১
সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
আল্লাহ তাআলা এ উম্মতের ভাগ্যে রেখেছে পৃথিবীর নেতৃত্ব
وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آَمَنُوا مِنْكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَى لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُمْ مِنْ بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْنًا يَعْبُدُونَنِي لَا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئًا ( ألنور : ৫৫(
তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসন কর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসন কর্তৃত্ব দান করেছে তাদের পূর্ব বর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয় ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরিক করবে না।
আল্লাহ তাআলা জানেন যে এই উম্মত মোখামোখী হবে বিভিন্ন ধর্ম ও বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর, এবং তাদের অধীন চলে আসবে ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টান সমপ্রদায়। আল্লাহর ইচ্ছা যে এই উম্মতের জন্য হবে কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব-
وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا ( البقرة :১৪৩(
এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সমপ্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানব মন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রাসূল সাক্ষদাতা হন তোমাদের জন্যে।
তারা হবে ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত শুধু তাদের জন্য নয় বরং সকল মানুষের জন্য। আল্লাহ তাআলা বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ ( النساء : ১৩৫)
হে ঈমানদারগণ তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক আল্লাহর জন্য।
এ জন্য এই উম্মতকে আল্লাহ তাআলা যোগ্যতা দান করেছেন হক গ্রহণ ও মানুষের মাঝে প্রচার করার। এ যোগ্যতার মধ্য থেকে একটি হচ্ছে পূর্ববর্তী নবী গণের প্রতি অবতীর্ণ বস্তুতে বিশ্বাস স্থাপন। কারণে ঐসব ছিল আল্লাহর পক্ষ হতে হক্ক ও সত্য বিধান। এতে করে এ উম্মতের হৃদয়ে তাদের ব্যাপারে কোন প্রকার সংশয় ও বিদ্ধেষ সৃষ্টি হয় না পূর্বেকার কোন জাতির ক্ষেত্রে। যেমন বিদ্ধেষ প্রকাশ তারা করেছিল এ মুসলমানদের উপর (তাদের মধ্যে খৃষ্টান ও রয়েছে)। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ও তার উপর অবর্তীণ কুরআনের কারণে। যে কুরআন হলো পূর্ববতী সকল রিসালতকে রহিতকারী। মুসলমান কারো প্রতি বিদ্ধেষ পোষণ করে না এবং কোন বিষয় তাদের অন্তরে সংশয় ও নেই। তারা সকল রাসূলদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সকল রিসালতের উপর সমান ভাবে বিশ্বাস করে। এজন্য দেখা যায় ইয়াহুদী ও খৃষ্টান সমপ্রদায় মুসলিম শাসনাধীন যুগে সম্মান ও নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করেছিল। তাদের উপর কোন প্রকার জুলুম, নির্যাতন হয়নি। তার বিপরীত ইয়াহুদী খৃষ্টান শাসনাধীন এলাকাতে মুসলমানের উপর সকল প্রকার অত্যাচার নিপীড়ন চলে, তাদের সম্পদ ও ভূমি কেড়ে নেয়া হয়, তাদের কে অপমান অপদস্ত করা হয়, শত সহস্র বার নির্মল ও বিনাশের চেষ্টা করা হয়। এ জন্য ইয়াহুদীজাতি অথবা খৃষ্টান জাতি মনুষ্যজাতির নেতৃত্বের যোগ্য নয় কারণ উভয় জাতি তাদের মানসিক বিদ্ধেষ থেকে, বেরিয়ে আসতে পারেনা। আর মুসলিম জাতি এককভাবে মানব জাতির নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতা রাখে। বাস্তবে তারা বহু শতাব্দি ধরে নেতৃত্বে ছিল। কারণ তারাই এক মাত্র জাতি যারা আল্লাহ দেয়া যোগ্যতার ফলে অত্যাচার নিপীড়ণ ছাড়া আন্তরিকতার সাথে শাসন করতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ ( آل عمران : ১১০(
