১
ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
দীনের নির্দেশনা অনুযায়ী যাবতীয় হুকুম পরিচালনাঃ
দীনের নির্দেশনা অনুযায়ী যাবতীয় হুকুম পরিচালনা দীনের হেফাযতের একটি অন্যতম জরুরী পন্থা। কেননা দীনই যদি হুকুম পরিচালনার মূল অথরিটি না হয় তাহলে সে দীন কিভাবে হেফাযত করা সম্ভব? দীনের হেফাযতের অর্থ শুধু কাগজে-কলমে কিংবা কিতাবে একে সংরক্ষণ করা নয়। বরং মানুষের যাবতীয় কর্মকাণ্ডে দীনের নির্দেশ মেনে চলাই হচ্ছে দীনের সবচেয়ে বড় হেফাযত [ইসলাম ও জীবনের অপরিহার্য বিষয়সমূহ পৃঃ ৩১, মাকাসিদুশ শারীআ’হ আল-ইসলামিইয়াহ পৃঃ ১৯৭-১৯৮]।
এদ্বারা প্রমাণিত হয় যে, দীনকে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর অবতারিত নির্দেশ ও গ্রন্থ ছাড়া অন্য আইন দ্বারা হুকুম পরিচালনা করার মানে দাঁড়ায় আল্লাহর দীন ও হুকুমের স্থলে মানব প্রবৃত্তি ও মতবাদকে সেখানে স্থলাভিষিক্ত করা। দীনকে ধ্বংস করার জন্য এর চেয়ে আর বড় কোনো পন্থা আছে কি?? এবং দীনের বিরুদ্ধে কৃত এর চেয়েও বড় কোনো অপরাধ আছে কি??
মহান আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤۡمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيۡنَهُمۡ ثُمَّ لَا يَجِدُواْ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ حَرَجٗا مِّمَّا قَضَيۡتَ وَيُسَلِّمُواْ تَسۡلِيمٗا ٦٥ ﴾ [ النساء : ٦٥ ]
‘‘কখনোই নয়, আপনার রবের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের মধ্যকার বিবাদ-বিসম্বাদে আপনাকে হুকুমদাতা হিসাবে স্থির করে, অতপর আপনি যে ফয়সালা করে দেন তাতে নিজেদের মনে কোনরূপ দ্বিধা না রেখে পুরোপুরি মেনে নেয়’’ [সূরা আন-নিসা : ৬৫]।
﴿ وَمَن لَّمۡ يَحۡكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَٰفِرُونَ ٤٤ ﴾ [ المائدة : ٤٤ ]
‘‘যারা আল্লাহর অবতারিত বিধান অনুযায়ী হুকুম প্রদান করে না তারা কাফির’’ [সূরা আল-মায়িদাহ : ৪৪]।
এদ্বারা প্রমাণিত হয় যে, দীনকে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর অবতারিত নির্দেশ ও গ্রন্থ ছাড়া অন্য আইন দ্বারা হুকুম পরিচালনা করার মানে দাঁড়ায় আল্লাহর দীন ও হুকুমের স্থলে মানব প্রবৃত্তি ও মতবাদকে সেখানে স্থলাভিষিক্ত করা। দীনকে ধ্বংস করার জন্য এর চেয়ে আর বড় কোনো পন্থা আছে কি?? এবং দীনের বিরুদ্ধে কৃত এর চেয়েও বড় কোনো অপরাধ আছে কি??
মহান আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤۡمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيۡنَهُمۡ ثُمَّ لَا يَجِدُواْ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ حَرَجٗا مِّمَّا قَضَيۡتَ وَيُسَلِّمُواْ تَسۡلِيمٗا ٦٥ ﴾ [ النساء : ٦٥ ]
‘‘কখনোই নয়, আপনার রবের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের মধ্যকার বিবাদ-বিসম্বাদে আপনাকে হুকুমদাতা হিসাবে স্থির করে, অতপর আপনি যে ফয়সালা করে দেন তাতে নিজেদের মনে কোনরূপ দ্বিধা না রেখে পুরোপুরি মেনে নেয়’’ [সূরা আন-নিসা : ৬৫]।
﴿ وَمَن لَّمۡ يَحۡكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَٰفِرُونَ ٤٤ ﴾ [ المائدة : ٤٤ ]
‘‘যারা আল্লাহর অবতারিত বিধান অনুযায়ী হুকুম প্রদান করে না তারা কাফির’’ [সূরা আল-মায়িদাহ : ৪৪]।