hadith book logo

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়

লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩২

২৩-যখন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়, তখন সালাত আদায় না করা:

আনাস ইবন মালেক থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«إذا نعس أحدكم في الصلاة فلينم حتى يعلم ما يقول»

“যখন তোমাদের কারো সালাতের মধ্যে তন্দ্রা আসে, সে যেন ঘুমিয়ে পড়ে; যতক্ষণ না সে কি বলে তা বুঝতে পারে। অর্থাৎ শুয়ে পড়বে, যাতে সালাতে ঘুমাতে না হয়”। [বুখারি, হাদিস: ২১০।]

এখানে কারণও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«إذا نعس أحدكم و هو يصلي فليرقد ، حتى يذهب عنه النوم فإن أحدكم إذا صلى وهو ناعس لا يدري لعله يستغفر فيسب نفسه» .

যখন তোমাদের কারো সালাতে তন্দ্রা আসে, সে যেন শুয়ে পড়ে। যতক্ষণ না তার ঘুম দূর হয়ে যায়। কারণ, যখন তোমাদের কেউ তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে সালাত আদায় করে, তখন সে কি বলবে, তা বুঝতে পারে না। হতে পারে সে ক্ষমা চাচ্ছে, কিন্তু সে নিজেকে গালি দিয়ে বসছে। [বুখারি হাদিস নং ২০৯।]

এ ধরনের সমস্যা রাতের সালাত তথা তাহাজ্জুদের মধ্যেও হতে পারে, আর দেখা গেল দো‘আ কবুল হওয়ার সময়, না জেনে সে তার নিজেরই বিরুদ্ধে দো‘আ করে বসল। আর যখন ঘুমানোর পরে সালাত আদায় করার পর্যাপ্ত সময় থাকে, তখন এ হাদিস ফরয সালাতকেও অন্তর্ভুক্ত করে। [ফতহুল বারী, কিতাবুল ওজুর ব্যাখ্যা, পরিচ্ছেদ: ঘুম হতে জেগে ওজু করা বিষয়ে আলোচনা। অর্থাৎ ফরয সালাতেও যদি কারও ঘুম বা তন্দ্রা আসে, তবে সে যেন ঘুমিয়ে নেয়, তবে তা হবে পর্যাপ্ত সময় অবশিষ্ট থাকা অবস্থায়। নতুবা ঘুম তাড়িয়ে ফরয সালাত সময়মত আদায় করতে হবে। [সম্পাদক]]