hadith book logo

নেশাজাত দ্রব্যের বিধান

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২

ভূমিকা

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِهٖ مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اٰلِهٖ وَصَحْبِهٖ اَجْمَعِيْنَ

‘‘নেশাজাত দ্রব্যের বিধান’’ বইটি বের করতে পেরে মহান আল্লাহর অগণিত শুক্রিয়া আদায় করছি। দরূদ ও সালাম পেশ করছি বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর উপর।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মানবজাতিকে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। আর এ লক্ষ্যেই তিনি ঈমানদারদের উপর কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করেছেন। কিছু জিনিসকে তিনি হালাল করেছেন আবার কিছু জিনিসকে করেছেন হারাম। মানুষের শরীর আল্লাহ তা‘আলার একটি বড় নিয়ামত। এর সুস্থতার উপরই নির্ভর করে মানুষের সকল কাজকর্ম। তাই যেসব জিনিস মানুষের শরীরের ক্ষতি করে আল্লাহ তা‘আলা ঐসব বসত্মু হারাম করেছেন। এই হারাম বসত্মুসমূহের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নেশাজাত দ্রব্যসমূহ। এসব নেশাজাত বসত্মু হতে বিরত থাকা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, অনেক লোকই এসব নেশাজাত দ্রব্য ব্যবহার করছে। যার ফলে একদিকে তারা আল্লাহর বিধান লঙ্গন করছে, অপরদিকে নিজেদের শরীরের ক্ষতি সাধন করছে।

মদের ব্যাপারে কুরআন মাজীদে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর একাধিক হাদীসও রয়েছে। কিন্তু অনেকে মদের নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন নামে নেশাজাত দ্রব্য ব্যবহার করছে। আবার অনেকে বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক ইত্যাদি ব্যবহার করছে এবং তারা বলে থাকে যে, এ ব্যাপারে কুরআন-হাদীসে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। অথচ এ ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসের যথেষ্ট দলীল প্রমাণ রয়েছে, যা এসব বসত্মুর ব্যবহারকে নিষেধ করে।

এ গ্রন্থে নেশাজাত দ্রব্যসমূহ ব্যবহারের হুকুম ও এসবের ক্ষতিকর দিকগুলো দলীল-প্রমাণসহ উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে করে এসব হারাম বসত্মু হতে মুসলিম জাতি বিরত থাকতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা সবাইকে হারাম বসত্মুসমূহ ব্যবহার করা থেকে হেফাযত করুন। আমীন

মা‘আস্সালাম

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী