১
ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
দ্বিতীয় কারণ: কাফেরদের চাটুকারিতা ও তাদের উপর নির্ভরশীলতা:
ইসলাম তার দুষ্কৃতি ও হিংসুক শত্রুদের সর্বদা মোকাবিলা করেছে, চাই তারা সমাজতান্ত্রিক কাফির হোক বা আল্লাহর লা‘আনতপ্রাপ্ত ইয়াহূদী। এরা সবাই ইসলাম ও মুসলমানের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, কতিপয় লোক তাদের সাথে মিশে কাজ করে আর নিজেকে ইসলামের দিকে সম্পৃক্ত করে। তাদের উদ্দেশ্য হলো মানব রচিত আইনের অনুসারীদের অনুসরণ করা। তারা ঐ শ্রেণির লোক যারা পশ্চাত্যে শিক্ষা গ্রহণ করে তাদের চিন্তা চেতনা ও মতবাদ লালন পালন করে। তাদের ধর্ম নিরপেক্ষতা সমাজতন্ত্র, পুঁজিবাদ, ইয়াহূদীবাদ ইত্যাদি মতবাদে রূপান্তরিত হয়। তারা তাদের শ্লোগানে কণ্ঠ উঁচু করে, তাদের মূলধারার দিকে আহ্বান করে এবং লোকজনকে তাদের মতের উপর চলতে বলে। এ সব লোক অমুসলিমদের কাছেই বেশী নিকটবর্তী। কেননা তারা কাফিরদের কাজ করে আর এরা মুসলমান নয়। যদিও তারা মুখে লক্ষবার মুসলমান দাবী করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ لَّا يَتَّخِذِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۖ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ فَلَيۡسَ مِنَ ٱللَّهِ فِي شَيۡءٍ إِلَّآ أَن تَتَّقُواْ مِنۡهُمۡ تُقَىٰةٗۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفۡسَهُۥۗ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلۡمَصِيرُ ٢٨ ﴾ [ ال عمران : ٢٨ ]
“মুমিনরা যেন মুমিনদের ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধু না বানায়। আর যে কেউ এরূপ করবে, আল্লাহর সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে যদি তাদের পক্ষ থেকে তোমাদের কোনো ভয়ের আশঙ্কা থাকে। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন এবং আল্লাহর নিকটই প্রত্যাবর্তন”। [সূরা আলে-‘ইমরান: ২৮]
তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করার ব্যাপারে এটি একটি সার্বজনীন নিষেধাজ্ঞা। তাদেরকে সাহায্যকারী, বন্ধু ও অভিভাবক গ্রহণ করা ও তাদের ধর্মে দীক্ষিত হওয়া সব কিছুই এ নিষেধাজ্ঞার শামিল।
শাইখ সুলাইমান ইবন আব্দুল্লাহ আলে আশ-শাইখ রহ. মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্বের হুকুম বর্ণনায় বলেন, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, জেনে রাখো – আল্লাহ তোমার উপর রহমত করুন- মানুষ যখন মুশরিকদের দ্বীনের সাথে একমত পোষণ করে, তাদের ভয়ে তাদেরকে বন্ধু হিসেবে মানে, তাদের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য তাদেরকে তোষামোদ ও চাটুকারিতা করে তাহলে নিঃসন্দেহে সে তাদের মতই কাফির, যদিও সে তাদেরকে ও তাদের ধর্মকে অপছন্দ করে এবং ইসলাম ও মুসলমানকে ভালবাসে। আর এটা হলো যখন তাদের (মুশরিকদের) পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ না থাকবে। আর যদি মুসলমানরা তাদের প্রতিরক্ষায় থাকে, তারা (মুশরিকরা) তাদের আনুগত্য করতে বাধ্য করে, মুসলমানরা তাদের বাতিল ধর্মের সাথে ঐকমত পোষণ করে, তাদেরকে সাহায্য ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে সহযোগিতা করে, মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে, তাহলে তারা ইখলাস ও তাওহীদের সৈনিকের পরিবর্তে কাফির মুশরিকদের দলে অন্তর্ভুক্ত হলো। কারো অবস্থা এরূপ হলে সে নিঃসন্দেহে কাফির, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের চরম শত্রু। [পূর্বসূত্র, পৃষ্ঠা নং ১৪-১৫।]
অধিকাংশ ইসলামী দেশে কাফিরদেরকে অভিভাবক ও তাদের চাটুকারিতার স্পষ্ট আলামত হচ্ছে:
মানব রচিত সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা। এটা দুর্বল ঈমান বা ঈমান হীনতার ফলাফল।
﴿ لَّا يَتَّخِذِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۖ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ فَلَيۡسَ مِنَ ٱللَّهِ فِي شَيۡءٍ إِلَّآ أَن تَتَّقُواْ مِنۡهُمۡ تُقَىٰةٗۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفۡسَهُۥۗ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلۡمَصِيرُ ٢٨ ﴾ [ ال عمران : ٢٨ ]
“মুমিনরা যেন মুমিনদের ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধু না বানায়। আর যে কেউ এরূপ করবে, আল্লাহর সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে যদি তাদের পক্ষ থেকে তোমাদের কোনো ভয়ের আশঙ্কা থাকে। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন এবং আল্লাহর নিকটই প্রত্যাবর্তন”। [সূরা আলে-‘ইমরান: ২৮]
তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করার ব্যাপারে এটি একটি সার্বজনীন নিষেধাজ্ঞা। তাদেরকে সাহায্যকারী, বন্ধু ও অভিভাবক গ্রহণ করা ও তাদের ধর্মে দীক্ষিত হওয়া সব কিছুই এ নিষেধাজ্ঞার শামিল।
শাইখ সুলাইমান ইবন আব্দুল্লাহ আলে আশ-শাইখ রহ. মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্বের হুকুম বর্ণনায় বলেন, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, জেনে রাখো – আল্লাহ তোমার উপর রহমত করুন- মানুষ যখন মুশরিকদের দ্বীনের সাথে একমত পোষণ করে, তাদের ভয়ে তাদেরকে বন্ধু হিসেবে মানে, তাদের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য তাদেরকে তোষামোদ ও চাটুকারিতা করে তাহলে নিঃসন্দেহে সে তাদের মতই কাফির, যদিও সে তাদেরকে ও তাদের ধর্মকে অপছন্দ করে এবং ইসলাম ও মুসলমানকে ভালবাসে। আর এটা হলো যখন তাদের (মুশরিকদের) পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ না থাকবে। আর যদি মুসলমানরা তাদের প্রতিরক্ষায় থাকে, তারা (মুশরিকরা) তাদের আনুগত্য করতে বাধ্য করে, মুসলমানরা তাদের বাতিল ধর্মের সাথে ঐকমত পোষণ করে, তাদেরকে সাহায্য ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে সহযোগিতা করে, মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে, তাহলে তারা ইখলাস ও তাওহীদের সৈনিকের পরিবর্তে কাফির মুশরিকদের দলে অন্তর্ভুক্ত হলো। কারো অবস্থা এরূপ হলে সে নিঃসন্দেহে কাফির, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের চরম শত্রু। [পূর্বসূত্র, পৃষ্ঠা নং ১৪-১৫।]
অধিকাংশ ইসলামী দেশে কাফিরদেরকে অভিভাবক ও তাদের চাটুকারিতার স্পষ্ট আলামত হচ্ছে:
মানব রচিত সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা। এটা দুর্বল ঈমান বা ঈমান হীনতার ফলাফল।