১
ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
চতুর্থত: ইসলামী শরী‘য়াহ এর বিধানসমূহ আক্বীদার সাথে সম্পৃক্ত:
ইসলামী শরী‘য়াহর বিধানগুলো অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যে, এর কতিপয় বিধান অর্থনীতি, কিছু সামাজিক, কিছু আখলাকী, কিছু লেনদেন যেমন, বেচাকেনা ও ভাড়া এবং কিছু অপরাধ ইত্যাদির সাথে সম্পৃক্ত। নানা ধরনের এ বিধানগুলোর সব কিছুই আক্বীদার সাথে গভীরভাবে সম্পর্ক রয়েছে। যেমন, যাকাত ইসলামের একটি রোকন, এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন,
﴿ قَدۡ أَفۡلَحَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ١ ٱلَّذِينَ هُمۡ فِي صَلَاتِهِمۡ خَٰشِعُونَ ٢ وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَنِ ٱللَّغۡوِ مُعۡرِضُونَ ٣ وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِلزَّكَوٰةِ فَٰعِلُونَ ٤ ﴾ [ المؤمنون : ١، ٤ ]
“অবশ্যই মুমিনগণ সফল হয়েছে, যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ। আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়”। [সূরা আল-মু’মিনূন: ১-৪]
এছাড়াও অন্যান্য আহকামের ক্ষেত্রেও একই কথা। যেমন, সুদের ব্যাপারে আমরা দেখি এর সাথে ইসলামী আক্বীদার এক সুদূর প্রসারী প্রভাব রয়েছে, লেনদেনের ক্ষেত্রে সুদকে হারাম করেছে। আক্বীদার সাথে এর রয়েছে গভীর সম্পর্ক। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قال : «ومن غش فليس منا»
“যে ধোঁকাবাজি করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়”।
চুরির শাস্তির আখলাকী ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি, এর সাথেও রয়েছে আক্বীদার সম্পর্ক। যেমন আল্লাহ বলেছেন,
﴿ وَٱلسَّارِقُ وَٱلسَّارِقَةُ فَٱقۡطَعُوٓاْ أَيۡدِيَهُمَا جَزَآءَۢ بِمَا كَسَبَا نَكَٰلٗا مِّنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٞ ٣٨ ﴾ [ المائدة : ٣٨ ]
“আর পুরুষ চোর ও নারী চোর তাদের উভয়ের হাত কেটে দাও তাদের অর্জনের প্রতিদান ও আল্লাহর পক্ষ থেকে শিক্ষণীয় আযাবস্বরূপ”। [সূরা আল-মায়েদা: ৩৮]
এভাবেই ইসলামী শরী‘য়াহর আহকামগুলো মানুষের অন্তরের গভীরে শক্তি, কর্ম-প্রেরণা যোগায়।
﴿ قَدۡ أَفۡلَحَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ١ ٱلَّذِينَ هُمۡ فِي صَلَاتِهِمۡ خَٰشِعُونَ ٢ وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَنِ ٱللَّغۡوِ مُعۡرِضُونَ ٣ وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِلزَّكَوٰةِ فَٰعِلُونَ ٤ ﴾ [ المؤمنون : ١، ٤ ]
“অবশ্যই মুমিনগণ সফল হয়েছে, যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ। আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়”। [সূরা আল-মু’মিনূন: ১-৪]
এছাড়াও অন্যান্য আহকামের ক্ষেত্রেও একই কথা। যেমন, সুদের ব্যাপারে আমরা দেখি এর সাথে ইসলামী আক্বীদার এক সুদূর প্রসারী প্রভাব রয়েছে, লেনদেনের ক্ষেত্রে সুদকে হারাম করেছে। আক্বীদার সাথে এর রয়েছে গভীর সম্পর্ক। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قال : «ومن غش فليس منا»
“যে ধোঁকাবাজি করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়”।
চুরির শাস্তির আখলাকী ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি, এর সাথেও রয়েছে আক্বীদার সম্পর্ক। যেমন আল্লাহ বলেছেন,
﴿ وَٱلسَّارِقُ وَٱلسَّارِقَةُ فَٱقۡطَعُوٓاْ أَيۡدِيَهُمَا جَزَآءَۢ بِمَا كَسَبَا نَكَٰلٗا مِّنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٞ ٣٨ ﴾ [ المائدة : ٣٨ ]
“আর পুরুষ চোর ও নারী চোর তাদের উভয়ের হাত কেটে দাও তাদের অর্জনের প্রতিদান ও আল্লাহর পক্ষ থেকে শিক্ষণীয় আযাবস্বরূপ”। [সূরা আল-মায়েদা: ৩৮]
এভাবেই ইসলামী শরী‘য়াহর আহকামগুলো মানুষের অন্তরের গভীরে শক্তি, কর্ম-প্রেরণা যোগায়।