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানব জাতির কল্যানের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশদান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে।
উল্লেখিত বর্ণনা মতে প্রতিয়মান হয় যে, পূর্ববর্তী সকল রাসূল ও তাদের রেসালতের প্রতি বিশ্বাস হবে তারতম্যহীন ও বিদ্বেষ ছাড়া।
তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসন কর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসন কর্তৃত্ব দান করেছে তাদের পূর্ব বর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয় ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরিক করবে না।
আল্লাহ তাআলা জানেন যে এই উম্মত মোখামোখী হবে বিভিন্ন ধর্ম ও বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর, এবং তাদের অধীন চলে আসবে ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টান সমপ্রদায়। আল্লাহর ইচ্ছা যে এই উম্মতের জন্য হবে কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব-
وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا ( البقرة :১৪৩(
এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সমপ্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানব মন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রাসূল সাক্ষদাতা হন তোমাদের জন্যে।
তারা হবে ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত শুধু তাদের জন্য নয় বরং সকল মানুষের জন্য। আল্লাহ তাআলা বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ ( النساء : ১৩৫)
হে ঈমানদারগণ তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক আল্লাহর জন্য।
এ জন্য এই উম্মতকে আল্লাহ তাআলা যোগ্যতা দান করেছেন হক গ্রহণ ও মানুষের মাঝে প্রচার করার। এ যোগ্যতার মধ্য থেকে একটি হচ্ছে পূর্ববর্তী নবী গণের প্রতি অবতীর্ণ বস্তুতে বিশ্বাস স্থাপন। কারণে ঐসব ছিল আল্লাহর পক্ষ হতে হক্ক ও সত্য বিধান। এতে করে এ উম্মতের হৃদয়ে তাদের ব্যাপারে কোন প্রকার সংশয় ও বিদ্ধেষ সৃষ্টি হয় না পূর্বেকার কোন জাতির ক্ষেত্রে। যেমন বিদ্ধেষ প্রকাশ তারা করেছিল এ মুসলমানদের উপর (তাদের মধ্যে খৃষ্টান ও রয়েছে)। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ও তার উপর অবর্তীণ কুরআনের কারণে। যে কুরআন হলো পূর্ববতী সকল রিসালতকে রহিতকারী। মুসলমান কারো প্রতি বিদ্ধেষ পোষণ করে না এবং কোন বিষয় তাদের অন্তরে সংশয় ও নেই। তারা সকল রাসূলদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সকল রিসালতের উপর সমান ভাবে বিশ্বাস করে। এজন্য দেখা যায় ইয়াহুদী ও খৃষ্টান সমপ্রদায় মুসলিম শাসনাধীন যুগে সম্মান ও নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করেছিল। তাদের উপর কোন প্রকার জুলুম, নির্যাতন হয়নি। তার বিপরীত ইয়াহুদী খৃষ্টান শাসনাধীন এলাকাতে মুসলমানের উপর সকল প্রকার অত্যাচার নিপীড়ন চলে, তাদের সম্পদ ও ভূমি কেড়ে নেয়া হয়, তাদের কে অপমান অপদস্ত করা হয়, শত সহস্র বার নির্মল ও বিনাশের চেষ্টা করা হয়। এ জন্য ইয়াহুদীজাতি অথবা খৃষ্টান জাতি মনুষ্যজাতির নেতৃত্বের যোগ্য নয় কারণ উভয় জাতি তাদের মানসিক বিদ্ধেষ থেকে, বেরিয়ে আসতে পারেনা। আর মুসলিম জাতি এককভাবে মানব জাতির নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতা রাখে। বাস্তবে তারা বহু শতাব্দি ধরে নেতৃত্বে ছিল। কারণ তারাই এক মাত্র জাতি যারা আল্লাহ দেয়া যোগ্যতার ফলে অত্যাচার নিপীড়ণ ছাড়া আন্তরিকতার সাথে শাসন করতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ ( آل عمران : ১১০(
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানব জাতির কল্যানের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশদান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে।
উল্লেখিত বর্ণনা মতে প্রতিয়মান হয় যে, পূর্ববর্তী সকল রাসূল ও তাদের রেসালতের প্রতি বিশ্বাস হবে তারতম্যহীন ও বিদ্বেষ ছাড়া।