১
সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড
লেখকঃ ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
যিয়ারতে মদীনা মদীনার উদ্দেশ্যে রাওয়ানা
মক্কার ন্যায় মদীনাও পবিত্র নগরী। মদীনার পবিত্রতা রাসূলুল্লাহ স. স্বয়ং ঘোষণা করেছেন। হাদীসে এসেছে, ‘হে আল্লাহ ! ইব্রাহীম মক্কাকে পবিত্র হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, আর আমি এই দুই পাহাড়ের মাঝখানের জায়গা (মদীনা) পবিত্র বলে ঘোষণা করছি।’ মদীনা ইসলামের আশ্রয়ের স্থল, রাসূলুল্লাহ স. ও তাঁর সাহাবাদের হিজরতের জায়গা। রাসূলুল্লাহ ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের ত্যাগ ও কোরবানির ইতিহাস মিশে আছে মদীনার ধুলোকণায়। পবিত্র কোরআনের অর্ধেক নাযিল হয়েছে মদীনায়। অধিকাংশ হাদীসের উৎসও মাদানী জীবনের নানা ঘটনা-অনু-ঘটনা। সে হিসেবে যিয়ারতে মদীনা ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে আমাদেরকে সাহায্য করে। আর হজের সফর যেহেতু মদীনায় যাওয়ার একটা বিরাট সুযোগ এনে দেয়- বিশেষ করে যারা বহির্বিশ্ব থেকে আসে তাদের জন্য- তাই এ সুযোগের সদ্বব্যবহার করাটাই বাঞ্ছনীয়। তবে যিয়ারতে মদীনা যাতে সুন্নত তরিকায় হয় এবং কোনো ক্ষেত্রেই রাসূলুল্লাহ স. এর অনুমোদন ও ইজাযতের বাইরে না যায় সে বিষয়টি ভালোভাবে নজরে রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম প্রশ্নটি আসবে মদীনা গমনের উদ্দেশ্য নিয়ে।
কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে কোথাও সফর করা যাবে না, এ মর্মে হাদীসে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বুখারী ও মুসলিম শরীফে এসেছে, - তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করো না। মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী) ও মসজিদুল আকসা। সে হিসেবে মদীনা গমনের উদ্দেশ্য, কবর যিয়ারত হলে, তা শুদ্ধ হবে না। নিয়ত করতে হবে মসজিদে নববী যিয়ারতের। কেননা রাসূলুল্লাহ স. মসজিদে নববীতে সালাত আদায় বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন। এক হাদীসে এসেছে , ‘আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকেও উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত। অন্য এক হাদীসে এসেছে,‘ আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকে উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত। আর মসজিদুল হারামে সালাত অন্য মসজিদে এক লক্ষ সালাতের চেয়েও উত্তম। শুধু এতটুকই নয় বরং মসজিদে নববীর একটি অংশ বেহেশ্তের বাগানসমূহের একটি বাগান বলে ব্যক্ত করেছেন। বুখারী শরীফে এসেছে, ‘ আমার ঘর ও মেম্বারের মাঝখানের জায়গা বেহেশ্তের বাগানসমূহের একটি বাগান। আর আমার মিম্বারটি আমার হাউজের ওপর।’ সে হিসেবে মসজিদে নববী যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদীনায় সফর করার নিয়ত করাটাই শরীয়তসিদ্ধ।
কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে কোথাও সফর করা যাবে না, এ মর্মে হাদীসে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বুখারী ও মুসলিম শরীফে এসেছে, - তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করো না। মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী) ও মসজিদুল আকসা। সে হিসেবে মদীনা গমনের উদ্দেশ্য, কবর যিয়ারত হলে, তা শুদ্ধ হবে না। নিয়ত করতে হবে মসজিদে নববী যিয়ারতের। কেননা রাসূলুল্লাহ স. মসজিদে নববীতে সালাত আদায় বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন। এক হাদীসে এসেছে , ‘আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকেও উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত। অন্য এক হাদীসে এসেছে,‘ আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকে উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত। আর মসজিদুল হারামে সালাত অন্য মসজিদে এক লক্ষ সালাতের চেয়েও উত্তম। শুধু এতটুকই নয় বরং মসজিদে নববীর একটি অংশ বেহেশ্তের বাগানসমূহের একটি বাগান বলে ব্যক্ত করেছেন। বুখারী শরীফে এসেছে, ‘ আমার ঘর ও মেম্বারের মাঝখানের জায়গা বেহেশ্তের বাগানসমূহের একটি বাগান। আর আমার মিম্বারটি আমার হাউজের ওপর।’ সে হিসেবে মসজিদে নববী যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদীনায় সফর করার নিয়ত করাটাই শরীয়তসিদ্ধ।