১
নেশাজাত দ্রব্যের বিধান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
মদের হুকুম
মদ হারাম হওয়ার ব্যাপারে সমসত্ম উলামা ও ইমামদের ঐক্যমত রয়েছে। চাই তা যে কোন নামেই পান করা হোক না কেন। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল মনে করে পান করবে, সে কাফের হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি হারাম মনে করে পান করবে, সে কবীরা গুনাহের শাসিত্মর উপযুক্ত হবে। এজন্য তাকে খালিছভাবে তওবা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে মদ্যপান করা থেকে দূরে থাকতে হবে।
মদ ক্রয়-বিক্রয়ও হারাম :
যে জিনিস খাওয়া বা পান করা হারাম ইসলামী শরীয়তে সেটা ক্রয়-বিক্রয় করাও হারাম। সুতরাং হারাম জিনিসের ব্যবসা করা কোন মুসলিমের জন্য বৈধ নয়। হাদীসে এসেছে,
আবদুর রহমান ইবনে ওয়ালাতা আস সাবাঈ মিস্রী (রহ.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) এর নিকট আঙ্গুরের রস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট এক মশক মদ উপহারস্বরূপ নিয়ে আসে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, তুমি কি জান না যে, আল্লাহ এটা হারাম করে দিয়েছেন? সে বলল, না। অতঃপর সে এক ব্যক্তির সাথে কানাকানি করল। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে গোপনে কী বললে? সে বলল, আমি তাকে এটা বিক্রি করার পরামর্শ দিয়েছি।
এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
إِنَّ الَّذِيْ حَرَّمَ شُرْبَهَا حَرَّمَ بَيْعَهَا
যিনি (আল্লাহ) এটা পান করা হারাম করেছেন তিনি এর বিক্রিও হারাম করে দিয়েছেন। রাবী বলেন, এরপর সে মশ্কের মুখ খুলে দিল এবং তার মধ্যে যা কিছু ছিল সব পড়ে গেল। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৫৪৩; সহীহ মুসলিম, হা/৪১২৮; নাসাঈ, হা/৪৬৬৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৪৯৪২।]
মদ ও মদ দ্বারা উপার্জিত সম্পদ হারাম :
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ - - قَالَ : إِنَّ اللهَ حَرَّمَ الْخَمْرَ وَثَمَنَهَا وَحَرَّمَ الْمَيْتَةَ وَثَمَنَهَا وَحَرَّمَ الْخِنْزِيْرَ وَثَمَنَه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহ তা‘আলা মদকে ও মদের পয়সাকে, মৃত পশুকে ও তার পয়সাকে হারাম করেছেন এবং শুকর ও তার পয়সাকেও হারাম করেছেন। [আবু দাউদ, হা/৩৪৮৭; দার কুতনী, হা/২৮১৬; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১১৩৭১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৩৫৮।]
মদের পাত্র ভেঙ্গে ফেলতে হবে :
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) আবু তালহা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি সেসব ইয়াতীমদের জন্য কিছু মদ ক্রয় করেছি, যারা আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, মদ ফেলে দাও এবং তার পাত্রগুলোও ভেঙ্গে ফেলো। [তিরমিযী, হা/১২৯৩; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৪৫৮১; মিশকাত, হা/৩৬৪৯।]
আবার অন্য বর্ণনায় আছে, আবু তালহা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞেস করলেন, তার তত্ত্বাবধানে যেসব ইয়াতীম আছে, মীরাস সূত্রে তারা কিছু মদের মালিক হয়েছে। (এখন সেগুলো কী করব?) রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, তা ফেলে দাও। আবু তালহা (রাঃ) বললেন, আচ্ছা- আমি কি সেগুলো দ্বারা সিরকা বানাতে পারি? তিনি বললেন, না। [আবু দাউদ, হা/৩৬৭৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২২১০; বায়হাকী, হা/১০৯৮০; মিশকাত, হা/৩৬৪৯।]
কোন ঈমানদার ব্যক্তি মদ্যপান ও মদের ব্যবসা করতে পারে না :
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ، قَالَ : مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلَا يَشْرَبِ الْخَمْرَ، مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلَا يَجْلِسْ عَلٰى مَائِدَةٍ يُشْرَبُ عَلَيْهَا الْخَمْرُ
ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে মদ্যপান করতে পারে না এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে ব্যক্তি সেই দসত্মরখানে (টেবিলে বা স্থানে) বসতে পারে না যেখানে মদ্যপান করা হয়। [মু‘জামূল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১১৩০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৬৯২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭২।]
তওবা করে মদ্যপান ছেড়ে দিলে আল্লাহ পূর্বের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন :
﴿لَيْسَ عَلَى الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيْمَا طَعِمُوْاۤ اِذَا مَا اتَّقَوْا وَّاٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ثُمَّ اتَّقَوْا وَّاٰمَنُوْا ثُمَّ اتَّقَوْا وَّاَحْسَنُوْاؕ وَاللهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِيْنَ﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা পূর্বে যা খেয়েছে তার জন্য তাদের কোন গোনাহ নেই। যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে, পুনরায় সাবধান হয় ও বিশ্বাস স্থাপন করে, পুনরায় সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে; তবে তো আল্লাহ সৎকর্ম পরায়ণশীলদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা মায়েদা- ৯৩)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা আমি আবু তালহার ঘরে কিছু লোককে মদ পরিবেশন করছিলাম। সে সময় মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ ﷺ একজনকে তা প্রচার করতে নির্দেশ দিলেন। ফলে সে প্রচার করছিল। তখন আবু তালহা (রাঃ) বললেন, বাইরে গিয়ে দেখে আসো- এ কিসের শব্দ শোনা যায়। আনাস বলেন, অতঃপর আমি গেলাম এবং শুনে এসে আবু তালহা (রাঃ) কে বললাম- এটা প্রচার করা হচ্ছে যে, মদ হারাম করা হয়েছে। তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি গিয়ে সব মদ ফেলে দাও। আনাস বলেন, সেদিন মদিনার রাসত্মায় রাসত্মায় মদের স্রোত বয়ে যাচ্ছিল। তিনি আরো বলেছেন, সেই সময়ের মদ খেজুর থেকে প্রস্ত্তত করা হতো। এ ঘটনার পর একদল লোক বলা শুরু করলো যে, পেটে মদ নিয়েই তো আগে অনেক লোক শহীদ হয়েছে। (তাদের কি হবে?) আনাস বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা উপরোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। [সহীহ বুখারী, হা/২৪৬৪; সহীহ মুসলিম, হা/৫২৪৬; তিরমিযী, হা/৩০৫০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৪০০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৫৩৫০।]
মদ ক্রয়-বিক্রয়ও হারাম :
যে জিনিস খাওয়া বা পান করা হারাম ইসলামী শরীয়তে সেটা ক্রয়-বিক্রয় করাও হারাম। সুতরাং হারাম জিনিসের ব্যবসা করা কোন মুসলিমের জন্য বৈধ নয়। হাদীসে এসেছে,
আবদুর রহমান ইবনে ওয়ালাতা আস সাবাঈ মিস্রী (রহ.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) এর নিকট আঙ্গুরের রস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট এক মশক মদ উপহারস্বরূপ নিয়ে আসে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, তুমি কি জান না যে, আল্লাহ এটা হারাম করে দিয়েছেন? সে বলল, না। অতঃপর সে এক ব্যক্তির সাথে কানাকানি করল। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে গোপনে কী বললে? সে বলল, আমি তাকে এটা বিক্রি করার পরামর্শ দিয়েছি।
এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
إِنَّ الَّذِيْ حَرَّمَ شُرْبَهَا حَرَّمَ بَيْعَهَا
যিনি (আল্লাহ) এটা পান করা হারাম করেছেন তিনি এর বিক্রিও হারাম করে দিয়েছেন। রাবী বলেন, এরপর সে মশ্কের মুখ খুলে দিল এবং তার মধ্যে যা কিছু ছিল সব পড়ে গেল। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৫৪৩; সহীহ মুসলিম, হা/৪১২৮; নাসাঈ, হা/৪৬৬৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৪৯৪২।]
মদ ও মদ দ্বারা উপার্জিত সম্পদ হারাম :
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ - - قَالَ : إِنَّ اللهَ حَرَّمَ الْخَمْرَ وَثَمَنَهَا وَحَرَّمَ الْمَيْتَةَ وَثَمَنَهَا وَحَرَّمَ الْخِنْزِيْرَ وَثَمَنَه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহ তা‘আলা মদকে ও মদের পয়সাকে, মৃত পশুকে ও তার পয়সাকে হারাম করেছেন এবং শুকর ও তার পয়সাকেও হারাম করেছেন। [আবু দাউদ, হা/৩৪৮৭; দার কুতনী, হা/২৮১৬; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১১৩৭১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৩৫৮।]
মদের পাত্র ভেঙ্গে ফেলতে হবে :
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) আবু তালহা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি সেসব ইয়াতীমদের জন্য কিছু মদ ক্রয় করেছি, যারা আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, মদ ফেলে দাও এবং তার পাত্রগুলোও ভেঙ্গে ফেলো। [তিরমিযী, হা/১২৯৩; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৪৫৮১; মিশকাত, হা/৩৬৪৯।]
আবার অন্য বর্ণনায় আছে, আবু তালহা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞেস করলেন, তার তত্ত্বাবধানে যেসব ইয়াতীম আছে, মীরাস সূত্রে তারা কিছু মদের মালিক হয়েছে। (এখন সেগুলো কী করব?) রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, তা ফেলে দাও। আবু তালহা (রাঃ) বললেন, আচ্ছা- আমি কি সেগুলো দ্বারা সিরকা বানাতে পারি? তিনি বললেন, না। [আবু দাউদ, হা/৩৬৭৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২২১০; বায়হাকী, হা/১০৯৮০; মিশকাত, হা/৩৬৪৯।]
কোন ঈমানদার ব্যক্তি মদ্যপান ও মদের ব্যবসা করতে পারে না :
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ، قَالَ : مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلَا يَشْرَبِ الْخَمْرَ، مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ فَلَا يَجْلِسْ عَلٰى مَائِدَةٍ يُشْرَبُ عَلَيْهَا الْخَمْرُ
ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে মদ্যপান করতে পারে না এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে ব্যক্তি সেই দসত্মরখানে (টেবিলে বা স্থানে) বসতে পারে না যেখানে মদ্যপান করা হয়। [মু‘জামূল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১১৩০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৬৯২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭২।]
তওবা করে মদ্যপান ছেড়ে দিলে আল্লাহ পূর্বের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন :
﴿لَيْسَ عَلَى الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيْمَا طَعِمُوْاۤ اِذَا مَا اتَّقَوْا وَّاٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ثُمَّ اتَّقَوْا وَّاٰمَنُوْا ثُمَّ اتَّقَوْا وَّاَحْسَنُوْاؕ وَاللهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِيْنَ﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা পূর্বে যা খেয়েছে তার জন্য তাদের কোন গোনাহ নেই। যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে, পুনরায় সাবধান হয় ও বিশ্বাস স্থাপন করে, পুনরায় সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে; তবে তো আল্লাহ সৎকর্ম পরায়ণশীলদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা মায়েদা- ৯৩)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা আমি আবু তালহার ঘরে কিছু লোককে মদ পরিবেশন করছিলাম। সে সময় মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ ﷺ একজনকে তা প্রচার করতে নির্দেশ দিলেন। ফলে সে প্রচার করছিল। তখন আবু তালহা (রাঃ) বললেন, বাইরে গিয়ে দেখে আসো- এ কিসের শব্দ শোনা যায়। আনাস বলেন, অতঃপর আমি গেলাম এবং শুনে এসে আবু তালহা (রাঃ) কে বললাম- এটা প্রচার করা হচ্ছে যে, মদ হারাম করা হয়েছে। তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি গিয়ে সব মদ ফেলে দাও। আনাস বলেন, সেদিন মদিনার রাসত্মায় রাসত্মায় মদের স্রোত বয়ে যাচ্ছিল। তিনি আরো বলেছেন, সেই সময়ের মদ খেজুর থেকে প্রস্ত্তত করা হতো। এ ঘটনার পর একদল লোক বলা শুরু করলো যে, পেটে মদ নিয়েই তো আগে অনেক লোক শহীদ হয়েছে। (তাদের কি হবে?) আনাস বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা উপরোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। [সহীহ বুখারী, হা/২৪৬৪; সহীহ মুসলিম, হা/৫২৪৬; তিরমিযী, হা/৩০৫০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৪০০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৫৩৫০।]