১
ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
সব প্রশংসা সে মহান আল্লাহর যিনি ইসলামকে আমাদের জন্য জীবন বিধান ও পন্থা হিসেবে নির্বাচন করেছেন। আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, তাঁর কাছে আমাদের অন্তরের সব কলুষ ও পাপ থেকে পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথ-ভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপর, বর্তমান মুসলিম উম্মাহর দিকে তাকালে ও তাদের বাস্তব অবস্থা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করলে দেখা যাবে তাদের অনেকেই পথভ্রষ্ট হয়েছে, বর্তমানে তারা আসমানি শরী‘য়াহ পরিহার করেছে ও আল্লাহ প্রদত্ত বিধান ছেড়ে মানব রচিত বিধানের পথে চলছে। তারা পরস্পর বিরোধী এমন কিছু মানব রচিত জীবন বিধান ও আইন কানুনে নিজেদের জীবনকে পরিচালিত করছে, যা শুধু বুদ্ধি-বিবেক প্রসূত চিন্তা ভাবনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
ইসলামী রাষ্ট্রে শাসকদের ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এক অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তাদের কেউ কেউ পূর্ব-পশ্চিমে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে ইসলামের সাধ্য ও প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করে বসল। কেউ আবার অমুসলিমদের থেকে নানা বুদ্ধি ও আইন কানুন আমদানি করতে লাগল। তারা এ সব আইন কানুন রাষ্ট্রে অত্যাবশ্যকীয় করল এবং যারা এ সবের বিরোধিতা করত বা এ সব দিয়ে হুকুমত পরিচালনা করতে অস্বীকার করত তাদেরকে ভর্ৎসনা করা হত। এ কারণেই আমি এ সংক্ষিপ্ত আলোচনাটি নিজ দায়িত্ব আদায়ের জন্য লিপিবদ্ধ করেছি। এতে ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছি ও মানব রচিত আইন কানুনকে প্রত্যাখ্যান করার যথার্থতা বর্ণনা করেছি; কেননা মানুষের তৈরী আইনই মুসলমানদের দুর্দশা ও দুশ্চিন্তার হেতু।
আমি এ গবেষণাপত্রটি সাতটি পরিচ্ছেদে ভাগ করেছি, সেগুলো হলো:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর পরিচয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর উৎসসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর বৈশিষ্ট্যসমূহ।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহ সহজ সরল হওয়ার দলিল।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের হুকুম।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: আল্লাহর নাযিল কৃত বিধান ছাড়া অন্য বিধান অনুযায়ী শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করার কারণসমূহ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর ব্যাপারে কতিপয় দ্বিধা সংশয় এবং এগুলোর অপনোদন।
উপসংহার।
অতঃপর, বর্তমান মুসলিম উম্মাহর দিকে তাকালে ও তাদের বাস্তব অবস্থা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করলে দেখা যাবে তাদের অনেকেই পথভ্রষ্ট হয়েছে, বর্তমানে তারা আসমানি শরী‘য়াহ পরিহার করেছে ও আল্লাহ প্রদত্ত বিধান ছেড়ে মানব রচিত বিধানের পথে চলছে। তারা পরস্পর বিরোধী এমন কিছু মানব রচিত জীবন বিধান ও আইন কানুনে নিজেদের জীবনকে পরিচালিত করছে, যা শুধু বুদ্ধি-বিবেক প্রসূত চিন্তা ভাবনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
ইসলামী রাষ্ট্রে শাসকদের ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এক অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তাদের কেউ কেউ পূর্ব-পশ্চিমে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে ইসলামের সাধ্য ও প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করে বসল। কেউ আবার অমুসলিমদের থেকে নানা বুদ্ধি ও আইন কানুন আমদানি করতে লাগল। তারা এ সব আইন কানুন রাষ্ট্রে অত্যাবশ্যকীয় করল এবং যারা এ সবের বিরোধিতা করত বা এ সব দিয়ে হুকুমত পরিচালনা করতে অস্বীকার করত তাদেরকে ভর্ৎসনা করা হত। এ কারণেই আমি এ সংক্ষিপ্ত আলোচনাটি নিজ দায়িত্ব আদায়ের জন্য লিপিবদ্ধ করেছি। এতে ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছি ও মানব রচিত আইন কানুনকে প্রত্যাখ্যান করার যথার্থতা বর্ণনা করেছি; কেননা মানুষের তৈরী আইনই মুসলমানদের দুর্দশা ও দুশ্চিন্তার হেতু।
আমি এ গবেষণাপত্রটি সাতটি পরিচ্ছেদে ভাগ করেছি, সেগুলো হলো:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর পরিচয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর উৎসসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর বৈশিষ্ট্যসমূহ।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহ সহজ সরল হওয়ার দলিল।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের হুকুম।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: আল্লাহর নাযিল কৃত বিধান ছাড়া অন্য বিধান অনুযায়ী শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করার কারণসমূহ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘য়াহর ব্যাপারে কতিপয় দ্বিধা সংশয় এবং এগুলোর অপনোদন।
উপসংহার।