১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
সরকার প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা
দ্বিতীয়ঃ বস্তুত মানুষ নিজে যদি কাজ করতে ও তার মাধ্যমে স্বীয় মৌলিক প্রয়োজন পূরণ পরিমাণ উপার্জন করতে সক্ষম হয়, তাহলে সে যেমন ভিক্ষা করবে না তেমনি কোনরূপ সরকারী সাহায্যের ও মুখাপেক্ষী হবে না। আর কাজ করাই যখন শরীয়তের দৃষ্টিতে বাঞ্ছনীয় এবং ভিক্ষা করা যখন ঘৃণ্য, পরিত্যাজ্য; আর ইসলামী রাষ্ট্রর যখন দায়িত্বই হলো যা শরীয়তের দৃষ্টিতে ভালো তাকে বাস্তবায়িত করা এবং যা শরীয়তের দৃষ্টিতে মন্দ তাকে নির্মূল করা তখন ইসলামী রাষ্ট্রর এ দায়িত্ব সু স্পষ্ট যে যখন ঘৃণ্য পরিত্যাজ্য আর ইসলামী রাষ্ট্রের যখন দায়িত্বই হলো যা শরীয়তের দৃষ্টিতে ভালো তাকে বাস্তবায়িত করা এবং যা শরীয়তের দৃষ্টিতে মন্দ তাকে নির্মূল করা তখন ইসলামী রাষ্ট্রর এ দায়িত্ব সুস্পষ্ট যে, নাগরিদের জন্যে কাজ করে উপার্জন করার পথ সুগম ও সহজ করে দেবে। অতএব নানা কাজের উদ্ভাবন করে বেকার লোকদের জন্যে কাজের ব্যবস্থা করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সেই সাথে বায়তুলমালের ধন সম্পদ বিলাসিতায় বা বিনা প্রয়োজনে ব্যয় করা কিংবা অকল্যাণ কর কাজে অর্থ বিনিয়োগ করা বন্দ করতে হবে। নাগরিকদের কোনো না কোনো রোজগার বিনিয়োগের জন্যে বায়তুলমাল থেকে ব্যক্তিগত – দানের প্রয়োজন হলে তাও দিতে হবে। কেননা ভিক্ষা দানের অপেক্ষা দান খুবই শ্রেয়। ইমাম আবু ইউসুফ রা: বলেছেনঃ
(আরবী)
খারাজি জমির মালিক যদি দরিদ্রতা বশত জমি চাষ করতে অক্ষম হয় তাহলে তাকে বায়তুলমাল থেকে ঋণ দিতে হবে, যেন সে শ্রম করে জমিতে ফসল ফলাতে পারে”। ইবনে আবেদীন ৩য় খন্ড, ৩৬৪ পৃ.
(আরবী)
খারাজি জমির মালিক যদি দরিদ্রতা বশত জমি চাষ করতে অক্ষম হয় তাহলে তাকে বায়তুলমাল থেকে ঋণ দিতে হবে, যেন সে শ্রম করে জমিতে ফসল ফলাতে পারে”। ইবনে আবেদীন ৩য় খন্ড, ৩৬৪ পৃ.