১
কবরের প্রশ্ন ও প্রাসংগিক আলোচনা
লেখকঃ মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
আল্লাহকে রব হিসেবে মেনে নেয়ার পুরস্কার
আল্লাহকে রব হিসেবে মেনে নেয়ার পুরস্কার হলো জান্নাতে মেহমানদারী।
সূরা নং ৪১, সূরা হা-মীম সিজদাহ এর ৩০-৩৩ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
اِنَّ الَّذِيْنَ قَالُوْا رَبُّنَا اللهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوْا تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ الْمَلَآئِكَةُ اَلَّا تَخَافُوْا وَلَا تَحْزَنُوْا وَاَبْشِرُوْا بِالْجَنَّةِ الَّتِيْ كُنْتُمْ تُوْعَدُوْنَ
নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের রব আল্লাহ অতঃপর অটল অবিচল থাকে তাদের প্রতি মালাইকা নাযিল হয় (আর বলে), তোমরা ভয় পেয়ো না, চিন্তিতও হয়ো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।
نَحْنُ اَوْلِيَآؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْاٰخِرَةِ وَلَكُمْ فِيْهَا مَا تَشْتَهِيْۤ اَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيْهَا مَا تَدَّعُوْنَ
আমরা দুনিয়ার জীবনেও তোমাদের বন্ধু ছিলাম আর আখেরাতেও, সেখানে তোমাদের জন্য তাই থাকবে যা কিছু তোমরা চাইবে এবং তোমাদের জন্য সেখানে আরো থাকবে যা তোমরা দাবী করবে,
نُزُلًامِّنْغَفُوْرٍرَّحِيْمٍ
পরম ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়নস্বরূপ।
وَمَنْ اَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّنْ دَعَاۤ اِلَى اللهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَّقَالَ اِنَّنِيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
আর তার কথার চেয়ে কার কথা উত্তম হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, নিজেও নেক আমল করে আর বলে, নিশ্চয় আমি মুসলিমদের একজন।
আল্লাহকে যারা রব হিসেবে চিনবে ও মেনে চলবে তারা মৃত্যুর সময়ই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন,
يَاۤ اَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ (২৭) اِرْجِعِيْۤ اِلٰى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً (২৮) فَادْخُلِيْ فِيْ عِبَادِيْ (২৯) وَادْخُلِيْ جَنَّتِيْ (৩০)
হে প্রশান্ত (চিন্তামুক্ত/উদ্বেগশূণ্য) আত্মা, তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টি সহকারে, অতঃপর আমার (নেককার) বান্দাদের শামিল হয়ে যাও আর জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা ৮৯/ফাজরঃ ২৭-৩০)
তবে শর্ত হলো তাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত অটল অবিচল থাকতে হবে যে জীবনে যত কষ্টই হোক আমরা আল্লাহর বিধান ছাড়া আর কোন বিধান মানব না যেমনটি মুসা (আঃ) মুজেজা দেখে ফেরাউনের যাদুকররা অবিচল ছিল, অবিচল ছিল সাহাবী (রদিঃ) গণ।সূরা আরাফ এর ১২০-১২৬ আয়াত,সূরা শুআরা ৪৬-৫১ আয়াত ও সূরা হিজরের সর্বশেষ আয়াত দেখুন।
সূরা নং ৪১, সূরা হা-মীম সিজদাহ এর ৩০-৩৩ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
اِنَّ الَّذِيْنَ قَالُوْا رَبُّنَا اللهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوْا تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ الْمَلَآئِكَةُ اَلَّا تَخَافُوْا وَلَا تَحْزَنُوْا وَاَبْشِرُوْا بِالْجَنَّةِ الَّتِيْ كُنْتُمْ تُوْعَدُوْنَ
নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের রব আল্লাহ অতঃপর অটল অবিচল থাকে তাদের প্রতি মালাইকা নাযিল হয় (আর বলে), তোমরা ভয় পেয়ো না, চিন্তিতও হয়ো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।
نَحْنُ اَوْلِيَآؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْاٰخِرَةِ وَلَكُمْ فِيْهَا مَا تَشْتَهِيْۤ اَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيْهَا مَا تَدَّعُوْنَ
আমরা দুনিয়ার জীবনেও তোমাদের বন্ধু ছিলাম আর আখেরাতেও, সেখানে তোমাদের জন্য তাই থাকবে যা কিছু তোমরা চাইবে এবং তোমাদের জন্য সেখানে আরো থাকবে যা তোমরা দাবী করবে,
نُزُلًامِّنْغَفُوْرٍرَّحِيْمٍ
পরম ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়নস্বরূপ।
وَمَنْ اَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّنْ دَعَاۤ اِلَى اللهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَّقَالَ اِنَّنِيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
আর তার কথার চেয়ে কার কথা উত্তম হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, নিজেও নেক আমল করে আর বলে, নিশ্চয় আমি মুসলিমদের একজন।
আল্লাহকে যারা রব হিসেবে চিনবে ও মেনে চলবে তারা মৃত্যুর সময়ই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন,
يَاۤ اَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ (২৭) اِرْجِعِيْۤ اِلٰى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً (২৮) فَادْخُلِيْ فِيْ عِبَادِيْ (২৯) وَادْخُلِيْ جَنَّتِيْ (৩০)
হে প্রশান্ত (চিন্তামুক্ত/উদ্বেগশূণ্য) আত্মা, তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টি সহকারে, অতঃপর আমার (নেককার) বান্দাদের শামিল হয়ে যাও আর জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা ৮৯/ফাজরঃ ২৭-৩০)
তবে শর্ত হলো তাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত অটল অবিচল থাকতে হবে যে জীবনে যত কষ্টই হোক আমরা আল্লাহর বিধান ছাড়া আর কোন বিধান মানব না যেমনটি মুসা (আঃ) মুজেজা দেখে ফেরাউনের যাদুকররা অবিচল ছিল, অবিচল ছিল সাহাবী (রদিঃ) গণ।সূরা আরাফ এর ১২০-১২৬ আয়াত,সূরা শুআরা ৪৬-৫১ আয়াত ও সূরা হিজরের সর্বশেষ আয়াত দেখুন।