১
নেশাজাত দ্রব্যের বিধান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
ধূমপান
ধূমপান একটি নীরব ঘাতক- এ ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। আমরা সকলে জানি যে, ধূমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপানের ক্ষতির তুলনায় শ্লোগানটা খুবই হাল্কা। কারণ ধূমপান শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর, আত্মার জন্য ক্ষতিকর, স্বভাব-চরিত্রের জন্য ক্ষতিকর, পরিবার-পরিজন, প্রতিবেশী, সমাজ ও পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। এর চেয়ে বড় ক্ষতির দিক হলো ধূমপানের মাধ্যমে ইসলামিক নৈতিকতা লংঘন।
ধোঁয়ার কারণে যেমন রান্নাঘরে কালো আবরণ পড়ে। তেমনিভাবে ধূমপানকারীর দাঁতে, মুখে ও ফুসফুসে কালো আবরণ তৈরি হয়। ঘরের আবরণ পরিস্কার করা গেলেও ফুসফুসের আবরণ পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। ফলে তাকে অনেক রোগ ব্যাধির শিকার হতে হয়।
সমাজে যারা বিভিন্ন অপরাধ করে বেড়ায় তাদের ৯৮% ভাগ ধূমপান করে থাকে। যারা মাদকদ্রব্য সেবন করে তাদের ৯৫% ভাগ প্রথমে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়। তারপর মাদক সেবন শুরু করে। এমনকি ধূমপানকারী মায়ের সন্তানও উগ্র স্বভাবের হয়ে থাকে। [দৈনিক ইনকিলাব তারিখ ১৫-১২-২০০০ ইং।]
ধূমপান নারীদের জরায়ু ও স্তনে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। নারীর ধূমপানের ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে, গর্ভের সন্তান বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, অকাল গর্ভপাত হয়। মায়ের ধূমপানের কারণে বাচ্চার মধ্যে ঘনঘন খিচুনি ও রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয় এবং বুক ও চামড়া সংবেদনশীল হয়।
ব্যবসায়ীরা জীবনের মূল্য তেমন বুঝে না, যেমন বুঝে না অপ্রাপ্ত বয়স্করা। ফলে মদ ব্যবসায়ীরা জীবনের মূল্যকে তুচ্ছ করে অর্থের লোভে মরিয়া হয়ে এ ব্যবসা করে থাকে। ছোটরা যৌবনের কৌতুহলে এমন অনেক কিছুই করে থাকে, যার জন্য পরবর্তীতে দুঃখিত হয়। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত, ধূমপান বিষয়ে সতর্ক হওয়া, এ বিষয়ে জানা এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। নিম্নে এ বিষয়ে বিসত্মারিত আলোচনা করা হলো।
ধোঁয়ার কারণে যেমন রান্নাঘরে কালো আবরণ পড়ে। তেমনিভাবে ধূমপানকারীর দাঁতে, মুখে ও ফুসফুসে কালো আবরণ তৈরি হয়। ঘরের আবরণ পরিস্কার করা গেলেও ফুসফুসের আবরণ পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। ফলে তাকে অনেক রোগ ব্যাধির শিকার হতে হয়।
সমাজে যারা বিভিন্ন অপরাধ করে বেড়ায় তাদের ৯৮% ভাগ ধূমপান করে থাকে। যারা মাদকদ্রব্য সেবন করে তাদের ৯৫% ভাগ প্রথমে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়। তারপর মাদক সেবন শুরু করে। এমনকি ধূমপানকারী মায়ের সন্তানও উগ্র স্বভাবের হয়ে থাকে। [দৈনিক ইনকিলাব তারিখ ১৫-১২-২০০০ ইং।]
ধূমপান নারীদের জরায়ু ও স্তনে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। নারীর ধূমপানের ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে, গর্ভের সন্তান বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, অকাল গর্ভপাত হয়। মায়ের ধূমপানের কারণে বাচ্চার মধ্যে ঘনঘন খিচুনি ও রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয় এবং বুক ও চামড়া সংবেদনশীল হয়।
ব্যবসায়ীরা জীবনের মূল্য তেমন বুঝে না, যেমন বুঝে না অপ্রাপ্ত বয়স্করা। ফলে মদ ব্যবসায়ীরা জীবনের মূল্যকে তুচ্ছ করে অর্থের লোভে মরিয়া হয়ে এ ব্যবসা করে থাকে। ছোটরা যৌবনের কৌতুহলে এমন অনেক কিছুই করে থাকে, যার জন্য পরবর্তীতে দুঃখিত হয়। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত, ধূমপান বিষয়ে সতর্ক হওয়া, এ বিষয়ে জানা এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। নিম্নে এ বিষয়ে বিসত্মারিত আলোচনা করা হলো।