১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
শিক্ষাখাতের অধিকার
ইসলামে জ্ঞান ও শিক্ষার এবং জ্ঞানী ও শিক্ষিত লোকদের মর্যাদা সর্বোচ্চ। ইসলাম মানুষকে জ্ঞান লাভের জন্যে তৎপর হতে, জ্ঞান বৃদ্ধির জন্যে চেষ্টা করতে ও সে জন্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে নির্দেশ দিয়েছে। কুরআন মাজীদে ইরশাদ করা হয়েছেঃ
(আরবী)
“ তুমি বলো হে, আল্লাহ আমার জ্ঞান ও বিদ্যা বাড়িয়ে দাও। ”
আর আমল কবুল হওয়ার জন্যে ইলম তো একান্তেই জরুরী। কেননা সে কেবল আল্লাহর কাছে কবুল হতে পারে, যা হবে খালেস ভাবে কেবল মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্য, যা হবে শরীয়তের বিধান মোতাবেক নির্ভুল ও সঠিক। আর ইলম জ্ঞান ও বিদ্যা ছাড়া এরূপ হওয়া সম্ভব নয়।
ইলম ও কয়েক প্রকারের রয়েছে। কিছু ইলম তো অর্জন করাতো ‘ফরজে আইন’। যেমন আকীদা ও ইবাদত সংক্রান্ত ইলম। আর কতক রয়েছে ‘ফরযে কেফায়া’। এ জ্ঞান সাধারণ ভাবে সমাজ ও জাতির লোকদের কারো মধ্যে থাকলেই হলো। মানুষের দ্বীনের বিস্তারিত রূপ, শিল্প ব্যবসায়-বাণিজ্যে, রাষ্ট্র শাসন বিধি, আইন কানুন ইত্যাদি সংক্রান্ত জ্ঞান এ পর্যায়ে গণ্য। এসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনও জরুরী বটে, এবং রাষ্ট্রের কর্তব্য হলো জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে জনগণের মধ্যে এ সব জ্ঞান বিস্তারের জন্যে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহন করা। নবী করিম স: এর কর্ম পদ্ধতি থেকে এ পর্যায়ে সরকারী দায়িত্বের কথা স্পষ্ট হয়ে উঠে। বদর যুদ্ধে যেসব কুরাইশ বন্দী হয়েছিল তাদের মুক্তিপণ হিসাবে ঠিক করে দেয়া হয়েছিল, প্রত্যেক লেখাপড়া যানা বন্ধী অন্তত দশজন মুসলমানকে লেখাপড়া শেখাবে কেন না তখন মুসলমানদের মধ্যে লেখাপড়া জানা লোকদের সংখ্যা অত্যন্ত কম ছিল। রাসূলে করীম সা: রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে লোকদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্য এরূপ ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রয়োজনবোধ করেছিলেন।
(আরবী)
“ তুমি বলো হে, আল্লাহ আমার জ্ঞান ও বিদ্যা বাড়িয়ে দাও। ”
আর আমল কবুল হওয়ার জন্যে ইলম তো একান্তেই জরুরী। কেননা সে কেবল আল্লাহর কাছে কবুল হতে পারে, যা হবে খালেস ভাবে কেবল মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্য, যা হবে শরীয়তের বিধান মোতাবেক নির্ভুল ও সঠিক। আর ইলম জ্ঞান ও বিদ্যা ছাড়া এরূপ হওয়া সম্ভব নয়।
ইলম ও কয়েক প্রকারের রয়েছে। কিছু ইলম তো অর্জন করাতো ‘ফরজে আইন’। যেমন আকীদা ও ইবাদত সংক্রান্ত ইলম। আর কতক রয়েছে ‘ফরযে কেফায়া’। এ জ্ঞান সাধারণ ভাবে সমাজ ও জাতির লোকদের কারো মধ্যে থাকলেই হলো। মানুষের দ্বীনের বিস্তারিত রূপ, শিল্প ব্যবসায়-বাণিজ্যে, রাষ্ট্র শাসন বিধি, আইন কানুন ইত্যাদি সংক্রান্ত জ্ঞান এ পর্যায়ে গণ্য। এসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনও জরুরী বটে, এবং রাষ্ট্রের কর্তব্য হলো জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে জনগণের মধ্যে এ সব জ্ঞান বিস্তারের জন্যে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহন করা। নবী করিম স: এর কর্ম পদ্ধতি থেকে এ পর্যায়ে সরকারী দায়িত্বের কথা স্পষ্ট হয়ে উঠে। বদর যুদ্ধে যেসব কুরাইশ বন্দী হয়েছিল তাদের মুক্তিপণ হিসাবে ঠিক করে দেয়া হয়েছিল, প্রত্যেক লেখাপড়া যানা বন্ধী অন্তত দশজন মুসলমানকে লেখাপড়া শেখাবে কেন না তখন মুসলমানদের মধ্যে লেখাপড়া জানা লোকদের সংখ্যা অত্যন্ত কম ছিল। রাসূলে করীম সা: রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে লোকদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্য এরূপ ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রয়োজনবোধ করেছিলেন।