১
নেশাজাত দ্রব্যের বিধান
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
কুরআনের দৃষ্টিতে ধূমপান
ধূমপায়ীদেরকে যখন বলা হয় ইসলামে ধূমপান করা বৈধ নয়, তখন তারা তা মানতে চায় না। অনেকে এটাও বলে- কুরআনে কোথাও বলা হয়নি যে, তোমরা ধূমপান করো না এবং হাদীসের কোথাও নেই যে, ধূমপান করা যাবে না। তাহলে ধূমপান ইসলামী শরীয়তে নিষিদ্ধ হলো কীভাবে? আবার অনেকে বলে থাকে যে, ধূমপান করা হারাম নয়, বরং এটি মাকরূহ। কেননা ধূমপান করলে জ্ঞান লোপ পায় না। আর এ কারণে এটি মাদকেরও অমত্মর্ভুক্ত নয়।
যারা ধূমপান করাকে মাকরূহ মনে করে তাদের উচিত নিম্নোক্ত আয়াতগুলো নিয়ে ভাবা। তাহলে ইসলামে ধূমপানের প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে জানা যাবে-
ধূমপান খারাপ ও খবীস জিনিসের অমত্মর্ভুক্ত :
﴿وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَآئِثَ﴾
তিনি তোমাদের জন্য হালাল করে দেন ভালো ও উত্তম বসত্মুসমূহ এবং হারাম করে দেন খারাপ ও ক্ষতিকর বসত্মুসমূহ। (সূরা আরাফ- ১৫৭)
এ আয়াতের ভিত্তিতে এমন অনেক জিনিস আছে, যা হারাম হিসেবে সাব্যসত্ম হয়েছে। কিন্তু এখানে সেগুলোর প্রত্যেকটির নাম ধরে বলা হয়নি। অতএব এ আয়াতের সূত্রানুযায়ী যেসব জিনিস হালাল বসত্মু হিসেবে সাব্যসত্ম হবে তা হালাল এবং যেসব বসত্মু হারাম ও খাবায়িস এর অমত্মর্ভুক্ত হবে তা হারাম।
ধূমপান আত্মহত্যার সমতুল্য :
﴿وَلَا تُلْقُوْا بِأَيْدِيْكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ﴾
তোমরা নিজেদের জীবন ধ্বংসের সম্মুখীন করো না। (সূরা বাকারা- ১৯৫)
এ আয়াতের দাবীতেও ধূমপান নিষেধ। কেননা ধূমপানের কারণে অনেক জীবন বিধ্বংসী রোগ-ব্যাধি হয়ে থাকে। সুতরাং এটি এক ধরনের আত্মহত্যার শামিল।
ধূমপান জাহান্নামের খাবারের মতো :
আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামীদের খাদ্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন,
﴿لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِيْ مِنْ جُوْعٍ﴾
এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না। (সূরা গাশিয়া- ৭)
ধূমপানের মধ্যে এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, তা পানকারীর পুষ্টির যোগান দেয় না, ক্ষুধাও মিটায় না। সুতরাং ধূমপানের তুলনা জাহান্নামের খাবারের সাথেই করা যায়।
ধূমপানকারীরা শয়তানের ভাই :
যারা ধূমপান করার জন্য সম্পদ খরচ করে তারা শয়তানের ভাই। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ الْمُبَذِّرِيْنَ كَانُوْاۤ إِخْوَانَ الشَّيَاطِيْنِ﴾
তোমরা অপচয় করো না। অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই। (সূরা বনী ইসরাইল- ২৭)
আর এটি এমন একটি অপচয়, যাতে মানুষের জন্য কেবল ক্ষতিই বিদ্যমান।
যারা ধূমপান করাকে মাকরূহ মনে করে তাদের উচিত নিম্নোক্ত আয়াতগুলো নিয়ে ভাবা। তাহলে ইসলামে ধূমপানের প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে জানা যাবে-
ধূমপান খারাপ ও খবীস জিনিসের অমত্মর্ভুক্ত :
﴿وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَآئِثَ﴾
তিনি তোমাদের জন্য হালাল করে দেন ভালো ও উত্তম বসত্মুসমূহ এবং হারাম করে দেন খারাপ ও ক্ষতিকর বসত্মুসমূহ। (সূরা আরাফ- ১৫৭)
এ আয়াতের ভিত্তিতে এমন অনেক জিনিস আছে, যা হারাম হিসেবে সাব্যসত্ম হয়েছে। কিন্তু এখানে সেগুলোর প্রত্যেকটির নাম ধরে বলা হয়নি। অতএব এ আয়াতের সূত্রানুযায়ী যেসব জিনিস হালাল বসত্মু হিসেবে সাব্যসত্ম হবে তা হালাল এবং যেসব বসত্মু হারাম ও খাবায়িস এর অমত্মর্ভুক্ত হবে তা হারাম।
ধূমপান আত্মহত্যার সমতুল্য :
﴿وَلَا تُلْقُوْا بِأَيْدِيْكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ﴾
তোমরা নিজেদের জীবন ধ্বংসের সম্মুখীন করো না। (সূরা বাকারা- ১৯৫)
এ আয়াতের দাবীতেও ধূমপান নিষেধ। কেননা ধূমপানের কারণে অনেক জীবন বিধ্বংসী রোগ-ব্যাধি হয়ে থাকে। সুতরাং এটি এক ধরনের আত্মহত্যার শামিল।
ধূমপান জাহান্নামের খাবারের মতো :
আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামীদের খাদ্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন,
﴿لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِيْ مِنْ جُوْعٍ﴾
এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না। (সূরা গাশিয়া- ৭)
ধূমপানের মধ্যে এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, তা পানকারীর পুষ্টির যোগান দেয় না, ক্ষুধাও মিটায় না। সুতরাং ধূমপানের তুলনা জাহান্নামের খাবারের সাথেই করা যায়।
ধূমপানকারীরা শয়তানের ভাই :
যারা ধূমপান করার জন্য সম্পদ খরচ করে তারা শয়তানের ভাই। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ الْمُبَذِّرِيْنَ كَانُوْاۤ إِخْوَانَ الشَّيَاطِيْنِ﴾
তোমরা অপচয় করো না। অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই। (সূরা বনী ইসরাইল- ২৭)
আর এটি এমন একটি অপচয়, যাতে মানুষের জন্য কেবল ক্ষতিই বিদ্যমান।