১
সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়
লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
২৪- কথা বলায় মগ্ন বা ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করবে না
কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের পিছনে সালাত আদায় হতে নিষেধ করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করে বলেন,
«لا تصلوا خلف النائم ولا المتحدث»
“তোমরা কথায় মগ্ন ব্যক্তি এবং ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করো না। [আবু দাউদ, হাদিস:৬৯৪; সহীহুল জামে‘ হাদিস ৩৭৫। তিনি বলেন, হাদিসটি হাসান।]”
কারণ, কথায় মগ্ন ব্যক্তি তার কথা দ্বারা সালাত আদায়কারীকে অমনোযোগী করে দিবে, আর ঘুমন্ত ব্যক্তি দ্বারা এমন কিছু প্রকাশ পায় যা সালাতে বিঘ্ন ঘটায়।
আল্লামা খাত্তাবী রহ. বলেন, ইমাম শাফেয়ী ও ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. কথায় মগ্ন লোকদের সামনে রেখে সালাত আদায়কে অপছন্দ করেন। কারণ, তাদের কথা একজন মুসল্লিকে তার সালাত থেকে বিরত রাখতে পারে। [‘আওনুল মাবুদ: ২/৩৮৮।]
ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করা মাকরূহ ও নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে প্রমাণগুলোকে কতক আহলে ইলম দুর্বল আখ্যায়িত করেন। তাদের মধ্যে একজন ইমাম আবু দাউদ; তিনি তার সুনানে আবু দাউদে সালাত অধ্যায়, বিতরের সালাত পরিচ্ছেদ ও দো‘আ পরিচ্ছেদে বিষয়টি উল্লেখ করেন। [দেখুন, ফতহুল বারী, সালাত অধ্যায়।] অনুরূপভাবে ইবন হাজার রহ. তার ফাতহুল বারীর শারহু বাবিস সালাত খালফান নায়েম, কিতাবুস সালাত।
ইমাম বুখারি স্বীয় সহীহ গ্রন্থে ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় পরিচ্ছেদে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার হাদিস বর্ণনা করেন, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন,
كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي وأنا راقدة معترضة على فراشه ..
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিছানায় শুয়ে থাকতাম, আর তিনি সালাত আদায় করতেন। [বুখারি, সালাত অধ্যায়।]
মুসল্লিকে সালাতে মনোযোগ দেয়া থেকে বিরত রাখে এমন কোনো বিষয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তখনই কেবল মুজাহিদ, তাউস ও ইমাম মালেক ঘুমন্ত ব্যক্তির দিকে সালাত আদায়কে মাকরূহ বলেছেন। [দেখুন, ফতহুল বারী, উল্লেখিত সূত্র।]
আর যদি এ ধরনের কোনো বিষয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা না থাকে তাহলে ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় মাকরূহ হবে না। আল্লাহই ভালো জানেন।
«لا تصلوا خلف النائم ولا المتحدث»
“তোমরা কথায় মগ্ন ব্যক্তি এবং ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করো না। [আবু দাউদ, হাদিস:৬৯৪; সহীহুল জামে‘ হাদিস ৩৭৫। তিনি বলেন, হাদিসটি হাসান।]”
কারণ, কথায় মগ্ন ব্যক্তি তার কথা দ্বারা সালাত আদায়কারীকে অমনোযোগী করে দিবে, আর ঘুমন্ত ব্যক্তি দ্বারা এমন কিছু প্রকাশ পায় যা সালাতে বিঘ্ন ঘটায়।
আল্লামা খাত্তাবী রহ. বলেন, ইমাম শাফেয়ী ও ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. কথায় মগ্ন লোকদের সামনে রেখে সালাত আদায়কে অপছন্দ করেন। কারণ, তাদের কথা একজন মুসল্লিকে তার সালাত থেকে বিরত রাখতে পারে। [‘আওনুল মাবুদ: ২/৩৮৮।]
ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করা মাকরূহ ও নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে প্রমাণগুলোকে কতক আহলে ইলম দুর্বল আখ্যায়িত করেন। তাদের মধ্যে একজন ইমাম আবু দাউদ; তিনি তার সুনানে আবু দাউদে সালাত অধ্যায়, বিতরের সালাত পরিচ্ছেদ ও দো‘আ পরিচ্ছেদে বিষয়টি উল্লেখ করেন। [দেখুন, ফতহুল বারী, সালাত অধ্যায়।] অনুরূপভাবে ইবন হাজার রহ. তার ফাতহুল বারীর শারহু বাবিস সালাত খালফান নায়েম, কিতাবুস সালাত।
ইমাম বুখারি স্বীয় সহীহ গ্রন্থে ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় পরিচ্ছেদে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার হাদিস বর্ণনা করেন, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন,
كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي وأنا راقدة معترضة على فراشه ..
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিছানায় শুয়ে থাকতাম, আর তিনি সালাত আদায় করতেন। [বুখারি, সালাত অধ্যায়।]
মুসল্লিকে সালাতে মনোযোগ দেয়া থেকে বিরত রাখে এমন কোনো বিষয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তখনই কেবল মুজাহিদ, তাউস ও ইমাম মালেক ঘুমন্ত ব্যক্তির দিকে সালাত আদায়কে মাকরূহ বলেছেন। [দেখুন, ফতহুল বারী, উল্লেখিত সূত্র।]
আর যদি এ ধরনের কোনো বিষয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা না থাকে তাহলে ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় মাকরূহ হবে না। আল্লাহই ভালো জানেন।