১
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা
লেখকঃ ড. আবদুল করিম জায়দান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৮
দ্বিতীয়ঃ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া
রাষ্ট্রর প্রতিরক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া জনগণের দ্বিতীয় কর্তব্য জনগণের উপর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় অধিকার। রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার জন্যে যে কোনো কাজ করাকে ইসলাম জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ বলা হয়েছে, কুরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে প্রদত্ত উৎসাহ বাণীতে ভরপুর হয়ে রয়েছে। ইসলামে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার কাজে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা জনগণের দীনী ফরয। এ কাজের বিরাট সওয়াবের কথা ঘোষিত হয়েছে কুরআন ও হাদিসে। আর যে লোক এ কাজে কুণ্ঠিত হবে, ইচ্ছা করে গাফলতি দেখাবে তার কঠিন আযাব হওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কুরআনের নির্দেশ হলোঃ
(আরবী)
বের হয়ে পড়ো একাকী বা দলবদ্ধভাবে—হালকাভাবে কিংবা ভারি-ভাবে এবং তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জান প্রাণ দিয়ে জিহাদ করো আল্লাহর পথে। সুরা আত তাওবাঃ ৪১
হাদিসে হযরত আবু যার রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি বললাম
(আরবী)
ইয়া রাসূল আল্লাহ কোন কাজ সর্বোত্তম? – তিনি বললেনঃ
(আরবী)
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তার পথে জিহাদ করা। রিয়াদুস সালেহীন। পৃষ্ঠা ৪৬৯
দেশ রক্ষার জন্যে জিহাদের ব্যবস্থাপনা করা এবং প্রয়োজন মতো জনগণ এ কাজে যাতে করে যোগ দিতে পারে তার পথ উন্মুক্ত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। এ ব্যবস্থাপনা নিশ্চয়ই প্রয়োজন মতো এবং যুগোপযোগী হতে হবে। যুগোপযোগী শক্তি সামর্থ্য ও অস্ত্র-শস্ত্র সংগ্রহ করাতো রাষ্ট্রের পক্ষেই সম্ভব। আর জিহাদের এ ফরজ কেবলমাত্র মুসলিম নাগরিকদের উপর, অমুসলিমদের উপর তা ফরয নয়। কিন্তু অনুগত অমুসলিম নাগরিকও এতে মুসলমানদের সাথে শরীক হতে পারে। প্রতি রক্ষার এ দায়িত্ব পালনের জন্যেই ইসলামী রাষ্ট্রের অমুসলিম নাগরিকদের ওপর জিযিয়া কর ধার্য হয়ে থাকে। কিন্তু তারা যদি প্রত্যক্ষভাবে প্রতিরক্ষা কাজে অংশ গ্রহন করে, তা হলে এ জিযিয়া কর রহিত করা ইসলামী রাষ্ট্রের জন্যে সম্পূর্ণ জায়েয।
সমাপ্ত
(আরবী)
বের হয়ে পড়ো একাকী বা দলবদ্ধভাবে—হালকাভাবে কিংবা ভারি-ভাবে এবং তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জান প্রাণ দিয়ে জিহাদ করো আল্লাহর পথে। সুরা আত তাওবাঃ ৪১
হাদিসে হযরত আবু যার রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি বললাম
(আরবী)
ইয়া রাসূল আল্লাহ কোন কাজ সর্বোত্তম? – তিনি বললেনঃ
(আরবী)
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তার পথে জিহাদ করা। রিয়াদুস সালেহীন। পৃষ্ঠা ৪৬৯
দেশ রক্ষার জন্যে জিহাদের ব্যবস্থাপনা করা এবং প্রয়োজন মতো জনগণ এ কাজে যাতে করে যোগ দিতে পারে তার পথ উন্মুক্ত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। এ ব্যবস্থাপনা নিশ্চয়ই প্রয়োজন মতো এবং যুগোপযোগী হতে হবে। যুগোপযোগী শক্তি সামর্থ্য ও অস্ত্র-শস্ত্র সংগ্রহ করাতো রাষ্ট্রের পক্ষেই সম্ভব। আর জিহাদের এ ফরজ কেবলমাত্র মুসলিম নাগরিকদের উপর, অমুসলিমদের উপর তা ফরয নয়। কিন্তু অনুগত অমুসলিম নাগরিকও এতে মুসলমানদের সাথে শরীক হতে পারে। প্রতি রক্ষার এ দায়িত্ব পালনের জন্যেই ইসলামী রাষ্ট্রের অমুসলিম নাগরিকদের ওপর জিযিয়া কর ধার্য হয়ে থাকে। কিন্তু তারা যদি প্রত্যক্ষভাবে প্রতিরক্ষা কাজে অংশ গ্রহন করে, তা হলে এ জিযিয়া কর রহিত করা ইসলামী রাষ্ট্রের জন্যে সম্পূর্ণ জায়েয।
সমাপ্ত