১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
ব্যক্তির অধিকার আদায়ে শরীয়তের বিধান
ব্যক্তি অধিকার আদায় করার জন্যে ইসলামী শরীয়তে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়িত করা ইসলামী রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ইসলামী রাষ্ট্র এ ব্যাপারে জনগণকে সাধারণ নিরাপত্তার কথা ঘোষণা করে। এ জন্যে যে ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে তা কয়েক পর্যায়ে বিভক্ত:
প্রথম: ব্যক্তির শ্রম ও কাজ। এ পর্যায়ে মৌলিক কথা হলো, ইসলামী রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি নাগরিকই নিজের প্রয়োজন নিজে পূরণ করবে। সে, কাজ করবে, উপার্জন করবে। সে জন্যে অপর কোন মানুষের সামনেই ভিক্ষার হাত দরাজ করবে না। কেননা ইসলামের দৃষ্টিতে “ওপরের হাত নিছের হাতের তুলনায় অনেক উত্তম” অতএব গ্রহনের চেয়ে দান ভালো। আর দান সম্ভব হয় যদি ধন থাকে এবং ধন শ্রম ও উপার্জন ব্যতিরেকে হস্তগত হওয়া সম্ভবপর নয়। হাদিস শরীফে উদ্বৃত্ত হয়েছে:
(আরবী)
“ যার হাতে আমার প্রাণ নিবদ্ধ তার নামে কসম করে বলছি, তোমাদের কেউ যদি রশি দিয়ে পাহাড়ে চলে যায় এবং কাষ্ঠ আহরণ করে পিঠের ওপর রেখে বহন করে নিয়ে আসে, তা বিক্রি করে অর্থ রোজগার করে এবং তা দিয়ে নিজের ভরণ-পোষণ চালায়, তবে তা লোকের কাছে ভিক্ষা করার চেয়ে অনেক ভালো ‘
প্রথম: ব্যক্তির শ্রম ও কাজ। এ পর্যায়ে মৌলিক কথা হলো, ইসলামী রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি নাগরিকই নিজের প্রয়োজন নিজে পূরণ করবে। সে, কাজ করবে, উপার্জন করবে। সে জন্যে অপর কোন মানুষের সামনেই ভিক্ষার হাত দরাজ করবে না। কেননা ইসলামের দৃষ্টিতে “ওপরের হাত নিছের হাতের তুলনায় অনেক উত্তম” অতএব গ্রহনের চেয়ে দান ভালো। আর দান সম্ভব হয় যদি ধন থাকে এবং ধন শ্রম ও উপার্জন ব্যতিরেকে হস্তগত হওয়া সম্ভবপর নয়। হাদিস শরীফে উদ্বৃত্ত হয়েছে:
(আরবী)
“ যার হাতে আমার প্রাণ নিবদ্ধ তার নামে কসম করে বলছি, তোমাদের কেউ যদি রশি দিয়ে পাহাড়ে চলে যায় এবং কাষ্ঠ আহরণ করে পিঠের ওপর রেখে বহন করে নিয়ে আসে, তা বিক্রি করে অর্থ রোজগার করে এবং তা দিয়ে নিজের ভরণ-পোষণ চালায়, তবে তা লোকের কাছে ভিক্ষা করার চেয়ে অনেক ভালো ‘