১
সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়
লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
(১) সালাত আদায়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা ও তৈরি থাকা:
সালাত আদায়ের জন্য প্রস্তুতি কয়েক ভাবে হতে পারে-
মুয়াজ্জিনের সাথে আযানের শব্দগুলো বলা।
আযানের পর দো‘আ পড়া-
اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة ، آت محمدا الوسيلة والفضيلة وابعثه المقام المحمود الذي وعدته "
“হে আল্লাহ্, এ পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের আপনিই রব। আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দান করুন সর্ব উত্তম মাধ্যম ও মহান মর্যাদা। আর আপনি তাকে পৌছান ঐ প্রশংসিত স্থানে যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাকে দিয়েছেন।
আযান ও ইকামতের মাঝে দো‘আ করা।
সুন্দর করে ওজু করা।
ওজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা।
ওজুর পরে দো‘আ এ দো‘আ পড়া-
أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله . ( اللهم اجعلني من التوابين واجعلني من المتطهرين ).
“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই। আর আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন”।
মিসওয়াকের ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করা, আর তা হচ্ছে, মুখকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, যা দ্বারা একটু পরে সালাতের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াত করা হবে। কারণ, হাদিসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«طهروا أفواهكم للقرآن»
অর্থাৎ তোমরা তোমাদের মুখকে কুরআনের জন্য পরিষ্কার কর। [বাযযার রহ.। তিনি বলেন, আলী রা. হতে এ সনদের থেকে উত্তম আর কোন বর্ণনা আমি জানি না। দেখুন: কাশফুল আসতার। আল্লামা হাইসামী রহ. বলেন, হাদিসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, পৃ: ২/৯৯, আল্লামা আলবানী রহ. বলেন, হাদিসটির সনদ উত্তম, দেখুন: আল-আহাদিসুস সাহীহা: পৃ: ১২১৩।]
সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা। এ বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ۞يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ﴾ [ الاعراف : ٣١ ]
“হে আদম সন্তান, তোমরা তোমাদের সৌন্দর্যকে প্রত্যেক সালাতের সময় গ্রহণ কর”। [সূরা আ‘রাফ, আয়াত: ৩১।] আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সামনে দাঁড়ানোর সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দর, পরিষ্কার ও সুঘ্রাণ যুক্ত কাপড় পরিধান করার কারণে মানুষের অন্তরে খুশির উদ্রেক হয়। যা ঘুমের পোষাক বা কাজের পোষাক দ্বারা অর্জিত হয় না।
অনুরূপভাবে সতর ডাকার মাধ্যমে প্রস্তুতি নেওয়া।
সালাতের স্থানের পবিত্রতার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া।
আগে আগে সালাতে উপস্থিত হওয়া।
সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকা।
সালাতের কাতার সোজা করা, মাঝখানে কোনো ফাঁক না থাকা, কারণ কাতারের মধ্যস্থ ফাঁকগুলোতে শয়তান ঢুকে পড়ে।
মুয়াজ্জিনের সাথে আযানের শব্দগুলো বলা।
আযানের পর দো‘আ পড়া-
اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة ، آت محمدا الوسيلة والفضيلة وابعثه المقام المحمود الذي وعدته "
“হে আল্লাহ্, এ পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের আপনিই রব। আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দান করুন সর্ব উত্তম মাধ্যম ও মহান মর্যাদা। আর আপনি তাকে পৌছান ঐ প্রশংসিত স্থানে যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাকে দিয়েছেন।
আযান ও ইকামতের মাঝে দো‘আ করা।
সুন্দর করে ওজু করা।
ওজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা।
ওজুর পরে দো‘আ এ দো‘আ পড়া-
أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله . ( اللهم اجعلني من التوابين واجعلني من المتطهرين ).
“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই। আর আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন”।
মিসওয়াকের ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করা, আর তা হচ্ছে, মুখকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, যা দ্বারা একটু পরে সালাতের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াত করা হবে। কারণ, হাদিসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«طهروا أفواهكم للقرآن»
অর্থাৎ তোমরা তোমাদের মুখকে কুরআনের জন্য পরিষ্কার কর। [বাযযার রহ.। তিনি বলেন, আলী রা. হতে এ সনদের থেকে উত্তম আর কোন বর্ণনা আমি জানি না। দেখুন: কাশফুল আসতার। আল্লামা হাইসামী রহ. বলেন, হাদিসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, পৃ: ২/৯৯, আল্লামা আলবানী রহ. বলেন, হাদিসটির সনদ উত্তম, দেখুন: আল-আহাদিসুস সাহীহা: পৃ: ১২১৩।]
সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা। এ বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ۞يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ﴾ [ الاعراف : ٣١ ]
“হে আদম সন্তান, তোমরা তোমাদের সৌন্দর্যকে প্রত্যেক সালাতের সময় গ্রহণ কর”। [সূরা আ‘রাফ, আয়াত: ৩১।] আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সামনে দাঁড়ানোর সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দর, পরিষ্কার ও সুঘ্রাণ যুক্ত কাপড় পরিধান করার কারণে মানুষের অন্তরে খুশির উদ্রেক হয়। যা ঘুমের পোষাক বা কাজের পোষাক দ্বারা অর্জিত হয় না।
অনুরূপভাবে সতর ডাকার মাধ্যমে প্রস্তুতি নেওয়া।
সালাতের স্থানের পবিত্রতার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া।
আগে আগে সালাতে উপস্থিত হওয়া।
সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকা।
সালাতের কাতার সোজা করা, মাঝখানে কোনো ফাঁক না থাকা, কারণ কাতারের মধ্যস্থ ফাঁকগুলোতে শয়তান ঢুকে পড়ে।