১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
রাষ্ট্রের নানা বিভাগ
আধুনিক রাষ্ট্র বিজ্ঞানের পরিভাষায় রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এইঃ এক সুসংবদ্ধ জনসমাজ, একটি নির্দিষ্ট এলাকা যার মালিকানাধীন, যার সার্বভৌমত্বের ক্ষমতা রয়েছে এবং যার রয়েছে একটা স্বাতন্ত্র্য, তা-ই রাষ্ট্র।
ড. মুস্তফা কামিল-জনৈক আরব রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেছেনঃ জনগণের একটি সুগঠিত দল, যা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের অধিকারী সার্বভৌমত্ব সম্পন্ন যার একটি ভাবপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও স্বাতন্ত্র্য রয়েছে।-শারহুল কানুনুদ দস্তুরী, ২৫পৃ.।
রাষ্ট্রের যে সংজ্ঞাই দেয়া হোক না কেন, তা পাঁচটা দিক অনিবার্যঃ
১. সুসংবদ্ধ জনসমাজ,
২. যা একটি ব্যাপক ব্যবস্থার অনুগত,
৩) একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী,
৪) সার্বভৌম ক্ষমতাসম্পন্ন,
৫) আর তার রয়েছে ভাবগত স্বাতন্ত্র্য।
নবী করীম স. মদীনায় যে রাষ্ট্র কায়েম করেছিলেন তাতে রাষ্ট্রের এসব কয়টি উপাদানই যথাযথভাবে বর্তমান ছিল। জনসমাজ বলতে সেখানে ছিল মাহজির ও আনসার মুসলিম গন। তারা যে সামগ্রিক ব্যবস্থা মেনে চলতো, তা ছিল ইসলামী শরীয়তের আইন ও বিধান। আর মদীনা ছিল রাষ্ট্রের অঞ্চল। তাদের জন্যে যে সার্বভৌমত্ব ছিল তা রাষ্ট্র প্রধান হিসাবে নবী করীম স. জনগণের কল্যাণে ব্যবহার ও প্রয়োগ করতেন। এ সমাজের বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্ব ছিল সুস্পষ্ট, সুপ্রকাশিত। নবী করীম স. রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে যেসব চুক্তি সম্পন্ন করতেন তা পালন ও রক্ষা করে চলা জনগণের সেকলের পক্ষেই অপরিহার্য কর্তব্য হতো। ব্যক্তিগতভাবে কেবল রসূলে করীম স. সে জন্যে দায়ী হতেন না।
ড. মুস্তফা কামিল-জনৈক আরব রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেছেনঃ জনগণের একটি সুগঠিত দল, যা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের অধিকারী সার্বভৌমত্ব সম্পন্ন যার একটি ভাবপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও স্বাতন্ত্র্য রয়েছে।-শারহুল কানুনুদ দস্তুরী, ২৫পৃ.।
রাষ্ট্রের যে সংজ্ঞাই দেয়া হোক না কেন, তা পাঁচটা দিক অনিবার্যঃ
১. সুসংবদ্ধ জনসমাজ,
২. যা একটি ব্যাপক ব্যবস্থার অনুগত,
৩) একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী,
৪) সার্বভৌম ক্ষমতাসম্পন্ন,
৫) আর তার রয়েছে ভাবগত স্বাতন্ত্র্য।
নবী করীম স. মদীনায় যে রাষ্ট্র কায়েম করেছিলেন তাতে রাষ্ট্রের এসব কয়টি উপাদানই যথাযথভাবে বর্তমান ছিল। জনসমাজ বলতে সেখানে ছিল মাহজির ও আনসার মুসলিম গন। তারা যে সামগ্রিক ব্যবস্থা মেনে চলতো, তা ছিল ইসলামী শরীয়তের আইন ও বিধান। আর মদীনা ছিল রাষ্ট্রের অঞ্চল। তাদের জন্যে যে সার্বভৌমত্ব ছিল তা রাষ্ট্র প্রধান হিসাবে নবী করীম স. জনগণের কল্যাণে ব্যবহার ও প্রয়োগ করতেন। এ সমাজের বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্ব ছিল সুস্পষ্ট, সুপ্রকাশিত। নবী করীম স. রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে যেসব চুক্তি সম্পন্ন করতেন তা পালন ও রক্ষা করে চলা জনগণের সেকলের পক্ষেই অপরিহার্য কর্তব্য হতো। ব্যক্তিগতভাবে কেবল রসূলে করীম স. সে জন্যে দায়ী হতেন না।