১
সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়
লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
২২- পেশাব ও পায়খানার বেগ নিয়ে সালাত আদায় করবে না:
নিশ্চিতভাবে এ কথা বলা যায়, কোনো ব্যক্তি যখন পায়খানা ও পেশাবকে আটকে রেখে সালাত আদায় করে, তা সালাতে খুশুতে বিঘ্ন ঘটায়। এ কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা পেশাবের বেগ নিয়ে সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। হাদিসে বর্ণিত,
( نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يصلي الرجل وهو حاقن )
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাবকে আটকে রেখে সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেন”। [ইবনু মাজাহ্, হাদিস নং ৬১৭। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ৬৮৩২। হাকেন অর্থ, পায়খানার বেগ হলে পায়খানা না করে তা আটকে রাখা।]
সুতরাং কারো যদি পায়খানা বা পেশাবের বেগ হয়, তখন তার করণীয় হল, সে তার প্রয়োজন সেরে নেয়ার জন্য বাথরুমে যাবে যদিও জামাতে সালাত আদায় ছুটে যায়। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إذا أراد أحدكم أن يذهب الخلاء وقامت الصلاة فليبدأ بالخلاء» .
“যখন তোমাদের কেউ পায়খানায় যেতে চায় এবং সালাতের একামত হয়, তখন সে প্রথমে পায়খানা সেরে নেবে”। [আবু দাউদ, হাদিস: ৮৮। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ২৯৯।]
বরং যখন এ ধরনের কোনো সমস্যা সালাতের মাঝখানে দেখা দেয়, তখন সে পায়খানা বা পেশাব করার জন্য সালাত ছেড়ে দেবে। তারপর অজু করবে এবং সালাত আদায় করবে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا صلاة بحضرة طعام ولا وهو يدافعه الأخبثان»
“খাবারের উপস্থিতিতে কোনো সালাত নেই এবং পায়খানা ও পেশাবকে প্রতিহত করা অবস্থায় কোনো সালাত নেই”। [মুসলিম, হাদিস: ৫৬০।] এ ধরনের প্রতিহত করা অবশ্যই সালাতের খুশু‘ খুজু বিনষ্ট করে। বায়ূ চেপে রাখাও এ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত।
( نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يصلي الرجل وهو حاقن )
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাবকে আটকে রেখে সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেন”। [ইবনু মাজাহ্, হাদিস নং ৬১৭। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ৬৮৩২। হাকেন অর্থ, পায়খানার বেগ হলে পায়খানা না করে তা আটকে রাখা।]
সুতরাং কারো যদি পায়খানা বা পেশাবের বেগ হয়, তখন তার করণীয় হল, সে তার প্রয়োজন সেরে নেয়ার জন্য বাথরুমে যাবে যদিও জামাতে সালাত আদায় ছুটে যায়। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إذا أراد أحدكم أن يذهب الخلاء وقامت الصلاة فليبدأ بالخلاء» .
“যখন তোমাদের কেউ পায়খানায় যেতে চায় এবং সালাতের একামত হয়, তখন সে প্রথমে পায়খানা সেরে নেবে”। [আবু দাউদ, হাদিস: ৮৮। সহীহুল জামে‘, হাদিস: ২৯৯।]
বরং যখন এ ধরনের কোনো সমস্যা সালাতের মাঝখানে দেখা দেয়, তখন সে পায়খানা বা পেশাব করার জন্য সালাত ছেড়ে দেবে। তারপর অজু করবে এবং সালাত আদায় করবে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا صلاة بحضرة طعام ولا وهو يدافعه الأخبثان»
“খাবারের উপস্থিতিতে কোনো সালাত নেই এবং পায়খানা ও পেশাবকে প্রতিহত করা অবস্থায় কোনো সালাত নেই”। [মুসলিম, হাদিস: ৫৬০।] এ ধরনের প্রতিহত করা অবশ্যই সালাতের খুশু‘ খুজু বিনষ্ট করে। বায়ূ চেপে রাখাও এ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত।