hadith book logo

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

লেখকঃ ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

প্রথম ইহরাম : উমরার নিয়ত

শুরুতে আপনি ক্ষৌরকর্ম অর্থাৎ বগল ও নাভির নীচের চুল পরিষ্কার করুন। নখ কাটুন। মাথার চুল ছোট না করে যেভাবে আছে সেভাবেই রেখে দিন। ক্ষৌরকর্ম সেরে সাবান মাখিয়ে গোসল করুন। গোসল করা সম্ভব না হলে অজু করুন। অজু-গোসল সম্ভব না হলে কোনো সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে তায়াম্মুম করতে হবে না। এরপর শরীরে, মাথায় ও দাঁড়িতে উত্তম সুগন্ধি মাখুন। স্বাভাবিক সেলাই করা কাপড় পরে ইহরামের কাপড় আলাদা একটি ব্যাগে ঢুকিয়ে হজ ক্যাম্প অথবা বিমান বন্দরে চলে যান। আপনার ফ্লাইটের সময় সূচী জেনে প্রয়োজনীয় কার্যাদি সেরে গাড়িতে ওঠার আগে ইহরামের কাপড় পরে নিন। ফরজ নামাজের সময় হলে ইহরামের কাপড় পরার পর নামাজ আদায় করুন। আর ফরজ সালাতের সময় না হলে তাহিয়্যাতুল অজুর দু’রাকাত সালাত আদায় করুন। সালাতের পর ইহরামের নিয়ত না করে বিমানে আরোহণ করুন। যেহেতু নিয়ত করেননি তাই তালবিয়া পাঠ করা থেকেও বিরত থাকুন। জেদ্দা বিমান বন্দরে পৌঁছার পূর্বে যখন মীকাতের ব্যাপারে ঘোষণা হবে তখন মনে মনে উমরার নিয়ত করুন ও মুখে বলুন لَبَّيِكَ عُمْرَةً (লাববাইকা উমরাতান্) এরপর পুরা তালবিয়া-পড়ে নিন। মাথায় টুপি থাকলে নিয়ত করার পূর্বেই তা সরিয়ে নিন।

বিমানের ভেতরে ইহরামের নিয়ত করা যদি ঝামেলা মনে করেন তাহলে বিমানে ওঠার পূর্বেই ফরয সালাত অথবা দু’রাকাত তাহিয়্যাতুল অজুর সালাত আদায় করে সালাম ফেরানোর পর মাথায় টুপি থাকলে তা খুলে, উপরে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে, উমরার নিয়ত করুন ও তালবিয়া পাঠ করুন। ইহরামের আলাদা কোনো সালাত নেই। রাসূলুল্লাহ স. ফরজ সালাতের পর ইহরামের নিয়ত করেছিলেন।