১
হারাম শরীফের দেশ ফজিলত ও আহকাম
লেখকঃ দা‘ওয়াহ ও উসূলুদ্দীন ফ্যাকাল্টি, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
১০. মক্কা নগরীতে কাফের ও মুশরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ :
আল্লাহর নিরাপদ শহর মক্কার বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সুতরাং কোন ইয়াহুদী ও নাসারা বা অন্যান্য যেমন ইয়াহুদী-নাসারাকে এ নগরে বসবাসের অনুমতি নেই। কারণ এ পর্যায়ের মুশরিকগণ সম্পন্ন নাপাক। আর আল্লাহর ঘর হচ্ছে পাক ও পবিত্র। অতএব নাপাক লোককে পবিত্র ঘরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া যায় না।
আল্লাহ (তাআলা) এরশাদ করেছেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِنَّمَا الْمُشْرِكُونَ نَجَسٌ فَلَا يَقْرَبُوا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ بَعْدَ عَامِهِمْ هَذَا وَإِنْ خِفْتُمْ عَيْلَةً فَسَوْفَ يُغْنِيكُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ إِنْ شَاءَ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
‘‘হে ঈমানদারগণ! মুশরিকগণ সম্পূর্ণ নাপাক। অতএব তারা যেন এ বছরের পর হতে মসজিদুল হারামের কাছে না যায়। আর যদি তোমরা দারিদ্রে্যর আশঙ্কা কর তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুণায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান।’’ [সূরা তাওবাঃ ২৮।]
মহান আল্লাহর নির্দেশটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আল্লাহর নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) নবম হিজরি সালে আবূ বকর (রাঃ)-কে মক্কায় পাঠালেন এ ঘোষণা দেয়ার জন্যে যে,
أَنْ لاَ يَحُجُّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ .
‘‘এ বছরের পর কোন মুশরিক হজ করতে পারবে না এবং উলঙ্গাবস্থায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করতে পারবে না।’’ [সহীহ বুখারী- হাদীস নং ১৬২২।]
কুরতুবী (রহ.) বলেন, সমস্ত ওলামার ঐকমত্য হচ্ছে যে, মুশরিকদের জন্য হারাম এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ। এমনকি তাদের পক্ষ থেকে যদি কোন দূত আসে তাহলে তার কথা শোনার জন্য রাষ্ট্রনায়ক মক্কার হারামের বাইরে অর্থাৎ হিল্-এ যাবেন। যদি কোন মুশরিক গোপনে সেখানে ঢুকে, অতঃপর সে মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার কবর খোদাই করে তার মরদেহ ও হাড়-মাংস বের করে বাইরে নিয়ে যেতে হবে। [তাফসীর কুরতুবী- ৮/১০৪ পৃঃ।]
এই আয়াতে মসজিদুল হারাম বলতে হারামের সমগ্র এলাকাকে বোঝানো হয়েছে। কেবল কাবা ঘরের পরিপার্শ্বের মসজিদই নয়। এই আয়াত দ্বারা কতক ওলামা হারাম শরীফে সালাত আদায়ের কয়েকগুণ সাওয়াবের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, চতুষ্পার্শ্ব বেষ্টিত মসজিদ শুধু না বরং সমস্ত হারাম এলাকা এ সাওয়াবের আওতাধীন রয়েছে। কেননা আল্লাহ (তাআলা) মসজিদুল হারাম বলতে সমস্ত হারাম এলাকা বুঝিয়েছেন। (বিষয়টি ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে)
আল্লাহ (তাআলা) এরশাদ করেছেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِنَّمَا الْمُشْرِكُونَ نَجَسٌ فَلَا يَقْرَبُوا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ بَعْدَ عَامِهِمْ هَذَا وَإِنْ خِفْتُمْ عَيْلَةً فَسَوْفَ يُغْنِيكُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ إِنْ شَاءَ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
‘‘হে ঈমানদারগণ! মুশরিকগণ সম্পূর্ণ নাপাক। অতএব তারা যেন এ বছরের পর হতে মসজিদুল হারামের কাছে না যায়। আর যদি তোমরা দারিদ্রে্যর আশঙ্কা কর তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুণায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান।’’ [সূরা তাওবাঃ ২৮।]
মহান আল্লাহর নির্দেশটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আল্লাহর নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) নবম হিজরি সালে আবূ বকর (রাঃ)-কে মক্কায় পাঠালেন এ ঘোষণা দেয়ার জন্যে যে,
أَنْ لاَ يَحُجُّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ .
‘‘এ বছরের পর কোন মুশরিক হজ করতে পারবে না এবং উলঙ্গাবস্থায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করতে পারবে না।’’ [সহীহ বুখারী- হাদীস নং ১৬২২।]
কুরতুবী (রহ.) বলেন, সমস্ত ওলামার ঐকমত্য হচ্ছে যে, মুশরিকদের জন্য হারাম এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ। এমনকি তাদের পক্ষ থেকে যদি কোন দূত আসে তাহলে তার কথা শোনার জন্য রাষ্ট্রনায়ক মক্কার হারামের বাইরে অর্থাৎ হিল্-এ যাবেন। যদি কোন মুশরিক গোপনে সেখানে ঢুকে, অতঃপর সে মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার কবর খোদাই করে তার মরদেহ ও হাড়-মাংস বের করে বাইরে নিয়ে যেতে হবে। [তাফসীর কুরতুবী- ৮/১০৪ পৃঃ।]
এই আয়াতে মসজিদুল হারাম বলতে হারামের সমগ্র এলাকাকে বোঝানো হয়েছে। কেবল কাবা ঘরের পরিপার্শ্বের মসজিদই নয়। এই আয়াত দ্বারা কতক ওলামা হারাম শরীফে সালাত আদায়ের কয়েকগুণ সাওয়াবের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, চতুষ্পার্শ্ব বেষ্টিত মসজিদ শুধু না বরং সমস্ত হারাম এলাকা এ সাওয়াবের আওতাধীন রয়েছে। কেননা আল্লাহ (তাআলা) মসজিদুল হারাম বলতে সমস্ত হারাম এলাকা বুঝিয়েছেন। (বিষয়টি ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে)