাওয়াফ করা।
তাওয়াফের শুরুতে মনে মনে নিয়ত করা। এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেই চলবে। বিভিন্ন পুস্তকে তাওয়াফের যে নিয়ত লেখা আছে তা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
সতর ঢাকা অবস্থায় তাওয়াফ করা।
হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম (চুম্বন-স্পর্শ) অথবা ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করা এবং হাজরে আসওয়াদ বরাবর এসে তাওয়াফ শেষ করা।
হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে না পারলে হাজরে আসওয়াদের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করা ও বলা।
হাতিমের বাইরে দিয়ে তাওয়াফ করা।
হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানি ব্যতীত কাবার অন্য কোনো অংশ তাওয়াফের সময় স্পর্শ না করা। হাঁ, তাওয়াফ শেষ হলে বা অন্য কোনো সময় মুলতাযামের জায়গায় হাত-বাহু-গন্ডদেশ ও বক্ষ রাখা যেতে পারে।
মাকামে ইবরাহীম স্পর্শ না করা।
পুরুষদের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব পবিত্র কাবার কাছ দিয়ে তাওয়াফ করা।
নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে একপাশ হয়ে তাওয়াফ করা।
খুশুখুজুর সাথে তাওয়াফ করা ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলা।
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে এই দোয়া পড়া।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي اللآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
প্রত্যেক তাওয়াফে ভিন্ন ভিন্ন দোয়া আছে এরূপ বিশ্বাস না করা।
সাত চক্করে তাওয়াফ শেষ করা।
তাওয়াফ করার সময় নারীদের স্পর্শ থেকে যথাসম্ভব বেঁচে থাকা।
তাওয়াফ শেষে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’রাকাত সালাত আদায় করা। জায়গা না পেলে অন্য কোথাও আদায় করা।
সালাত শেষে যমযমের পানি পান করা ও মাথায় ঢালা।
মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে।
উমরা আদায়ের পদ্ধতি
তালবিয়া পড়ে-পড়ে পবিত্র কাবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পবিত্র কাবার চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদুল হারামের উঁচু বিল্ডিং। এ বিল্ডিংটির যে কোনো দরজা দিয়ে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করুন। প্রথমে ডান পা এগিয়ে দিন। আল্লাহ যেন আপনার জন্য তাঁর রহমতের সকল দরজা খুলে দেন সে আকুতি নিয়ে মসজিদে প্রবেশের জিকির">দোয়াটি পড়ুন। সম্ভব হলে নীচের দোয়াটি পড়ুন।
بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلَى رَسُوْلِ اللهِ اَللهُمَ اغْفِرْلِيْ ذُنُوْبِيْ وَافْتَحْ لِيْ أبْوَابَ رَحْمَتِكَ
যথার্থভাবে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখুন-
ছোট-বড় সকল প্রকার নাপাকি থেকে পবিত্র হয়ে তাওয়াফ করা।
তাওয়াফের শুরুতে মনে মনে নিয়ত করা। এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেই চলবে। বিভিন্ন পুস্তকে তাওয়াফের যে নিয়ত লেখা আছে তা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
সতর ঢাকা অবস্থায় তাওয়াফ করা।
হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম (চুম্বন-স্পর্শ) অথবা ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করা এবং হাজরে আসওয়াদ বরাবর এসে তাওয়াফ শেষ করা।
হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে না পারলে হাজরে আসওয়াদের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করা ও বলা।
হাতিমের বাইরে দিয়ে তাওয়াফ করা।
হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানি ব্যতীত কাবার অন্য কোনো অংশ তাওয়াফের সময় স্পর্শ না করা। হাঁ, তাওয়াফ শেষ হলে বা অন্য কোনো সময় মুলতাযামের জায়গায় হাত-বাহু-গন্ডদেশ ও বক্ষ রাখা যেতে পারে।
মাকামে ইবরাহীম স্পর্শ না করা।
পুরুষদের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব পবিত্র কাবার কাছ দিয়ে তাওয়াফ করা।
নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে একপাশ হয়ে তাওয়াফ করা।
খুশুখুজুর সাথে তাওয়াফ করা ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলা।
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে এই দোয়া পড়া।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي اللآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
প্রত্যেক তাওয়াফে ভিন্ন ভিন্ন দোয়া আছে এরূপ বিশ্বাস না করা।
সাত চক্করে তাওয়াফ শেষ করা।
তাওয়াফ করার সময় নারীদের স্পর্শ থেকে যথাসম্ভব বেঁচে থাকা।
তাওয়াফ শেষে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’রাকাত সালাত আদায় করা। জায়গা না পেলে অন্য কোথাও আদায় করা।
সালাত শেষে যমযমের পানি পান করা ও মাথায় ঢালা।