১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৪
বায়তুলমাল থেকে সাহায্য দান
পূর্বোক্ত ব্যবস্থাসমূহে ও যদি জনগণের অভাব মেটানোর জন্যে যথেষ্ট না হয়, তাহলে রাষ্ট্র সরাসরি তার দায়িত্ব গ্রহন করবে এবং সব অভাবগ্রস্থ ব্যক্তির প্রয়োজন পূরণের দায়িত্ব পালন করবে। ব্যক্তির প্রতি সমাজ সমষ্টির যে দায়িত্ব, তা এভাবেই পালিত হতে পারে। অতএব বায়তুলমাল থেকে প্রত্যেক ব্যক্তিকেই গুরুত্ব আরোপ করা হবে। ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেছেনঃ
(আরবী)
“ যাকাত দ্বারা যদি অভাব গ্রস্তদের অভাব মোচন সম্ভব না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় কোষ থেকে তাদের জন্যে অন্যান্য কাজ বাদ দিয়েও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ” আস সিয়াসাতুশ শারইয়া, ইমাম ইবনে তাইমিয়া, ৫৩ পৃ.
এমনকি রাষ্ট্র সরকার যদি এ দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত না হয় তাহলে অভাবগ্রস্তরা সরকারের বিরুদ্ধে সর্ব সর্বোচ্চ আদালতে এজন্যে মামলাও দায়ের করতে পারে। তখন বিচারপতি সরকারকে এ কাজ করতে বাধ্য করবে। ইসলামী আইন বিশারদ ইবনে আবেদিন একথা স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন। তিনি লিখেছেনঃ
(আরবী)
“ বিচারপতি যেমন অক্ষম –দরিদ্র ব্যক্তির প্রয়োজন পূরণের জন্যে তার ধনী অভিভাবক বা নিকট আত্মীয়কে বাধ্য করবে। তেমনি রাষ্ট্রপ্রধানকেও বিচারের মাধ্যমে এজন্যে বাধ্য করবে। ” আত্ তাশরীউল ইসলামী, শায়ক মুহাম্মদ, অবু যোহরা। দরিদ্র জনগণের অভাব মেটানোর ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বের কথা ইসলামের ইতিহাস থেকে ও প্রমাণিত হয়। হযরত ওমর রা: এ দায়িত্বে স্বীকৃতি দিয়েছেন। দূর্ভিক্ষকালে তিনি অভাব গ্রস্তদের জন্যে সরকারী পর্যায়ে খাবার তৈরি করিয়ে ঘোষণা করিয়ে দিয়েছিলেন এ বলে: “যার ইচ্ছা এ খাবার খেয়ে ক্ষুন্নিবৃত্তি করতে পারে, আর যার ইচ্ছা বায়তুলমাল থেকে তার ও তার পরিবারবর্গের প্রয়োজন পরিমাণ সামান সামগ্রী গ্রহন করতে পারে। ”
(আরবী)
“ যাকাত দ্বারা যদি অভাব গ্রস্তদের অভাব মোচন সম্ভব না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় কোষ থেকে তাদের জন্যে অন্যান্য কাজ বাদ দিয়েও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ” আস সিয়াসাতুশ শারইয়া, ইমাম ইবনে তাইমিয়া, ৫৩ পৃ.
এমনকি রাষ্ট্র সরকার যদি এ দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত না হয় তাহলে অভাবগ্রস্তরা সরকারের বিরুদ্ধে সর্ব সর্বোচ্চ আদালতে এজন্যে মামলাও দায়ের করতে পারে। তখন বিচারপতি সরকারকে এ কাজ করতে বাধ্য করবে। ইসলামী আইন বিশারদ ইবনে আবেদিন একথা স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন। তিনি লিখেছেনঃ
(আরবী)
“ বিচারপতি যেমন অক্ষম –দরিদ্র ব্যক্তির প্রয়োজন পূরণের জন্যে তার ধনী অভিভাবক বা নিকট আত্মীয়কে বাধ্য করবে। তেমনি রাষ্ট্রপ্রধানকেও বিচারের মাধ্যমে এজন্যে বাধ্য করবে। ” আত্ তাশরীউল ইসলামী, শায়ক মুহাম্মদ, অবু যোহরা। দরিদ্র জনগণের অভাব মেটানোর ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বের কথা ইসলামের ইতিহাস থেকে ও প্রমাণিত হয়। হযরত ওমর রা: এ দায়িত্বে স্বীকৃতি দিয়েছেন। দূর্ভিক্ষকালে তিনি অভাব গ্রস্তদের জন্যে সরকারী পর্যায়ে খাবার তৈরি করিয়ে ঘোষণা করিয়ে দিয়েছিলেন এ বলে: “যার ইচ্ছা এ খাবার খেয়ে ক্ষুন্নিবৃত্তি করতে পারে, আর যার ইচ্ছা বায়তুলমাল থেকে তার ও তার পরিবারবর্গের প্রয়োজন পরিমাণ সামান সামগ্রী গ্রহন করতে পারে। ”