১
ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
মাকাসিদ আশ-শারীয়াহ্ এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনী রীতি-নীতি
মাকাসিদ আশ-শারীয়াহ্ এর আলোকে আলেমগণ সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর বেশ কিছু আইনী রীতি-নীতি পেশ করেছেন, যার উপর ভিত্তি করে ইসলামী আইন বিষয়ক অনেক বিধান সহজেই উদ্ভাবন করা যায়। নিচে উদাহরণস্বরূপ অল্প কিছু উদাহরণ পেশ করা হচ্ছে।
মাকাসিদ আশ-শারীয়াহ্ বা ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জানা যাবে কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা’ দ্বারা [আলমুস্তাসফা, ইমাম আল-গাযালী, পৃঃ ২৫৮]।
যা দ্বারা পাঁচটি জরুরী বিষয়ের হেফাযত সম্পন্ন হবে, তা মাসলাহা ও কল্যাণ বলে গণ্য হবে এবং যা দ্বারা উক্ত পাঁচটি বিষয়ের ক্ষতি সাধিত হবে তা মাফসাদা বা অকল্যাণ বলে গণ্য হবে [প্রাগুক্ত, পৃঃ ২৫১]।
যখন দু’টো মন্দ বা ক্ষতি পরস্পর মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে, এমনভাবে যে, এর যে কোন একটি মোকবেলা করতেই হবে, তাহলে শারীয়াহ্ প্রণেতার উদ্দেশ্য ও ইচ্ছা হল অধিকতর ক্ষতিকে প্রতিরোধ করা [প্রাগুক্ত, পৃঃ ২৫৮]।
শারীয়াহ্ প্রণেতার উদ্দেশ্য ও ইচ্ছা হচ্ছে নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে সকল কঠোরতা ও অসুবিধা বিলোপ করা [আল-কাওয়ায়েদ, মাক্কারি, ২/৪৩২]।
নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কঠোরতা ও অসুবিধা বজায় থাকবে [আল-মুয়াফাকাত, ইমাম শাতিবী, ১/১৮৩]।
কোন কাজের নির্দেশ প্রদানের অর্থই হচ্ছে শারীয়াহ্ প্রণেতা চান সে কাজ বাস্তবায়িত হোক, এবং কোন কাজ থেকে নিষেধ করার অর্থই হল শারীয়াহ্ প্রণেতা চান সে কাজ বাস্তবায়িত না হোক [প্রাগুক্ত, ২/৩৯৩, ৩/১২২]।
শারীয়াহ্ প্রণেতা কোন কাজের প্রশংসা করার দ্বারা বোঝা যায় যে, তিনি চান সে কাজ বাস্তবায়িত হোক [প্রাগুক্ত, ২/২৪]।
সামষ্টিক কল্যাণ ব্যক্তি কল্যাণের উপর প্রধান্য পাবে [কাওয়ায়েদুল আহকাম, ইযযুদ্দীন ইবন আবদুস সালাম, ১/৭১, আল-মুওয়াফাকাত, ২/৩৫০]।
মৌলিক কল্যাণ গৌণ ও আনুষাঙ্গিক কল্যাণের উপর প্রাধান্য পাবে [আলমুয়াফাকাত, ২/১৪]।
কল্যাণ অর্জনের আগে অকল্যাণ দূর করা শারীয়াহ্ প্রণেতার দৃষ্টিতে অগ্রগণ্য [আল-কাওয়ায়েদ, মাক্কারি, ২/৪৪৩]।
মাকাসিদ আশ-শারীয়াহ্ বা ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জানা যাবে কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা’ দ্বারা [আলমুস্তাসফা, ইমাম আল-গাযালী, পৃঃ ২৫৮]।
যা দ্বারা পাঁচটি জরুরী বিষয়ের হেফাযত সম্পন্ন হবে, তা মাসলাহা ও কল্যাণ বলে গণ্য হবে এবং যা দ্বারা উক্ত পাঁচটি বিষয়ের ক্ষতি সাধিত হবে তা মাফসাদা বা অকল্যাণ বলে গণ্য হবে [প্রাগুক্ত, পৃঃ ২৫১]।
যখন দু’টো মন্দ বা ক্ষতি পরস্পর মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে, এমনভাবে যে, এর যে কোন একটি মোকবেলা করতেই হবে, তাহলে শারীয়াহ্ প্রণেতার উদ্দেশ্য ও ইচ্ছা হল অধিকতর ক্ষতিকে প্রতিরোধ করা [প্রাগুক্ত, পৃঃ ২৫৮]।
শারীয়াহ্ প্রণেতার উদ্দেশ্য ও ইচ্ছা হচ্ছে নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে সকল কঠোরতা ও অসুবিধা বিলোপ করা [আল-কাওয়ায়েদ, মাক্কারি, ২/৪৩২]।
নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কঠোরতা ও অসুবিধা বজায় থাকবে [আল-মুয়াফাকাত, ইমাম শাতিবী, ১/১৮৩]।
কোন কাজের নির্দেশ প্রদানের অর্থই হচ্ছে শারীয়াহ্ প্রণেতা চান সে কাজ বাস্তবায়িত হোক, এবং কোন কাজ থেকে নিষেধ করার অর্থই হল শারীয়াহ্ প্রণেতা চান সে কাজ বাস্তবায়িত না হোক [প্রাগুক্ত, ২/৩৯৩, ৩/১২২]।
শারীয়াহ্ প্রণেতা কোন কাজের প্রশংসা করার দ্বারা বোঝা যায় যে, তিনি চান সে কাজ বাস্তবায়িত হোক [প্রাগুক্ত, ২/২৪]।
সামষ্টিক কল্যাণ ব্যক্তি কল্যাণের উপর প্রধান্য পাবে [কাওয়ায়েদুল আহকাম, ইযযুদ্দীন ইবন আবদুস সালাম, ১/৭১, আল-মুওয়াফাকাত, ২/৩৫০]।
মৌলিক কল্যাণ গৌণ ও আনুষাঙ্গিক কল্যাণের উপর প্রাধান্য পাবে [আলমুয়াফাকাত, ২/১৪]।
কল্যাণ অর্জনের আগে অকল্যাণ দূর করা শারীয়াহ্ প্রণেতার দৃষ্টিতে অগ্রগণ্য [আল-কাওয়ায়েদ, মাক্কারি, ২/৪৪৩]।